মূল অংশে যান
Quranic Study

মূলধাতু ق-و-ل

কুরআনে ১৭২২ বার, ৬টি শব্দরূপে

قالَ

বলা, কথা বলা, উচ্চারণ করা, বক্তব্য দেওয়া, বিবৃতি, বলা, কাউকে জানানো দেওয়া,

ক্রিয়া১৬১৮ বার

  1. ১৮:৭৭

    فَانْطَلَقَا حَتّٰۤى اِذَاۤ اَتَيَاۤ اَهۡلَ قَرۡيَةِ  ۨ اسۡتَطۡعَمَاۤ اَهۡلَهَا فَاَبَوۡا اَنۡ يُّضَيِّفُوۡهُمَا فَوَجَدَا فِيۡهَا جِدَارًا يُّرِيۡدُ اَنۡ يَّـنۡقَضَّ فَاَقَامَهٗ​ ؕ قَالَ لَوۡ شِئۡتَ لَـتَّخَذۡتَ عَلَيۡهِ اَجۡرًا‏

    অতঃপর তারা দুজন রওনা হলো। অবশেষে তারা একটি জনপদের লোকদের কাছে পৌঁছাল এবং তাদের কাছে খাবার চাইল। কিন্তু তারা তাদের

  2. ১৮:৭৮

    قَالَ هٰذَا فِرَاقُ بَيۡنِىۡ وَبَيۡنِكَ​​ ۚ سَاُنَـبِّئُكَ بِتَاۡوِيۡلِ مَا لَمۡ تَسۡتَطِعْ عَّلَيۡهِ صَبۡرًا‏

    সে বলল: ‘এটাই আমার ও আপনার মধ্যে বিচ্ছেদ। আমি এখন আপনাকে সেই বিষয়গুলোর অন্তর্নিহিত ব্যাখ্যা জানাব, যেগুলোর উপরেআপনি

  3. ১৮:৮৩

    وَيَسۡـــَٔلُوۡنَكَ عَنۡ ذِى الۡقَرۡنَيۡنِ​ ؕ قُلۡ سَاَ تۡلُوۡا عَلَيۡكُمۡ مِّنۡهُ ذِكۡرًا ؕ‏

    আর তারা তোমাকে যুলকারনাইন সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। বল: অচিরেই আমি তোমাদের সামনে তার কিছু বর্ণনা পাঠ করে শোনাবো।

  4. ১৮:৮৬

    حَتّٰٓى اِذَا بَلَغَ مَغۡرِبَ الشَّمۡسِ وَجَدَهَا تَغۡرُبُ فِىۡ عَيۡنٍ حَمِئَةٍ وَّوَجَدَ عِنۡدَهَا قَوۡمًا ؕ ​قُلۡنَا يٰذَا الۡقَرۡنَيۡنِ اِمَّاۤ اَنۡ تُعَذِّبَ وَاِمَّاۤ اَنۡ تَتَّخِذَ فِيۡهِمۡ حُسۡنًا‏

    অবশেষে সে যখন সূর্যাস্তের স্থানে পৌঁছল, সে দেখল সূর্য যেন একটি কর্দমাক্ত জলাশয়ে অস্ত যাচ্ছে, আর সেখানে একটি জাতিকে পেল।

  5. ১৮:৮৭

    قَالَ اَمَّا مَنۡ ظَلَمَ فَسَوۡفَ نُعَذِّبُهٗ ثُمَّ يُرَدُّ اِلٰى رَبِّهٖ فَيُعَذِّبُهٗ عَذَابًا نُّكۡرًا‏

    সে বলল: ‘যে ব্যাপারে তারা অন্যায় করেছে, সেকারণে শীঘ্রই আমরা তাকে শাস্তি দেব; তারপর তাকে তার প্রতিপালকের কাছে ফিরিয়ে আনা

  6. ১৮:৮৮

    وَاَمَّا مَنۡ اٰمَنَ وَعَمِلَ صَالِحًـا فَلَهٗ جَزَآءَ  ۨ الۡحُسۡنٰى​ ۚ وَسَنَقُوۡلُ لَهٗ مِنۡ اَمۡرِنَا يُسۡرًا ؕ‏

    আর এই ব্যাপারে যে বিশ্বাস স্থাপন করবে এবং সৎকর্ম করে, তার জন্য রয়েছে সর্বোত্তম প্রতিদান। আর অচিরেই আমরা তাকে বলবো,

