মূলধাতু ق-و-ل
কুরআনে ১৭২২ বার, ৬টি শব্দরূপে
قالَ
বলা, কথা বলা, উচ্চারণ করা, বক্তব্য দেওয়া, বিবৃতি, বলা, কাউকে জানানো দেওয়া,
ক্রিয়া১৬১৮ বার
- ১৯:১৮
قَالَتۡ اِنِّىۡۤ اَعُوۡذُ بِالرَّحۡمٰنِ مِنۡكَ اِنۡ كُنۡتَ تَقِيًّا
সে বলল: নিশ্চয় আমি তোমার থেকে পরম দয়াময় আল্লাহর আশ্রয় চাই, যদি তুমি আল্লাহ সম্পর্কে সচেতন হও।
- ১৯:১৯
قَالَ اِنَّمَاۤ اَنَا رَسُوۡلُ رَبِّكِ ۖ لِاَهَبَ لَـكِ غُلٰمًا زَكِيًّا
সে বলল: আমি তো কেবল তোমার প্রতিপালকের প্রেরিত দূত, যেন তোমাকে এক পবিত্র সন্তান দান করি।
- ১৯:২০
قَالَتۡ اَنّٰى يَكُوۡنُ لِىۡ غُلٰمٌ وَّلَمۡ يَمۡسَسۡنِىۡ بَشَرٌ وَّلَمۡ اَكُ بَغِيًّا
সে বলল: কীভাবে আমার সন্তান হবে, অথচ আমাকে কোনো মানুষ স্পর্শ করেনি এবং আমি কখনোই ব্যভিচারিনীও ছিলাম না?
- ১৯:২১
قَالَ كَذٰلِكِ ۚ قَالَ رَبُّكِ هُوَ عَلَىَّ هَيِّنٌ ۚ وَلِنَجۡعَلَهٗۤ اٰيَةً لِّلنَّاسِ وَرَحۡمَةً مِّنَّا ۚ وَكَانَ اَمۡرًا مَّقۡضِيًّا
সে বলল: এভাবেই হবে। তোমার প্রতিপালক বলেছেন: এটা আমার জন্য খুবই সহজ। আর আমরা তা বানাই আমাদের পক্ষ থেকে মানুষের জন্য একটি
- ১৯:২১
قَالَ كَذٰلِكِ ۚ قَالَ رَبُّكِ هُوَ عَلَىَّ هَيِّنٌ ۚ وَلِنَجۡعَلَهٗۤ اٰيَةً لِّلنَّاسِ وَرَحۡمَةً مِّنَّا ۚ وَكَانَ اَمۡرًا مَّقۡضِيًّا
সে বলল: এভাবেই হবে। তোমার প্রতিপালক বলেছেন: এটা আমার জন্য খুবই সহজ। আর আমরা তা বানাই আমাদের পক্ষ থেকে মানুষের জন্য একটি
- ১৯:২৩
فَاَجَآءَهَا الۡمَخَاضُ اِلٰى جِذۡعِ النَّخۡلَةِۚ قَالَتۡ يٰلَيۡتَنِىۡ مِتُّ قَبۡلَ هٰذَا وَكُنۡتُ نَسۡيًا مَّنۡسِيًّا
অতঃপর প্রসব বেদনা তাকে খেজুর গাছের কাণ্ডের দিকে ঠেলে নিয়ে গেল। সে বলল: ‘হায়! এর আগে যদি আমি মারা যেতাম এবং সম্পূর্ণভাবে
- ১৯:২৬
فَكُلِىۡ وَاشۡرَبِىۡ وَقَرِّىۡ عَيۡنًا ۚ فَاِمَّا تَرَيِنَّ مِنَ الۡبَشَرِ اَحَدًا ۙ فَقُوۡلِىۡۤ اِنِّىۡ نَذَرۡتُ لِلرَّحۡمٰنِ صَوۡمًا فَلَنۡ اُكَلِّمَ الۡيَوۡمَ اِنۡسِيًّا ۚ
তাই তুমি খাও, পান করো এবং তোমার চোখ শীতল করো। তারপর যদি মানুষের মধ্যে কাউকে দেখো, তাহলে বলো: ‘আমি পরম দয়াময়ের জন্য সংযম
- ১৯:২৭
فَاَتَتۡ بِهٖ قَوۡمَهَا تَحۡمِلُهٗؕ قَالُوۡا يٰمَرۡيَمُ لَقَدۡ جِئۡتِ شَيۡـًٔـا فَرِيًّا
অতঃপর সে তাকে নিয়ে তার সম্প্রদায়ের কাছে এলো, তাকে কোলে বহন করতে করতে। তারা বলল: ‘হে মারইয়াম! তুমি তো একেবারেই
- ১৯:২৯
فَاَشَارَتۡ اِلَيۡهِ ؕ قَالُوۡا كَيۡفَ نُـكَلِّمُ مَنۡ كَانَ فِى الۡمَهۡدِ صَبِيًّا
তখন সে শিশুটির দিকে ইশারা করল। তারা বলল: ‘আমরা কীভাবে এমন কারো সঙ্গে কথা বলব, যে এখনো দোলনায় থাকা একটি শিশু?’
