মূল অংশে যান
Quranic Study

মূলধাতু ق-و-ل

কুরআনে ১৭২২ বার, ৬টি শব্দরূপে

قالَ

বলা, কথা বলা, উচ্চারণ করা, বক্তব্য দেওয়া, বিবৃতি, বলা, কাউকে জানানো দেওয়া,

ক্রিয়া১৬১৮ বার

  1. ২৫:২৭

    وَيَوۡمَ يَعَضُّ الظَّالِمُ عَلٰى يَدَيۡهِ يَقُوۡلُ يٰلَيۡتَنِى اتَّخَذۡتُ مَعَ الرَّسُوۡلِ سَبِيۡلًا‏

    আর যেদিন অন্যায়কারী ব্যক্তি নিজের দুই হাত কামড়াতে থাকবে, সে বলবে: ‘হায়! যদি আমি রসূলের পথ অবলম্বন করতাম!’

  2. ২৫:৩০

    وَقَالَ الرَّسُوۡلُ يٰرَبِّ اِنَّ قَوۡمِى اتَّخَذُوۡا هٰذَا الۡقُرۡاٰنَ مَهۡجُوۡرًا‏ 

    আর রসূল বলবে: ‘হে আমার প্রতিপালক! নিশ্চয়ই আমার সম্প্রদায় এই কুরআনকে পরিত্যক্ত অবস্থায় রেখে দিয়েছিল।’

  3. ২৫:৩২

    وَقَالَ الَّذِيۡنَ كَفَرُوۡا لَوۡلَا نُزِّلَ عَلَيۡهِ الۡـقُرۡاٰنُ جُمۡلَةً وَّاحِدَةً​  ​ۛۚ كَذٰلِكَ ​ۛۚ لِنُثَبِّتَ بِهٖ فُـؤَادَكَ​ وَرَتَّلۡنٰهُ تَرۡتِيۡلًا‏ 

    আর যারা অস্বীকার করেছে তারা বলে: ‘কেন কুরআন একবারে একসাথে অবতীর্ণ করা হয়নি?’ এভাবেই করা হয়েছে, যাতে এর মাধ্যমে তোমার

  4. ২৫:৩৬

    فَقُلۡنَا اذۡهَبَاۤ اِلَى الۡقَوۡمِ الَّذِيۡنَ كَذَّبُوۡا بِاٰيٰتِنَاؕ فَدَمَّرۡنٰهُمۡ تَدۡمِيۡرًاؕ‏

    অতএব আমরা বললাম: ’তোমরা দুজন সেই জাতির দিকে যাও যারা আমাদের বিধানসমূহকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছিল; এরপর আমরা তাদের

  5. ২৫:৫৭

    قُلۡ مَاۤ اَسۡــَٔـلُكُمۡ عَلَيۡهِ مِنۡ اَجۡرٍ اِلَّا مَنۡ شَآءَ اَنۡ يَّـتَّخِذَ اِلٰى رَبِّهٖ سَبِيۡلًا‏

    বল: আমি এর জন্য তোমাদের কাছে কোনো পারিশ্রমিক চাই না, কেবল যে চায় সে যেন তার প্রতিপালকের পথের দিকে চলুক।

  6. ২৫:৬০

    وَاِذَا قِيۡلَ لَهُمُ اسۡجُدُوۡا لِلرَّحۡمٰنِ قَالُوۡا وَمَا الرَّحۡمٰنُ اَنَسۡجُدُ لِمَا تَاۡمُرُنَا وَزَادَهُمۡ نُفُوۡرًا ۩

    আর যখন তাদের বলা হয়: ‘পরম করুণাময়ের প্রতি নিজেদের সমর্পণ করো, তখন তারা বলে: ‘পরম করুণাময় আবার কে? তুমি যা আদেশ করবে,

  7. ২৫:৬০

    وَاِذَا قِيۡلَ لَهُمُ اسۡجُدُوۡا لِلرَّحۡمٰنِ قَالُوۡا وَمَا الرَّحۡمٰنُ اَنَسۡجُدُ لِمَا تَاۡمُرُنَا وَزَادَهُمۡ نُفُوۡرًا ۩

    আর যখন তাদের বলা হয়: ‘পরম করুণাময়ের প্রতি নিজেদের সমর্পণ করো, তখন তারা বলে: ‘পরম করুণাময় আবার কে? তুমি যা আদেশ করবে,

  8. ২৫:৬৩

    وَعِبَادُ الرَّحۡمٰنِ الَّذِيۡنَ يَمۡشُوۡنَ عَلَى الۡاَرۡضِ هَوۡنًا وَّاِذَا خَاطَبَهُمُ الۡجٰهِلُوۡنَ قَالُوۡا سَلٰمًا‏