  7. ১৮:৯৪

    قَالُوۡا يٰذَا الۡقَرۡنَيۡنِ اِنَّ يَاۡجُوۡجَ وَمَاۡجُوۡجَ مُفۡسِدُوۡنَ فِى الۡاَرۡضِ فَهَلۡ نَجۡعَلُ لَكَ خَرۡجًا عَلٰٓى اَنۡ تَجۡعَلَ بَيۡنَـنَا وَبَيۡنَهُمۡ سَدًّا‏

    তারা বলল: ‘হে যুলকারনাইন! ইয়াজুজ ও মাজুজ পৃথিবীতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে। আমরা কি তোমাকে কিছু পারিশ্রমিক/কর দেব, যাতে

  8. ১৮:৯৫

    قَالَ مَا مَكَّنِّىۡ فِيۡهِ رَبِّىۡ خَيۡرٌ فَاَعِيۡنُوۡنِىۡ بِقُوَّةٍ اَجۡعَلۡ بَيۡنَكُمۡ وَبَيۡنَهُمۡ رَدۡمًا ۙ‏

    সে বলল: ‘আমার পালনকর্তা আমাকে যে ক্ষমতা দিয়েছেন তা-ই উত্তম। তবে তোমরা আমাকে শ্রমশক্তি দিয়ে সাহায্য করো, আমি তোমাদের ও

  9. ১৮:৯৬

    اٰتُوۡنِىۡ زُبَرَ الۡحَدِيۡدِ​ ؕ حَتّٰٓى اِذَا سَاوٰى بَيۡنَ الصَّدَفَيۡنِ قَالَ انْـفُخُوۡا​ ؕ حَتّٰٓى اِذَا جَعَلَهٗ نَارًا ۙ قَالَ اٰتُوۡنِىۡۤ اُفۡرِغۡ عَلَيۡهِ قِطۡرًا ؕ‏

    তোমরা আমাকে লোহার বড় বড় টুকরো এনে দাও। অবশেষে যখন সে দুই পাহাড়ের ফাকা জায়গা সমান হলো, সে বলল: ‘তোমরা হাপরে দম দাও (ফুঁ

  10. ১৮:৯৬

    اٰتُوۡنِىۡ زُبَرَ الۡحَدِيۡدِ​ ؕ حَتّٰٓى اِذَا سَاوٰى بَيۡنَ الصَّدَفَيۡنِ قَالَ انْـفُخُوۡا​ ؕ حَتّٰٓى اِذَا جَعَلَهٗ نَارًا ۙ قَالَ اٰتُوۡنِىۡۤ اُفۡرِغۡ عَلَيۡهِ قِطۡرًا ؕ‏

    তোমরা আমাকে লোহার বড় বড় টুকরো এনে দাও। অবশেষে যখন সে দুই পাহাড়ের ফাকা জায়গা সমান হলো, সে বলল: ‘তোমরা হাপরে দম দাও (ফুঁ

  11. ১৮:৯৮

    قَالَ هٰذَا رَحۡمَةٌ مِّنۡ رَّبِّىۡ​ ۚ فَاِذَا جَآءَ وَعۡدُ رَبِّىۡ جَعَلَهٗ دَكَّآءَ​ ۚ وَكَانَ وَعۡدُ رَبِّىۡ حَقًّا ؕ‏

    সে বলল: ‘এটি আমার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে একটি অনুগ্রহ। তবে যখন আমার প্রতিপালকের নির্ধারিত সময় আসবে, তখন তিনি এটিকে

  12. ১৮:১০৩

    قُلۡ هَلۡ نُـنَبِّئُكُمۡ بِالۡاَخۡسَرِيۡنَ اَعۡمَالًا ؕ‏

    বল: ‘আমরা কি তোমাদেরকে এমন লোকদের কথা জানাব, যারা কর্মের দিক দিয়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত?’

  13. ১৮:১০৯

    قُلْ لَّوۡ كَانَ الۡبَحۡرُ مِدَادًا لِّـكَلِمٰتِ رَبِّىۡ لَـنَفِدَ الۡبَحۡرُ قَبۡلَ اَنۡ تَـنۡفَدَ كَلِمٰتُ رَبِّىۡ وَلَوۡ جِئۡنَا بِمِثۡلِهٖ مَدَدًا‏

    বল: যদি সমুদ্র আমার প্রতিপালকের বাণীগুলো লেখার জন্য কালি হয়ে যায়, তবে আমার প্রতিপালকের বাণী শেষ হওয়ার আগেই সমুদ্র