- ১৯:৩০
قَالَ اِنِّىۡ عَبۡدُ اللّٰهِ ؕ اٰتٰٮنِىَ الۡكِتٰبَ وَجَعَلَنِىۡ نَبِيًّا ۙ
সে (কোলের শিশু) বলল: ‘নিশ্চয়ই আমি আল্লাহর দাস। তিনি আমাকে লিখিত বিধান দিয়েছেন এবং আমাকে নবী করেছেন।’
- ১৯:৩৫
مَا كَانَ لِلّٰهِ اَنۡ يَّتَّخِذَ مِنۡ وَّلَدٍۙ سُبۡحٰنَهٗؕ اِذَا قَضٰٓى اَمۡرًا فَاِنَّمَا يَقُوۡلُ لَهٗ كُنۡ فَيَكُوۡنُؕ
আল্লাহর জন্য এটা শোভন নয় যে তিনি কোনো সন্তান গ্রহণ করবেন। তিনি পরম পবিত্র। তিনি যখন কোনো বিষয় নির্ধারণ করেন, তখন শুধু
- ১৯:৪২
اِذۡ قَالَ لِاَبِيۡهِ يٰۤـاَبَتِ لِمَ تَعۡبُدُ مَا لَا يَسۡمَعُ وَلَا يُبۡصِرُ وَ لَا يُغۡنِىۡ عَنۡكَ شَيۡــًٔـا
যখন সে তার পিতাকে বলল:‘হে আমার প্রিয় পিতা! তুমি কেন এমন কিছুর দাসত্ব করো, যা না শুনতে পারে, না দেখতে পারে, আর না তোমার
- ১৯:৪৬
قَالَ اَرَاغِبٌ اَنۡتَ عَنۡ اٰلِهَتِىۡ يٰۤاِبۡرٰهِيۡمُۚ لَٮِٕنۡ لَّمۡ تَنۡتَهِ لَاَرۡجُمَنَّكَ وَاهۡجُرۡنِىۡ مَلِيًّا
সে বলল: ‘হে ইবরাহিম! তুমি কি আমার দেব-দেবীদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছ? যদি তুমি বিরত না হও, আমি অবশ্যই তোমাকে পাথর
- ১৯:৪৭
قَالَ سَلٰمٌ عَلَيۡكَۚ سَاَسۡتَغۡفِرُ لَـكَ رَبِّىۡؕ اِنَّهٗ كَانَ بِىۡ حَفِيًّا
সে বলল: ‘তোমার উপর শান্তি। আমি আমার প্রতিপালকের কাছে তোমার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করব। নিশ্চয়ই তিনি আমার প্রতি ছিলেন
- ১৯:৬৬
وَيَقُوۡلُ الۡاِنۡسَانُ ءَاِذَا مَا مِتُّ لَسَوۡفَ اُخۡرَجُ حَيًّا
আর মানুষ বলে: ‘আমি যখন মারা যাব, তখন কি আমাকে অবশ্যই জীবিত অবস্থায় আবার বের করা হবে?’