    আর পরম দয়াময়ের দাসরারা হলো তারা, যারা পৃথিবীতে নম্র ও সংযতভাবে চলাফেরা করে; এবং যখন অবিবেচক লোকেরা তাদের সম্বোধন করে,

  9. ২৫:৬৫

    وَالَّذِيۡنَ يَقُوۡلُوۡنَ رَبَّنَا اصۡرِفۡ عَنَّا عَذَابَ جَهَـنَّمَ ​ۖ اِنَّ عَذَابَهَا كَانَ غَرَامًا ​ۖ ‏

    আর তারা বলে; ‘হে আমাদের প্রতিপালক, আমাদের থেকে জাহান্নামের শাস্তি দূরে সরিয়ে দাও; নিশ্চয়ই তার শাস্তি হলো এক স্থায়ী

  10. ২৫:৭৪

    وَالَّذِيۡنَ يَقُوۡلُوۡنَ رَبَّنَا هَبۡ لَـنَا مِنۡ اَزۡوَاجِنَا وَذُرِّيّٰتِنَا قُرَّةَ اَعۡيُنٍ وَّاجۡعَلۡنَا لِلۡمُتَّقِيۡنَ اِمَامًا‏

    আর তারা বলে: ‘হে আমাদের প্রতিপালক, আমাদের স্ত্রী-সন্তানদের মধ্য থেকে আমাদের জন্য এমন মানুষ দান করো যারা আমাদের চোখের

  11. ২৫:৭৭

    قُلۡ مَا يَعۡبَـؤُا بِكُمۡ رَبِّىۡ لَوۡلَا دُعَآؤُكُمۡ​ۚ فَقَدۡ كَذَّبۡتُمۡ فَسَوۡفَ يَكُوۡنُ لِزَامًا‏

    বল: ‘আমার প্রতিপালক তোমাদের মোটেই ভ্ৰক্ষেপ করেন না, যদি তোমরা তাকে না ডাক। এরপর নিশ্চই তোমরা মিথ্যারোপ করেছ, সুতরাং

  12. ২৬:১২

    قَالَ رَبِّ اِنِّىۡۤ اَخَافُ اَنۡ يُّكَذِّبُوۡنِؕ‏

    সে বলল: ‘হে আমার প্রতিপালক! আমি আশংকা করছি যে, তারা আমার উপর মিথ্যারোপ করবে।

  13. ২৬:১৫

    قَالَ كَلَّا​ ۚ فَاذۡهَبَا بِاٰيٰتِنَآ​ اِنَّا مَعَكُمۡ مُّسۡتَمِعُوۡنَ‏ 

    তিনি বললেন: ‘কক্ষনো না, তোমরা দু’জনে আমার (দেয়া) নিদর্শন নিয়ে যাও, আমি তোমাদের সঙ্গে থেকে সব কিছু শুনতে থাকব।‘

  14. ২৬:১৬

    فَاۡتِيَا فِرۡعَوۡنَ فَقُوۡلَاۤ اِنَّا رَسُوۡلُ رَبِّ الۡعٰلَمِيۡنَۙ‏

    অতএব তোমরা উভয়ে ফেরাউনের নিকট যাও এবং বলঃ নিশ্চই আমরা জগতসমূহের প্রতিপালকের রাসূল।

  15. ২৬:১৮

    قَالَ اَلَمۡ نُرَبِّكَ فِيۡنَا وَلِيۡدًا وَّلَبِثۡتَ فِيۡنَا مِنۡ عُمُرِكَ سِنِيۡنَۙ‏

    সে (ফেরাউন) বলল: ‘আমরা কি তোমাকে আমাদের মধ্যে শিশু অবস্থায় লালন-পালন করিনি? আর তুমি কি তোমার জীবনের বহু বছর আমাদের

  16. ২৬:২০

    قَالَ فَعَلۡتُهَاۤ اِذًا وَّاَنَا مِنَ الضَّآلِّيۡنَؕ‏

    সে বলল: ‘আমি তো এটা করেছিলাম তখন, যখন আমি ছিলাম বিভ্ৰান্ত’।

  17. ২৬:২৩

    قَالَ فِرۡعَوۡنُ وَمَا رَبُّ الۡعٰلَمِيۡنَؕ‏

    ফিরআউন বলল: ‘আর এই জগতসমূহের প্রতিপালক কে?’