  14. ১৮:১১০

    قُلۡ اِنَّمَاۤ اَنَا بَشَرٌ مِّثۡلُكُمۡ يُوۡحٰٓى اِلَىَّ اَنَّمَاۤ اِلٰهُكُمۡ اِلٰـهٌ وَّاحِدٌ​  ۚ فَمَنۡ كَانَ يَرۡجُوۡا لِقَآءَ رَبِّهٖ فَلۡيَـعۡمَلۡ عَمَلًا صَالِحًـا وَّلَا يُشۡرِكۡ بِعِبَادَةِ رَبِّهٖۤ اَحَدًا‏

    বল: আমি তো কেবল তোমাদের মতো একজন মানুষ; আমার প্রতি প্রত্যাদেশ করা হয় যে, তোমাদের বিধানদাতাই একমাত্র বিধানদাতা। সুতরাং

  15. ১৯:৪

    قَالَ رَبِّ اِنِّىۡ وَهَنَ الۡعَظۡمُ مِنِّىۡ وَاشۡتَعَلَ الرَّاۡسُ شَيۡبًا وَّلَمۡ اَكُنۡۢ بِدُعَآٮِٕكَ رَبِّ شَقِيًّا‏

    সে বলেছিল: হে আমার প্রতিপালক! নিশ্চয় আমার শরীর দুর্বল হয়ে গেছে, আমার হাড়গুলো ক্ষীণ হয়ে পড়েছে, আর বার্ধক্যে আমার মাথার

  16. ১৯:৮

    قَالَ رَبِّ اَنّٰى يَكُوۡنُ لِىۡ غُلٰمٌ وَّكَانَتِ امۡرَاَتِىۡ عَاقِرًا وَّقَدۡ بَلَـغۡتُ مِنَ الۡـكِبَرِ عِتِيًّا‏

    সে বলল: হে আমার প্রতিপালক! কীভাবে আমার একটি পুত্র সন্তান হবে, অথচ আমার স্ত্রী হলো বন্ধ্যা, আর আমি নিজেও বার্ধক্যের এমন

  17. ১৯:৯

    قَالَ كَذٰلِكَ​ۚ قَالَ رَبُّكَ هُوَ عَلَىَّ هَيِّنٌ وَّقَدۡ خَلَقۡتُكَ مِنۡ قَبۡلُ وَلَمۡ تَكُ شَيۡـًٔـا‏

    তিনি বললেন: এভাবেই হবে। তোমার প্রতিপালক বললেন: এটা আমার জন্য খুবই সহজ। আর আমি তো তোমাকে আগেও সৃষ্টি করেছি, যখন তুমি

  18. ১৯:৯

    قَالَ كَذٰلِكَ​ۚ قَالَ رَبُّكَ هُوَ عَلَىَّ هَيِّنٌ وَّقَدۡ خَلَقۡتُكَ مِنۡ قَبۡلُ وَلَمۡ تَكُ شَيۡـًٔـا‏

    তিনি বললেন: এভাবেই হবে। তোমার প্রতিপালক বললেন: এটা আমার জন্য খুবই সহজ। আর আমি তো তোমাকে আগেও সৃষ্টি করেছি, যখন তুমি

  19. ১৯:১০

    قَالَ رَبِّ اجۡعَلْ لِّىۡۤ اٰيَةً​  ؕ قَالَ اٰيَتُكَ اَلَّا تُكَلِّمَ النَّاسَ ثَلٰثَ لَيَالٍ سَوِيًّا‏

    সে বলল: হে আমার প্রতিপালক! আমার জন্য একটি নিদর্শন নির্ধারণ করে দাও। তিনি বললেন: তোমার নিদর্শন হলো, তুমি সুস্থ স্বাভাবিক

  20. ১৯:১০

    قَالَ رَبِّ اجۡعَلْ لِّىۡۤ اٰيَةً​  ؕ قَالَ اٰيَتُكَ اَلَّا تُكَلِّمَ النَّاسَ ثَلٰثَ لَيَالٍ سَوِيًّا‏

    সে বলল: হে আমার প্রতিপালক! আমার জন্য একটি নিদর্শন নির্ধারণ করে দাও। তিনি বললেন: তোমার নিদর্শন হলো, তুমি সুস্থ স্বাভাবিক

আগের অংশআরও দেখুন

قَوْل

কথা, উক্তি, বক্তব্য

বিশেষ্য৯২ বার

  1. ২:৫৯

    فَبَدَّلَ الَّذِيۡنَ ظَلَمُوۡا قَوۡلاً غَيۡرَ الَّذِىۡ قِيۡلَ لَهُمۡ فَاَنۡزَلۡنَا عَلَى الَّذِيۡنَ ظَلَمُوۡا رِجۡزًا مِّنَ السَّمَآءِ بِمَا كَانُوۡا يَفۡسُقُوۡنَ‏ 