- ১৯:৭৩
وَاِذَا تُتۡلٰى عَلَيۡهِمۡ اٰيٰتُنَا بَيِّنٰتٍ قَالَ الَّذِيۡنَ كَفَرُوۡا لِلَّذِيۡنَ اٰمَنُوۡۤا ۙ اَىُّ الۡفَرِيۡقَيۡنِ خَيۡرٌ مَّقَامًا وَّاَحۡسَنُ نَدِيًّا
আর যখন তাদের সামনে আমাদের সুস্পষ্ট আয়াতগুলো পাঠ করা হয়, তখন অবিশ্বাসীরা বিশ্বাসীদেরকে বলে: ‘দুই দলের মধ্যে কোনটি
- ১৯:৭৫
قُلۡ مَنۡ كَانَ فِى الضَّلٰلَةِ فَلۡيَمۡدُدۡ لَهُ الرَّحۡمٰنُ مَدًّا ۚ حَتّٰٓى اِذَا رَاَوۡا مَا يُوۡعَدُوۡنَ اِمَّا الۡعَذَابَ وَاِمَّا السَّاعَةَ ؕ فَسَيَـعۡلَمُوۡنَ مَنۡ هُوَ شَرٌّ مَّكَانًا وَّاَضۡعَفُ جُنۡدًا
বল: যে বিভ্রান্তিতে আছে, পরম দয়ালু তাকে ততক্ষন পর্যন্ত সময় ও সুযোগ দেবেন, যতক্ষণ না তারা সেই প্রতিশ্রুত বিষয় দেখবে,
- ১৯:৭৭
اَفَرَءَيۡتَ الَّذِىۡ كَفَرَ بِاٰيٰتِنَا وَقَالَ لَاُوۡتَيَنَّ مَالًا وَّوَلَدًا ؕ
তুমি কি সেই ব্যক্তিকে দেখেছ, যে আমাদের আয়াতসমূহ অস্বীকার করেছে এবং বলে: ‘আমাকে অবশ্যই সম্পদ ও সন্তান দেওয়া হবে?’
- ১৯:৭৯
كَلَّا ؕ سَنَكۡتُبُ مَا يَقُوۡلُ وَنَمُدُّ لَهٗ مِنَ الۡعَذَابِ مَدًّا ۙ
কখনোই না! সে যা বলে আমরা তা লিখে রাখব এবং তার জন্য শাস্তি আরও বাড়িয়ে দেব।
- ১৯:৮০
وَّنَرِثُهٗ مَا يَقُوۡلُ وَيَاۡتِيۡنَا فَرۡدًا
আর সে যা বলেছে আমরা তার উত্তরাধিকারী হব, এবং সে আমাদের কাছে আসবে একাকী।
قَوْل
কথা, উক্তি, বক্তব্য
বিশেষ্য৯২ বার
- ২:৫৯
فَبَدَّلَ الَّذِيۡنَ ظَلَمُوۡا قَوۡلاً غَيۡرَ الَّذِىۡ قِيۡلَ لَهُمۡ فَاَنۡزَلۡنَا عَلَى الَّذِيۡنَ ظَلَمُوۡا رِجۡزًا مِّنَ السَّمَآءِ بِمَا كَانُوۡا يَفۡسُقُوۡنَ
কিন্তু যারা সীমালঙ্ঘন করেছিল তারা তাদেরকে যা বলা হয়েছিল তা পরিবর্তন করে অন্য কথা বলল, কাজেই সীমালঙ্ঘনকারীদের উদ্দেশ্যে
- ২:১১৩
وَقَالَتِ الۡيَهُوۡدُ لَـيۡسَتِ النَّصٰرٰى عَلٰى شَىۡءٍ وَّقَالَتِ النَّصٰرٰى لَـيۡسَتِ الۡيَهُوۡدُ عَلٰى شَىۡءٍۙ وَّهُمۡ يَتۡلُوۡنَ الۡكِتٰبَؕ كَذٰلِكَ قَالَ الَّذِيۡنَ لَا يَعۡلَمُوۡنَ مِثۡلَ قَوۡلِهِمۡۚ فَاللّٰهُ يَحۡكُمُ بَيۡنَهُمۡ يَوۡمَ الۡقِيٰمَةِ فِيۡمَا كَانُوۡا فِيۡهِ يَخۡتَلِفُوۡنَ