  18. ২৬:২৪

    قَالَ رَبُّ السَّمٰوٰتِ وَالۡاَرۡضِ وَمَا بَيۡنَهُمَاؕ اِنۡ كُنۡتُمۡ مُّوۡقِنِيۡنَ‏ 

    সে বলল: আকাশসমূহ ও পৃথিবী এবং তাদের মাঝখানে যা কিছু আছে, সব কিছুর প্রতিপালক (তিনি)। যদি তোমরা সত্যিই নিশ্চিত জ্ঞান রাখো।

  19. ২৬:২৫

    قَالَ لِمَنۡ حَوۡلَهٗۤ اَلَا تَسۡتَمِعُوۡنَ‏

    সে (ফেরাউন) তার চারপাশের লোকেদেরকে বলল: ‘তোমরা শুনছ তো?’

  20. ২৬:২৬

    قَالَ رَبُّكُمۡ وَرَبُّ اٰبَآٮِٕكُمُ الۡاَوَّلِيۡنَ‏

    সে বলল: তিনি তোমাদের প্রতিপালক এবং তোমাদের পূর্ববর্তী পিতৃপুরুষদেরও প্রতিপালক।

আগের অংশআরও দেখুন

قَوْل

কথা, উক্তি, বক্তব্য

বিশেষ্য৯২ বার

  1. ২:৫৯

    فَبَدَّلَ الَّذِيۡنَ ظَلَمُوۡا قَوۡلاً غَيۡرَ الَّذِىۡ قِيۡلَ لَهُمۡ فَاَنۡزَلۡنَا عَلَى الَّذِيۡنَ ظَلَمُوۡا رِجۡزًا مِّنَ السَّمَآءِ بِمَا كَانُوۡا يَفۡسُقُوۡنَ‏ 

    কিন্তু যারা সীমালঙ্ঘন করেছিল তারা তাদেরকে যা বলা হয়েছিল তা পরিবর্তন করে অন্য কথা বলল, কাজেই সীমালঙ্ঘনকারীদের উদ্দেশ্যে

  2. ২:১১৩

    وَقَالَتِ الۡيَهُوۡدُ لَـيۡسَتِ النَّصٰرٰى عَلٰى شَىۡءٍ وَّقَالَتِ النَّصٰرٰى لَـيۡسَتِ الۡيَهُوۡدُ عَلٰى شَىۡءٍۙ وَّهُمۡ يَتۡلُوۡنَ الۡكِتٰبَؕ كَذٰلِكَ قَالَ الَّذِيۡنَ لَا يَعۡلَمُوۡنَ مِثۡلَ قَوۡلِهِمۡ​ۚ فَاللّٰهُ يَحۡكُمُ بَيۡنَهُمۡ يَوۡمَ الۡقِيٰمَةِ فِيۡمَا كَانُوۡا فِيۡهِ يَخۡتَلِفُوۡنَ‏

    আর ইয়াহুদীরা বলে, খ্রিস্টানদের কোনো ভিত্তি নেই’ এবং এবং খ্রিস্টানরা বলে, ইয়াহূদীদের কোনো ভিত্তি নেই’; অথচ তারা আল্লাহর

  3. ২:১১৮

    وَقَالَ الَّذِيۡنَ لَا يَعۡلَمُوۡنَ لَوۡلَا يُكَلِّمُنَا اللّٰهُ اَوۡ تَاۡتِيۡنَآ اٰيَةٌ ​ ؕ كَذٰلِكَ قَالَ الَّذِيۡنَ مِنۡ قَبۡلِهِمۡ مِّثۡلَ قَوۡلِهِمۡؕ​ تَشَابَهَتۡ قُلُوۡبُهُمۡ​ؕ قَدۡ بَيَّنَّا الۡاٰيٰتِ لِقَوۡمٍ يُّوۡقِنُوۡنَ‏

    আর যারা কিছু জানে না তারা বলে, কেন আল্লাহ আমাদের সঙ্গে কথা বলেন না? কিংবা আমাদের নিকট কোন নিদর্শন কেন আসে না? এভাবে

  4. ২:২০৪

    وَمِنَ النَّاسِ مَنۡ يُّعۡجِبُكَ قَوۡلُهٗ فِى الۡحَيٰوةِ الدُّنۡيَا وَيُشۡهِدُ اللّٰهَ عَلٰى مَا فِىۡ قَلۡبِهٖۙ وَهُوَ اَلَدُّ الۡخِصَامِ‏

    আর মানুষের মধ্যে এমন লোকও আছে, দুনিয়ার জীবনের বিষয়ে যার কথা তোমাকে মুগ্ধ করে, এবং সে তার অন্তরে যা আছে তার ওপর আল্লাহকে