    কিন্তু যারা সীমালঙ্ঘন করেছিল তারা তাদেরকে যা বলা হয়েছিল তা পরিবর্তন করে অন্য কথা বলল, কাজেই সীমালঙ্ঘনকারীদের উদ্দেশ্যে

  2. ২:১১৩

    وَقَالَتِ الۡيَهُوۡدُ لَـيۡسَتِ النَّصٰرٰى عَلٰى شَىۡءٍ وَّقَالَتِ النَّصٰرٰى لَـيۡسَتِ الۡيَهُوۡدُ عَلٰى شَىۡءٍۙ وَّهُمۡ يَتۡلُوۡنَ الۡكِتٰبَؕ كَذٰلِكَ قَالَ الَّذِيۡنَ لَا يَعۡلَمُوۡنَ مِثۡلَ قَوۡلِهِمۡ​ۚ فَاللّٰهُ يَحۡكُمُ بَيۡنَهُمۡ يَوۡمَ الۡقِيٰمَةِ فِيۡمَا كَانُوۡا فِيۡهِ يَخۡتَلِفُوۡنَ‏

    আর ইয়াহুদীরা বলে, খ্রিস্টানদের কোনো ভিত্তি নেই’ এবং এবং খ্রিস্টানরা বলে, ইয়াহূদীদের কোনো ভিত্তি নেই’; অথচ তারা আল্লাহর

  3. ২:১১৮

    وَقَالَ الَّذِيۡنَ لَا يَعۡلَمُوۡنَ لَوۡلَا يُكَلِّمُنَا اللّٰهُ اَوۡ تَاۡتِيۡنَآ اٰيَةٌ ​ ؕ كَذٰلِكَ قَالَ الَّذِيۡنَ مِنۡ قَبۡلِهِمۡ مِّثۡلَ قَوۡلِهِمۡؕ​ تَشَابَهَتۡ قُلُوۡبُهُمۡ​ؕ قَدۡ بَيَّنَّا الۡاٰيٰتِ لِقَوۡمٍ يُّوۡقِنُوۡنَ‏

    আর যারা কিছু জানে না তারা বলে, কেন আল্লাহ আমাদের সঙ্গে কথা বলেন না? কিংবা আমাদের নিকট কোন নিদর্শন কেন আসে না? এভাবে

  4. ২:২০৪

    وَمِنَ النَّاسِ مَنۡ يُّعۡجِبُكَ قَوۡلُهٗ فِى الۡحَيٰوةِ الدُّنۡيَا وَيُشۡهِدُ اللّٰهَ عَلٰى مَا فِىۡ قَلۡبِهٖۙ وَهُوَ اَلَدُّ الۡخِصَامِ‏

    আর মানুষের মধ্যে এমন লোকও আছে, দুনিয়ার জীবনের বিষয়ে যার কথা তোমাকে মুগ্ধ করে, এবং সে তার অন্তরে যা আছে তার ওপর আল্লাহকে

  5. ২:২৩৫

    وَلَا جُنَاحَ عَلَيۡكُمۡ فِيۡمَا عَرَّضۡتُمۡ بِهٖ مِنۡ خِطۡبَةِ النِّسَآءِ اَوۡ اَکۡنَنۡتُمۡ فِىۡٓ اَنۡفُسِكُمۡ​ؕ عَلِمَ اللّٰهُ اَنَّكُمۡ سَتَذۡكُرُوۡنَهُنَّ وَلٰـكِنۡ لَّا تُوَاعِدُوۡهُنَّ سِرًّا اِلَّاۤ اَنۡ تَقُوۡلُوۡا قَوۡلًا مَّعۡرُوۡفًا ​ؕ وَلَا تَعۡزِمُوۡا عُقۡدَةَ النِّکَاحِ حَتّٰى يَبۡلُغَ الۡكِتٰبُ اَجَلَهٗ ​ؕ وَاعۡلَمُوۡٓا اَنَّ اللّٰهَ يَعۡلَمُ مَا فِىۡٓ اَنۡفُسِكُمۡ فَاحۡذَرُوۡهُ ​ؕ وَاعۡلَمُوۡٓا اَنَّ اللّٰهَ غَفُوۡرٌ حَلِيۡمٌ‏

    আর যদি তোমরা আকার ইঙ্গিতে (সে) নারীদের বিয়ের প্রস্তাব দাও বা তোমাদের অন্তরে গোপন রাখো তবে তোমাদের কোনো পাপ নেই। আল্লাহ