আর ইয়াহুদীরা বলে, খ্রিস্টানদের কোনো ভিত্তি নেই’ এবং এবং খ্রিস্টানরা বলে, ইয়াহূদীদের কোনো ভিত্তি নেই’; অথচ তারা আল্লাহর
- ২:১১৮
وَقَالَ الَّذِيۡنَ لَا يَعۡلَمُوۡنَ لَوۡلَا يُكَلِّمُنَا اللّٰهُ اَوۡ تَاۡتِيۡنَآ اٰيَةٌ ؕ كَذٰلِكَ قَالَ الَّذِيۡنَ مِنۡ قَبۡلِهِمۡ مِّثۡلَ قَوۡلِهِمۡؕ تَشَابَهَتۡ قُلُوۡبُهُمۡؕ قَدۡ بَيَّنَّا الۡاٰيٰتِ لِقَوۡمٍ يُّوۡقِنُوۡنَ
আর যারা কিছু জানে না তারা বলে, কেন আল্লাহ আমাদের সঙ্গে কথা বলেন না? কিংবা আমাদের নিকট কোন নিদর্শন কেন আসে না? এভাবে
- ২:২০৪
وَمِنَ النَّاسِ مَنۡ يُّعۡجِبُكَ قَوۡلُهٗ فِى الۡحَيٰوةِ الدُّنۡيَا وَيُشۡهِدُ اللّٰهَ عَلٰى مَا فِىۡ قَلۡبِهٖۙ وَهُوَ اَلَدُّ الۡخِصَامِ
আর মানুষের মধ্যে এমন লোকও আছে, দুনিয়ার জীবনের বিষয়ে যার কথা তোমাকে মুগ্ধ করে, এবং সে তার অন্তরে যা আছে তার ওপর আল্লাহকে
- ২:২৩৫
وَلَا جُنَاحَ عَلَيۡكُمۡ فِيۡمَا عَرَّضۡتُمۡ بِهٖ مِنۡ خِطۡبَةِ النِّسَآءِ اَوۡ اَکۡنَنۡتُمۡ فِىۡٓ اَنۡفُسِكُمۡؕ عَلِمَ اللّٰهُ اَنَّكُمۡ سَتَذۡكُرُوۡنَهُنَّ وَلٰـكِنۡ لَّا تُوَاعِدُوۡهُنَّ سِرًّا اِلَّاۤ اَنۡ تَقُوۡلُوۡا قَوۡلًا مَّعۡرُوۡفًا ؕ وَلَا تَعۡزِمُوۡا عُقۡدَةَ النِّکَاحِ حَتّٰى يَبۡلُغَ الۡكِتٰبُ اَجَلَهٗ ؕ وَاعۡلَمُوۡٓا اَنَّ اللّٰهَ يَعۡلَمُ مَا فِىۡٓ اَنۡفُسِكُمۡ فَاحۡذَرُوۡهُ ؕ وَاعۡلَمُوۡٓا اَنَّ اللّٰهَ غَفُوۡرٌ حَلِيۡمٌ
আর যদি তোমরা আকার ইঙ্গিতে (সে) নারীদের বিয়ের প্রস্তাব দাও বা তোমাদের অন্তরে গোপন রাখো তবে তোমাদের কোনো পাপ নেই। আল্লাহ
- ২:২৬৩
۞ قَوۡلٌ مَّعۡرُوۡفٌ وَّمَغۡفِرَةٌ خَيۡرٌ مِّنۡ صَدَقَةٍ يَّتۡبَعُهَاۤ اَذًىؕ وَاللّٰهُ غَنِىٌّ حَلِيۡمٌ
উত্তম কথা এবং ক্ষমাশীল আচরণ, সেই দানের চেয়েও উত্তম, যার পেছনে কষ্ট এসে যায়। আর আল্লাহ সম্পূর্ণ অভাবমুক্ত, অত্যন্ত
- ৩:১৪৭