  5. ২:২৩৫

    وَلَا جُنَاحَ عَلَيۡكُمۡ فِيۡمَا عَرَّضۡتُمۡ بِهٖ مِنۡ خِطۡبَةِ النِّسَآءِ اَوۡ اَکۡنَنۡتُمۡ فِىۡٓ اَنۡفُسِكُمۡ​ؕ عَلِمَ اللّٰهُ اَنَّكُمۡ سَتَذۡكُرُوۡنَهُنَّ وَلٰـكِنۡ لَّا تُوَاعِدُوۡهُنَّ سِرًّا اِلَّاۤ اَنۡ تَقُوۡلُوۡا قَوۡلًا مَّعۡرُوۡفًا ​ؕ وَلَا تَعۡزِمُوۡا عُقۡدَةَ النِّکَاحِ حَتّٰى يَبۡلُغَ الۡكِتٰبُ اَجَلَهٗ ​ؕ وَاعۡلَمُوۡٓا اَنَّ اللّٰهَ يَعۡلَمُ مَا فِىۡٓ اَنۡفُسِكُمۡ فَاحۡذَرُوۡهُ ​ؕ وَاعۡلَمُوۡٓا اَنَّ اللّٰهَ غَفُوۡرٌ حَلِيۡمٌ‏

    আর যদি তোমরা আকার ইঙ্গিতে (সে) নারীদের বিয়ের প্রস্তাব দাও বা তোমাদের অন্তরে গোপন রাখো তবে তোমাদের কোনো পাপ নেই। আল্লাহ

  6. ২:২৬৩

    ۞ قَوۡلٌ مَّعۡرُوۡفٌ وَّمَغۡفِرَةٌ خَيۡرٌ مِّنۡ صَدَقَةٍ يَّتۡبَعُهَاۤ اَذًى​ؕ وَاللّٰهُ غَنِىٌّ حَلِيۡمٌ‏

    উত্তম কথা এবং ক্ষমাশীল আচরণ, সেই দানের চেয়েও উত্তম, যার পেছনে কষ্ট এসে যায়। আর আল্লাহ সম্পূর্ণ অভাবমুক্ত, অত্যন্ত

  7. ৩:১৪৭

    وَمَا كَانَ قَوۡلَهُمۡ اِلَّاۤ اَنۡ قَالُوۡا رَبَّنَا اغۡفِرۡ لَنَا ذُنُوۡبَنَا وَاِسۡرَافَنَا فِىۡۤ اَمۡرِنَا وَ ثَبِّتۡ اَقۡدَامَنَا وَانۡصُرۡنَا عَلَى الۡقَوۡمِ الۡكٰفِرِيۡنَ‏

    তাদের বক্তব্য ছিল কেবল: পালনকর্তা, আমাদের পাপ ক্ষমা কর, আমাদের কাজে সীমা অতিক্রমের জন্য আমাদের ক্ষমা কর, আমাদের

  8. ৩:১৮১

    لَقَدۡ سَمِعَ اللّٰهُ قَوۡلَ الَّذِيۡنَ قَالُوۡۤا اِنَّ اللّٰهَ فَقِيۡرٌ وَّنَحۡنُ اَغۡنِيَآءُ ​ۘ سَنَكۡتُبُ مَا قَالُوۡا وَقَتۡلَهُمُ الۡاَنۡۢبِيَآءَ بِغَيۡرِ حَقٍّ ۙۚ وَّنَقُوۡلُ ذُوۡقُوۡا عَذَابَ الۡحَرِيۡقِ‏

    নিশ্চয়ই আল্লাহ তাদের কথা শুনেছেন, যারা বলেছিল: “আল্লাহ দরিদ্র, আর আমরা ধনী।” তারা যা বলেছে এবং অন্যায়ভাবে নবীদের হত্যা

  9. ৪:৫

    وَلَا تُؤۡتُوا السُّفَهَآءَ اَمۡوَالَـكُمُ الَّتِىۡ جَعَلَ اللّٰهُ لَـكُمۡ قِيٰمًا وَّارۡزُقُوۡهُمۡ فِيۡهَا وَاكۡسُوۡهُمۡ وَقُوۡلُوۡا لَهُمۡ قَوۡلًا مَّعۡرُوۡفًا‏ 

    আর তোমাদের ধন-সম্পদ তাদের (অপ্রাপ্তবয়স্ক বা অবিবেচকদের) হাতে দিও না, আল্লাহ তোমাদের বানিয়েছেন যার রক্ষক। বরং তাদের