  6. ২:২৬৩

    ۞ قَوۡلٌ مَّعۡرُوۡفٌ وَّمَغۡفِرَةٌ خَيۡرٌ مِّنۡ صَدَقَةٍ يَّتۡبَعُهَاۤ اَذًى​ؕ وَاللّٰهُ غَنِىٌّ حَلِيۡمٌ‏

    উত্তম কথা এবং ক্ষমাশীল আচরণ, সেই দানের চেয়েও উত্তম, যার পেছনে কষ্ট এসে যায়। আর আল্লাহ সম্পূর্ণ অভাবমুক্ত, অত্যন্ত

  7. ৩:১৪৭

    وَمَا كَانَ قَوۡلَهُمۡ اِلَّاۤ اَنۡ قَالُوۡا رَبَّنَا اغۡفِرۡ لَنَا ذُنُوۡبَنَا وَاِسۡرَافَنَا فِىۡۤ اَمۡرِنَا وَ ثَبِّتۡ اَقۡدَامَنَا وَانۡصُرۡنَا عَلَى الۡقَوۡمِ الۡكٰفِرِيۡنَ‏

    তাদের বক্তব্য ছিল কেবল: পালনকর্তা, আমাদের পাপ ক্ষমা কর, আমাদের কাজে সীমা অতিক্রমের জন্য আমাদের ক্ষমা কর, আমাদের

  8. ৩:১৮১

    لَقَدۡ سَمِعَ اللّٰهُ قَوۡلَ الَّذِيۡنَ قَالُوۡۤا اِنَّ اللّٰهَ فَقِيۡرٌ وَّنَحۡنُ اَغۡنِيَآءُ ​ۘ سَنَكۡتُبُ مَا قَالُوۡا وَقَتۡلَهُمُ الۡاَنۡۢبِيَآءَ بِغَيۡرِ حَقٍّ ۙۚ وَّنَقُوۡلُ ذُوۡقُوۡا عَذَابَ الۡحَرِيۡقِ‏

    নিশ্চয়ই আল্লাহ তাদের কথা শুনেছেন, যারা বলেছিল: “আল্লাহ দরিদ্র, আর আমরা ধনী।” তারা যা বলেছে এবং অন্যায়ভাবে নবীদের হত্যা

  9. ৪:৫

    وَلَا تُؤۡتُوا السُّفَهَآءَ اَمۡوَالَـكُمُ الَّتِىۡ جَعَلَ اللّٰهُ لَـكُمۡ قِيٰمًا وَّارۡزُقُوۡهُمۡ فِيۡهَا وَاكۡسُوۡهُمۡ وَقُوۡلُوۡا لَهُمۡ قَوۡلًا مَّعۡرُوۡفًا‏ 

    আর তোমাদের ধন-সম্পদ তাদের (অপ্রাপ্তবয়স্ক বা অবিবেচকদের) হাতে দিও না, আল্লাহ তোমাদের বানিয়েছেন যার রক্ষক। বরং তাদের

  10. ৪:৮

    وَاِذَا حَضَرَ الۡقِسۡمَةَ اُولُوا الۡقُرۡبٰى وَالۡيَتٰمٰى وَالۡمَسٰكِيۡنُ فَارۡزُقُوۡهُمۡ مِّنۡهُ وَقُوۡلُوۡا لَهُمۡ قَوۡلًا مَّعۡرُوۡفًا‏

    আর যখন সম্পদ ভাগ করার সময় দুর সম্পর্কের আত্মীয়-স্বজন, অনাথ ও অভাবগ্রস্থ লোকরা সেখানে উপস্থিত হয়, তখন সেখান হতে তাদেরও

  11. ৪:৯

    وَلۡيَخۡشَ الَّذِيۡنَ لَوۡ تَرَكُوۡا مِنۡ خَلۡفِهِمۡ ذُرِّيَّةً ضِعٰفًا خَافُوۡا عَلَيۡهِمۡ فَلۡيَتَّقُوا اللّٰهَ وَلۡيَقُوۡلُوا قَوۡلًا سَدِيۡدًا‏

    আর যারা আশঙ্কা করে যে, যদি তারা তাদের পেছনে সন্তান অসহায় অবস্থায় রেখে যেত, তবে তাদের জন্য তারা কেমন উদ্বিগ্ন হতো, তাই