وَمَا كَانَ قَوۡلَهُمۡ اِلَّاۤ اَنۡ قَالُوۡا رَبَّنَا اغۡفِرۡ لَنَا ذُنُوۡبَنَا وَاِسۡرَافَنَا فِىۡۤ اَمۡرِنَا وَ ثَبِّتۡ اَقۡدَامَنَا وَانۡصُرۡنَا عَلَى الۡقَوۡمِ الۡكٰفِرِيۡنَ
তাদের বক্তব্য ছিল কেবল: পালনকর্তা, আমাদের পাপ ক্ষমা কর, আমাদের কাজে সীমা অতিক্রমের জন্য আমাদের ক্ষমা কর, আমাদের
- ৩:১৮১
لَقَدۡ سَمِعَ اللّٰهُ قَوۡلَ الَّذِيۡنَ قَالُوۡۤا اِنَّ اللّٰهَ فَقِيۡرٌ وَّنَحۡنُ اَغۡنِيَآءُ ۘ سَنَكۡتُبُ مَا قَالُوۡا وَقَتۡلَهُمُ الۡاَنۡۢبِيَآءَ بِغَيۡرِ حَقٍّ ۙۚ وَّنَقُوۡلُ ذُوۡقُوۡا عَذَابَ الۡحَرِيۡقِ
নিশ্চয়ই আল্লাহ তাদের কথা শুনেছেন, যারা বলেছিল: “আল্লাহ দরিদ্র, আর আমরা ধনী।” তারা যা বলেছে এবং অন্যায়ভাবে নবীদের হত্যা
- ৪:৫
وَلَا تُؤۡتُوا السُّفَهَآءَ اَمۡوَالَـكُمُ الَّتِىۡ جَعَلَ اللّٰهُ لَـكُمۡ قِيٰمًا وَّارۡزُقُوۡهُمۡ فِيۡهَا وَاكۡسُوۡهُمۡ وَقُوۡلُوۡا لَهُمۡ قَوۡلًا مَّعۡرُوۡفًا
আর তোমাদের ধন-সম্পদ তাদের (অপ্রাপ্তবয়স্ক বা অবিবেচকদের) হাতে দিও না, আল্লাহ তোমাদের বানিয়েছেন যার রক্ষক। বরং তাদের
- ৪:৮
وَاِذَا حَضَرَ الۡقِسۡمَةَ اُولُوا الۡقُرۡبٰى وَالۡيَتٰمٰى وَالۡمَسٰكِيۡنُ فَارۡزُقُوۡهُمۡ مِّنۡهُ وَقُوۡلُوۡا لَهُمۡ قَوۡلًا مَّعۡرُوۡفًا
আর যখন সম্পদ ভাগ করার সময় দুর সম্পর্কের আত্মীয়-স্বজন, অনাথ ও অভাবগ্রস্থ লোকরা সেখানে উপস্থিত হয়, তখন সেখান হতে তাদেরও
- ৪:৯
وَلۡيَخۡشَ الَّذِيۡنَ لَوۡ تَرَكُوۡا مِنۡ خَلۡفِهِمۡ ذُرِّيَّةً ضِعٰفًا خَافُوۡا عَلَيۡهِمۡ فَلۡيَتَّقُوا اللّٰهَ وَلۡيَقُوۡلُوا قَوۡلًا سَدِيۡدًا
আর যারা আশঙ্কা করে যে, যদি তারা তাদের পেছনে সন্তান অসহায় অবস্থায় রেখে যেত, তবে তাদের জন্য তারা কেমন উদ্বিগ্ন হতো, তাই
- ৪:৬৩
اُولٰٓٮِٕكَ الَّذِيۡنَ يَعۡلَمُ اللّٰهُ مَا فِىۡ قُلُوۡبِهِمۡ فَاَعۡرِضۡ عَنۡهُمۡ وَعِظۡهُمۡ وَقُلْ لَّهُمۡ فِىۡۤ اَنۡفُسِهِمۡ قَوۡلًاۢ بَلِيۡغًا
এরাই তারা, আল্লাহ ভালোভাবে জানেন তাদের অন্তরে কী আছে। তাই তুমি তাদেরকে উপেক্ষা কর ও তাদেরকে উপদেশ দাও এবং তাদেরকে বল