  12. ৪:৬৩

    اُولٰٓٮِٕكَ الَّذِيۡنَ يَعۡلَمُ اللّٰهُ مَا فِىۡ قُلُوۡبِهِمۡ فَاَعۡرِضۡ عَنۡهُمۡ وَعِظۡهُمۡ وَقُلْ لَّهُمۡ فِىۡۤ اَنۡفُسِهِمۡ قَوۡلًاۢ بَلِيۡغًا‏

    এরাই তারা, আল্লাহ ভালোভাবে জানেন তাদের অন্তরে কী আছে। তাই তুমি তাদেরকে উপেক্ষা কর ও তাদেরকে উপদেশ দাও এবং তাদেরকে বল

  13. ৪:১০৮

    يَّسۡتَخۡفُوۡنَ مِنَ النَّاسِ وَلَا يَسۡتَخۡفُوۡنَ مِنَ اللّٰهِ وَهُوَ مَعَهُمۡ اِذۡ يُبَيِّتُوۡنَ مَا لَا يَرۡضٰى مِنَ الۡقَوۡلِ​ؕ وَكَانَ اللّٰهُ بِمَا يَعۡمَلُوۡنَ مُحِيۡطًا‏

    তারা মানুষ হতে গোপন করে থাকে, কিন্তু তারা আল্লাহ হতে গোপন করতে পারে না; কেননা যে সময়ে তারা রাত্রে এমন বিষয়ে পরামর্শ করে

  14. ৪:১৪৮

    ۞ لَا يُحِبُّ اللّٰهُ الۡجَــهۡرَ بِالسُّوۡٓءِ مِنَ الۡقَوۡلِ اِلَّا مَنۡ ظُلِمَ​ؕ وَكَانَ اللّٰهُ سَمِيۡعًا عَلِيۡمًا‏

    আল্লাহ মন্দ কথার প্রকাশ্য উচ্চারণ পছন্দ করেন না, তবে যার ওপর অত্যাচার করা হয়েছে, সে ব্যতীত। আর আল্লাহ সর্বশ্রোতা,

  15. ৪:১৫৫

    فَبِمَا نَقۡضِهِمۡ مِّيۡثَاقَهُمۡ وَكُفۡرِهِمۡ بِاٰيٰتِ اللّٰهِ وَقَتۡلِهِمُ الۡاَنۡۢبِيَآءَ بِغَيۡرِ حَقٍّ وَّقَوۡلِهِمۡ قُلُوۡبُنَا غُلۡفٌ ؕ بَلۡ طَبَعَ اللّٰهُ عَلَيۡهَا بِكُفۡرِهِمۡ فَلَا يُؤۡمِنُوۡنَ اِلَّا قَلِيۡلًا‏

    তাদের অঙ্গীকার ভাঙ্গার কারণে, আর আল্লাহর আয়াত অস্বীকার করার কারণে, এবং অন্যায়ভাবে নবীদের হত্যা করার কারণে এবং এই উক্তির

  16. ৪:১৫৬

    وَّبِكُفۡرِهِمۡ وَقَوۡلِهِمۡ عَلٰى مَرۡيَمَ بُهۡتَانًـا عَظِيۡمًا ۙ‏

    এবং তাদের অবিশ্বাসের কারণে, আর মরিয়মের বিরুদ্ধে তাদের করা সেই ভয়ংকর অপবাদের কারণে।

  17. ৪:১৫৭

    وَّقَوۡلِهِمۡ اِنَّا قَتَلۡنَا الۡمَسِيۡحَ عِيۡسَى ابۡنَ مَرۡيَمَ رَسُوۡلَ اللّٰهِ​ ۚ وَمَا قَتَلُوۡهُ وَمَا صَلَبُوۡهُ وَلٰـكِنۡ شُبِّهَ لَهُمۡ​ ؕ وَاِنَّ الَّذِيۡنَ اخۡتَلَـفُوۡا فِيۡهِ لَفِىۡ شَكٍّ مِّنۡهُ​ ؕ مَا لَهُمۡ بِهٖ مِنۡ عِلۡمٍ اِلَّا اتِّبَاعَ الظَّنِّ​ ۚ وَمَا قَتَلُوۡهُ يَقِيۡنًا ۢ ۙ‏

    আর তাদের এই দাবির কারণেও যে: ‘নিশ্চই আমরা আল্লাহর রাসূল মরিয়ম পুত্র ঈসা মসীহকে হত্যা করেছি।’ অথচ তারা তাকে হত্যা করেনি,

  18. ৫:৬৩

    لَوۡلَا يَنۡهٰٮهُمُ الرَّبَّانِيُّوۡنَ وَالۡاَحۡبَارُ عَنۡ قَوۡلِهِمُ الۡاِثۡمَ وَاَكۡلِهِمُ السُّحۡتَ​ؕ لَبِئۡسَ مَا كَانُوۡا يَصۡنَعُوۡنَ‏

    কেন আল্লাহকেন্দ্রিক জ্ঞানী শিক্ষকগণ (রব্বানী) এবং ধর্মীয় পণ্ডিতগণ তাদেরকে পাপপূর্ণ কথা বলা এবং অবৈধ সম্পদ গ্রাস করা

  19. ৬:৭৩

    وَهُوَ الَّذِىۡ خَلَقَ السَّمٰوٰتِ وَالۡاَرۡضَ بِالۡحَـقِّ​ؕ وَيَوۡمَ يَقُوۡلُ كُنۡ فَيَكُوۡنُؕ   قَوۡلُهُ الۡحَـقُّ​ ؕ وَلَهُ الۡمُلۡكُ يَوۡمَ يُنۡفَخُ فِى الصُّوۡرِ​ ؕ عٰلِمُ الۡغَيۡبِ وَ الشَّهَادَةِ​ ؕ وَهُوَ الۡحَكِيۡمُ الۡخَبِيۡرُ‏

    আর তিনিই সেই স্বত্ত্বা, যিনি আকাশসমূহ ও পৃথিবীকে যথাযথভাবে সৃষ্টি করেছেন। এবং যেদিন তিনি বলবেন: ‘হও’, তখনই তা হয়ে যাবে;

  20. ৬:১১২

    وَكَذٰلِكَ جَعَلۡنَا لِكُلِّ نَبِىٍّ عَدُوًّا شَيٰطِيۡنَ الۡاِنۡسِ وَالۡجِنِّ يُوۡحِىۡ بَعۡضُهُمۡ اِلٰى بَعۡضٍ زُخۡرُفَ الۡقَوۡلِ غُرُوۡرًا​ ؕ وَلَوۡ شَآءَ رَبُّكَ مَا فَعَلُوۡهُ​ فَذَرۡهُمۡ وَمَا يَفۡتَرُوۡنَ‏

    এভাবেই আমরা প্রত্যেক নবীর জন্য শত্রু বানিয়েছি, মানুষ ও জিনের মধ্য হতে শয়তানদেরকে। তারা একে অপরকে প্রতারনার উদ্দেশ্যে

আরও দেখুন

قائِل

a speaker / were sleeping at noon

বিশেষ্য৫ বার

  1. ১২:১০

    قَالَ قَآٮِٕلٌ مِّنۡهُمۡ لَا تَقۡتُلُوۡا يُوۡسُفَ وَاَلۡقُوۡهُ فِىۡ غَيٰبَتِ الۡجُـبِّ يَلۡتَقِطۡهُ بَعۡضُ السَّيَّارَةِ اِنۡ كُنۡتُمۡ فٰعِلِيۡنَ‏

    তাদের মধ্য থেকে একজন বলল: ‘তোমরা ইউসুফকে হত্যা করো না; বরং তাকে কূপের গভীর অন্ধকারে ফেলে দাও, যাতে কোনো পথযাত্রী

  2. ১৮:১৯

    وَكَذٰلِكَ بَعَثۡنٰهُمۡ لِيَتَسَآءَلُوۡا بَيۡنَهُمۡ​ ؕ قَالَ قَآٮِٕلٌ مِّنۡهُمۡ كَمۡ لَبِثۡتُمۡ ؕ قَالُوۡا لَبِثۡنَا يَوۡمًا اَوۡ بَعۡضَ يَوۡمٍ​ ؕ قَالُوۡا رَبُّكُمۡ اَعۡلَمُ بِمَا لَبِثۡتُمۡ ؕ فَابۡعَثُوۡۤا اَحَدَكُمۡ بِوَرِقِكُمۡ هٰذِهٖۤ اِلَى الۡمَدِيۡنَةِ فَلۡيَنۡظُرۡ اَيُّهَاۤ اَزۡكٰى طَعَامًا فَلۡيَاۡتِكُمۡ بِرِزۡقٍ مِّنۡهُ وَلۡيَتَلَطَّفۡ وَلَا يُشۡعِرَنَّ بِكُمۡ اَحَدًا‏

    আর এভাবেই আমরা তাদের জাগিয়ে তুললাম, যাতে তারা নিজেদের মধ্যে প্রশ্নোত্তর করে। তাদের একজন বলল: “তোমরা কত সময় অবস্থান