- ৪:১০৮
يَّسۡتَخۡفُوۡنَ مِنَ النَّاسِ وَلَا يَسۡتَخۡفُوۡنَ مِنَ اللّٰهِ وَهُوَ مَعَهُمۡ اِذۡ يُبَيِّتُوۡنَ مَا لَا يَرۡضٰى مِنَ الۡقَوۡلِؕ وَكَانَ اللّٰهُ بِمَا يَعۡمَلُوۡنَ مُحِيۡطًا
তারা মানুষ হতে গোপন করে থাকে, কিন্তু তারা আল্লাহ হতে গোপন করতে পারে না; কেননা যে সময়ে তারা রাত্রে এমন বিষয়ে পরামর্শ করে
- ৪:১৪৮
۞ لَا يُحِبُّ اللّٰهُ الۡجَــهۡرَ بِالسُّوۡٓءِ مِنَ الۡقَوۡلِ اِلَّا مَنۡ ظُلِمَؕ وَكَانَ اللّٰهُ سَمِيۡعًا عَلِيۡمًا
আল্লাহ মন্দ কথার প্রকাশ্য উচ্চারণ পছন্দ করেন না, তবে যার ওপর অত্যাচার করা হয়েছে, সে ব্যতীত। আর আল্লাহ সর্বশ্রোতা,
- ৪:১৫৫
فَبِمَا نَقۡضِهِمۡ مِّيۡثَاقَهُمۡ وَكُفۡرِهِمۡ بِاٰيٰتِ اللّٰهِ وَقَتۡلِهِمُ الۡاَنۡۢبِيَآءَ بِغَيۡرِ حَقٍّ وَّقَوۡلِهِمۡ قُلُوۡبُنَا غُلۡفٌ ؕ بَلۡ طَبَعَ اللّٰهُ عَلَيۡهَا بِكُفۡرِهِمۡ فَلَا يُؤۡمِنُوۡنَ اِلَّا قَلِيۡلًا
তাদের অঙ্গীকার ভাঙ্গার কারণে, আর আল্লাহর আয়াত অস্বীকার করার কারণে, এবং অন্যায়ভাবে নবীদের হত্যা করার কারণে এবং এই উক্তির
- ৪:১৫৬
وَّبِكُفۡرِهِمۡ وَقَوۡلِهِمۡ عَلٰى مَرۡيَمَ بُهۡتَانًـا عَظِيۡمًا ۙ
এবং তাদের অবিশ্বাসের কারণে, আর মরিয়মের বিরুদ্ধে তাদের করা সেই ভয়ংকর অপবাদের কারণে।
- ৪:১৫৭
وَّقَوۡلِهِمۡ اِنَّا قَتَلۡنَا الۡمَسِيۡحَ عِيۡسَى ابۡنَ مَرۡيَمَ رَسُوۡلَ اللّٰهِ ۚ وَمَا قَتَلُوۡهُ وَمَا صَلَبُوۡهُ وَلٰـكِنۡ شُبِّهَ لَهُمۡ ؕ وَاِنَّ الَّذِيۡنَ اخۡتَلَـفُوۡا فِيۡهِ لَفِىۡ شَكٍّ مِّنۡهُ ؕ مَا لَهُمۡ بِهٖ مِنۡ عِلۡمٍ اِلَّا اتِّبَاعَ الظَّنِّ ۚ وَمَا قَتَلُوۡهُ يَقِيۡنًا ۢ ۙ
আর তাদের এই দাবির কারণেও যে: ‘নিশ্চই আমরা আল্লাহর রাসূল মরিয়ম পুত্র ঈসা মসীহকে হত্যা করেছি।’ অথচ তারা তাকে হত্যা করেনি,
- ৫:৬৩
لَوۡلَا يَنۡهٰٮهُمُ الرَّبَّانِيُّوۡنَ وَالۡاَحۡبَارُ عَنۡ قَوۡلِهِمُ الۡاِثۡمَ وَاَكۡلِهِمُ السُّحۡتَؕ لَبِئۡسَ مَا كَانُوۡا يَصۡنَعُوۡنَ