  3. ২৩:১০০

    لَعَلِّىۡۤ اَعۡمَلُ صَالِحًـا فِيۡمَا تَرَكۡتُ​ؕ كَلَّا​ ؕ اِنَّهَا كَلِمَةٌ هُوَ قَآٮِٕلُهَا​ؕ وَمِنۡ وَّرَآٮِٕهِمۡ بَرۡزَخٌ اِلٰى يَوۡمِ يُبۡعَثُوۡنَ‏

    হয়তো আমি সৎ কাজ করব সেই বিষয়ে যা আমি ছেড়ে এসেছি। কক্ষনো না, এটি এমন একটি কথা যা সে বলেই থাকে। আর তাদের সামনে রয়েছে এক

  4. ৩৩:১৮

    ۞ قَدۡ يَعۡلَمُ اللّٰهُ الۡمُعَوِّقِيۡنَ مِنۡكُمۡ وَالۡقَآٮِٕلِيۡنَ لِاِخۡوَانِهِمۡ هَلُمَّ اِلَيۡنَا​ ۚ وَلَا يَاۡتُوۡنَ الۡبَاۡسَ اِلَّا قَلِيۡلًا ۙ‏

    নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের মধ্যকার সেই বাধা সৃষ্টিকারীদের জানেন, এবং তাদেরও জানেন যারা নিজেদের ভাইদের বলে: “আমাদের দিকে

  5. ৩৭:৫১

    قَالَ قَآٮِٕلٌ مِّنۡهُمۡ اِنِّىۡ كَانَ لِىۡ قَرِيۡنٌۙ‏

    তাদের মধ্য থেকে একজন বলবে: “আমার একজন সঙ্গী ছিল।”

قِيل

কথায় / বলা হবে / বাক্য স্ফুরণে

বিশেষ্য৪ বার

  1. ৪:১২২

    وَالَّذِيۡنَ اٰمَنُوۡا وَعَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ سَنُدۡخِلُهُمۡ جَنّٰتٍ تَجۡرِىۡ مِنۡ تَحۡتِهَا الۡاَنۡهٰرُ خٰلِدِيۡنَ فِيۡهَاۤ اَبَدًا​ ؕ وَعۡدَ اللّٰهِ حَقًّا​ ؕ وَمَنۡ اَصۡدَقُ مِنَ اللّٰهِ قِيۡلًا‏

    আর যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে ও সৎ কাজ করেছে অবিলম্বে আমি তাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করাব; যার পাদদেশে ঝর্ণাধারা প্রবাহিত,

  2. ৪৩:৮৮

    وَقِيۡلِهٖ يٰرَبِّ اِنَّ هٰٓؤُلَاۤءِ قَوۡمٌ لَّا يُؤۡمِنُوۡنَ​ۘ‏

    (রাসূলের) এ উক্তির শপথ: ‘হে আমার প্রতিপালক! এ জাতির লোকেরা বিশ্বাস স্থাপন করবে না।’

  3. ৫৬:২৬

    اِلَّا قِيۡلًا سَلٰمًا سَلٰمًا‏

    শুধু এই কথা ছাড়া- শান্তি, শান্তি।

  4. ৭৩:৬

    اِنَّ نَاشِئَةَ الَّيۡلِ هِىَ اَشَدُّ وَطۡـاً وَّاَقۡوَمُ قِيۡلًا ؕ‏

    নিশ্চয়ই রাতের জাগরণ আত্মার ওপর গভীর প্রভাব বিস্তার করে এবং পাঠকৃত বক্তব্যকে সুপ্রতিষ্ঠিত করে।

تَقَوَّلَ

তা সে রচনা করেছে / কথা বানাত

ক্রিয়া২ বার

  1. ৫২:৩৩

    اَمۡ يَقُوۡلُوۡنَ تَقَوَّلَهٗ​ ۚ بَلْ لَّا يُؤۡمِنُوۡنَ​ ۚ‏

    নাকি তারা বলে: ‘সে এটি রচনা করেছে?’ আসল কথা হলো তারা বিশ্বাস স্থাপন করতে চায় না।

  2. ৬৯:৪৪

    وَلَوۡ تَقَوَّلَ عَلَيۡنَا بَعۡضَ الۡاَقَاوِيۡلِۙ‏

    আর যদি সে আমাদের নামে কিছু কথা বানিয়ে বলত..

أَقاوِيل

কথা

বিশেষ্য১ বার

  1. ৬৯:৪৪

    وَلَوۡ تَقَوَّلَ عَلَيۡنَا بَعۡضَ الۡاَقَاوِيۡلِۙ‏

    আর যদি সে আমাদের নামে কিছু কথা বানিয়ে বলত..