কেন আল্লাহকেন্দ্রিক জ্ঞানী শিক্ষকগণ (রব্বানী) এবং ধর্মীয় পণ্ডিতগণ তাদেরকে পাপপূর্ণ কথা বলা এবং অবৈধ সম্পদ গ্রাস করা
- ৬:৭৩
وَهُوَ الَّذِىۡ خَلَقَ السَّمٰوٰتِ وَالۡاَرۡضَ بِالۡحَـقِّؕ وَيَوۡمَ يَقُوۡلُ كُنۡ فَيَكُوۡنُؕ قَوۡلُهُ الۡحَـقُّ ؕ وَلَهُ الۡمُلۡكُ يَوۡمَ يُنۡفَخُ فِى الصُّوۡرِ ؕ عٰلِمُ الۡغَيۡبِ وَ الشَّهَادَةِ ؕ وَهُوَ الۡحَكِيۡمُ الۡخَبِيۡرُ
আর তিনিই সেই স্বত্ত্বা, যিনি আকাশসমূহ ও পৃথিবীকে যথাযথভাবে সৃষ্টি করেছেন। এবং যেদিন তিনি বলবেন: ‘হও’, তখনই তা হয়ে যাবে;
- ৬:১১২
وَكَذٰلِكَ جَعَلۡنَا لِكُلِّ نَبِىٍّ عَدُوًّا شَيٰطِيۡنَ الۡاِنۡسِ وَالۡجِنِّ يُوۡحِىۡ بَعۡضُهُمۡ اِلٰى بَعۡضٍ زُخۡرُفَ الۡقَوۡلِ غُرُوۡرًا ؕ وَلَوۡ شَآءَ رَبُّكَ مَا فَعَلُوۡهُ فَذَرۡهُمۡ وَمَا يَفۡتَرُوۡنَ
এভাবেই আমরা প্রত্যেক নবীর জন্য শত্রু বানিয়েছি, মানুষ ও জিনের মধ্য হতে শয়তানদেরকে। তারা একে অপরকে প্রতারনার উদ্দেশ্যে
قائِل
a speaker / were sleeping at noon
বিশেষ্য৫ বার
- ১২:১০
قَالَ قَآٮِٕلٌ مِّنۡهُمۡ لَا تَقۡتُلُوۡا يُوۡسُفَ وَاَلۡقُوۡهُ فِىۡ غَيٰبَتِ الۡجُـبِّ يَلۡتَقِطۡهُ بَعۡضُ السَّيَّارَةِ اِنۡ كُنۡتُمۡ فٰعِلِيۡنَ
তাদের মধ্য থেকে একজন বলল: ‘তোমরা ইউসুফকে হত্যা করো না; বরং তাকে কূপের গভীর অন্ধকারে ফেলে দাও, যাতে কোনো পথযাত্রী
- ১৮:১৯
وَكَذٰلِكَ بَعَثۡنٰهُمۡ لِيَتَسَآءَلُوۡا بَيۡنَهُمۡ ؕ قَالَ قَآٮِٕلٌ مِّنۡهُمۡ كَمۡ لَبِثۡتُمۡ ؕ قَالُوۡا لَبِثۡنَا يَوۡمًا اَوۡ بَعۡضَ يَوۡمٍ ؕ قَالُوۡا رَبُّكُمۡ اَعۡلَمُ بِمَا لَبِثۡتُمۡ ؕ فَابۡعَثُوۡۤا اَحَدَكُمۡ بِوَرِقِكُمۡ هٰذِهٖۤ اِلَى الۡمَدِيۡنَةِ فَلۡيَنۡظُرۡ اَيُّهَاۤ اَزۡكٰى طَعَامًا فَلۡيَاۡتِكُمۡ بِرِزۡقٍ مِّنۡهُ وَلۡيَتَلَطَّفۡ وَلَا يُشۡعِرَنَّ بِكُمۡ اَحَدًا
আর এভাবেই আমরা তাদের জাগিয়ে তুললাম, যাতে তারা নিজেদের মধ্যে প্রশ্নোত্তর করে। তাদের একজন বলল: “তোমরা কত সময় অবস্থান
- ২৩:১০০
لَعَلِّىۡۤ اَعۡمَلُ صَالِحًـا فِيۡمَا تَرَكۡتُؕ كَلَّا ؕ اِنَّهَا كَلِمَةٌ هُوَ قَآٮِٕلُهَاؕ وَمِنۡ وَّرَآٮِٕهِمۡ بَرۡزَخٌ اِلٰى يَوۡمِ يُبۡعَثُوۡنَ
হয়তো আমি সৎ কাজ করব সেই বিষয়ে যা আমি ছেড়ে এসেছি। কক্ষনো না, এটি এমন একটি কথা যা সে বলেই থাকে। আর তাদের সামনে রয়েছে এক
- ৩৩:১৮
۞ قَدۡ يَعۡلَمُ اللّٰهُ الۡمُعَوِّقِيۡنَ مِنۡكُمۡ وَالۡقَآٮِٕلِيۡنَ لِاِخۡوَانِهِمۡ هَلُمَّ اِلَيۡنَا ۚ وَلَا يَاۡتُوۡنَ الۡبَاۡسَ اِلَّا قَلِيۡلًا ۙ
নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের মধ্যকার সেই বাধা সৃষ্টিকারীদের জানেন, এবং তাদেরও জানেন যারা নিজেদের ভাইদের বলে: “আমাদের দিকে
- ৩৭:৫১
قَالَ قَآٮِٕلٌ مِّنۡهُمۡ اِنِّىۡ كَانَ لِىۡ قَرِيۡنٌۙ
তাদের মধ্য থেকে একজন বলবে: “আমার একজন সঙ্গী ছিল।”
قِيل
কথায় / বলা হবে / বাক্য স্ফুরণে
বিশেষ্য৪ বার
- ৪:১২২
وَالَّذِيۡنَ اٰمَنُوۡا وَعَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ سَنُدۡخِلُهُمۡ جَنّٰتٍ تَجۡرِىۡ مِنۡ تَحۡتِهَا الۡاَنۡهٰرُ خٰلِدِيۡنَ فِيۡهَاۤ اَبَدًا ؕ وَعۡدَ اللّٰهِ حَقًّا ؕ وَمَنۡ اَصۡدَقُ مِنَ اللّٰهِ قِيۡلًا
আর যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে ও সৎ কাজ করেছে অবিলম্বে আমি তাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করাব; যার পাদদেশে ঝর্ণাধারা প্রবাহিত,
- ৪৩:৮৮
وَقِيۡلِهٖ يٰرَبِّ اِنَّ هٰٓؤُلَاۤءِ قَوۡمٌ لَّا يُؤۡمِنُوۡنَۘ
(রাসূলের) এ উক্তির শপথ: ‘হে আমার প্রতিপালক! এ জাতির লোকেরা বিশ্বাস স্থাপন করবে না।’
- ৫৬:২৬
اِلَّا قِيۡلًا سَلٰمًا سَلٰمًا
শুধু এই কথা ছাড়া- শান্তি, শান্তি।
- ৭৩:৬
اِنَّ نَاشِئَةَ الَّيۡلِ هِىَ اَشَدُّ وَطۡـاً وَّاَقۡوَمُ قِيۡلًا ؕ
নিশ্চয়ই রাতের জাগরণ আত্মার ওপর গভীর প্রভাব বিস্তার করে এবং পাঠকৃত বক্তব্যকে সুপ্রতিষ্ঠিত করে।
تَقَوَّلَ
তা সে রচনা করেছে / কথা বানাত
ক্রিয়া২ বার
أَقاوِيل
কথা
বিশেষ্য১ বার
- ৬৯:৪৪
وَلَوۡ تَقَوَّلَ عَلَيۡنَا بَعۡضَ الۡاَقَاوِيۡلِۙ
আর যদি সে আমাদের নামে কিছু কথা বানিয়ে বলত..