  10. ৪:৮

    وَاِذَا حَضَرَ الۡقِسۡمَةَ اُولُوا الۡقُرۡبٰى وَالۡيَتٰمٰى وَالۡمَسٰكِيۡنُ فَارۡزُقُوۡهُمۡ مِّنۡهُ وَقُوۡلُوۡا لَهُمۡ قَوۡلًا مَّعۡرُوۡفًا‏

    আর যখন সম্পদ ভাগ করার সময় দুর সম্পর্কের আত্মীয়-স্বজন, অনাথ ও অভাবগ্রস্থ লোকরা সেখানে উপস্থিত হয়, তখন সেখান হতে তাদেরও

  11. ৪:৯

    وَلۡيَخۡشَ الَّذِيۡنَ لَوۡ تَرَكُوۡا مِنۡ خَلۡفِهِمۡ ذُرِّيَّةً ضِعٰفًا خَافُوۡا عَلَيۡهِمۡ فَلۡيَتَّقُوا اللّٰهَ وَلۡيَقُوۡلُوا قَوۡلًا سَدِيۡدًا‏

    আর যারা আশঙ্কা করে যে, যদি তারা তাদের পেছনে সন্তান অসহায় অবস্থায় রেখে যেত, তবে তাদের জন্য তারা কেমন উদ্বিগ্ন হতো, তাই

  12. ৪:৬৩

    اُولٰٓٮِٕكَ الَّذِيۡنَ يَعۡلَمُ اللّٰهُ مَا فِىۡ قُلُوۡبِهِمۡ فَاَعۡرِضۡ عَنۡهُمۡ وَعِظۡهُمۡ وَقُلْ لَّهُمۡ فِىۡۤ اَنۡفُسِهِمۡ قَوۡلًاۢ بَلِيۡغًا‏

    এরাই তারা, আল্লাহ ভালোভাবে জানেন তাদের অন্তরে কী আছে। তাই তুমি তাদেরকে উপেক্ষা কর ও তাদেরকে উপদেশ দাও এবং তাদেরকে বল

  13. ৪:১০৮

    يَّسۡتَخۡفُوۡنَ مِنَ النَّاسِ وَلَا يَسۡتَخۡفُوۡنَ مِنَ اللّٰهِ وَهُوَ مَعَهُمۡ اِذۡ يُبَيِّتُوۡنَ مَا لَا يَرۡضٰى مِنَ الۡقَوۡلِ​ؕ وَكَانَ اللّٰهُ بِمَا يَعۡمَلُوۡنَ مُحِيۡطًا‏

    তারা মানুষ হতে গোপন করে থাকে, কিন্তু তারা আল্লাহ হতে গোপন করতে পারে না; কেননা যে সময়ে তারা রাত্রে এমন বিষয়ে পরামর্শ করে

  14. ৪:১৪৮

    ۞ لَا يُحِبُّ اللّٰهُ الۡجَــهۡرَ بِالسُّوۡٓءِ مِنَ الۡقَوۡلِ اِلَّا مَنۡ ظُلِمَ​ؕ وَكَانَ اللّٰهُ سَمِيۡعًا عَلِيۡمًا‏

    আল্লাহ মন্দ কথার প্রকাশ্য উচ্চারণ পছন্দ করেন না, তবে যার ওপর অত্যাচার করা হয়েছে, সে ব্যতীত। আর আল্লাহ সর্বশ্রোতা,

  15. ৪:১৫৫

    فَبِمَا نَقۡضِهِمۡ مِّيۡثَاقَهُمۡ وَكُفۡرِهِمۡ بِاٰيٰتِ اللّٰهِ وَقَتۡلِهِمُ الۡاَنۡۢبِيَآءَ بِغَيۡرِ حَقٍّ وَّقَوۡلِهِمۡ قُلُوۡبُنَا غُلۡفٌ ؕ بَلۡ طَبَعَ اللّٰهُ عَلَيۡهَا بِكُفۡرِهِمۡ فَلَا يُؤۡمِنُوۡنَ اِلَّا قَلِيۡلًا‏

    তাদের অঙ্গীকার ভাঙ্গার কারণে, আর আল্লাহর আয়াত অস্বীকার করার কারণে, এবং অন্যায়ভাবে নবীদের হত্যা করার কারণে এবং এই উক্তির

  16. ৪:১৫৬

    وَّبِكُفۡرِهِمۡ وَقَوۡلِهِمۡ عَلٰى مَرۡيَمَ بُهۡتَانًـا عَظِيۡمًا ۙ‏

    এবং তাদের অবিশ্বাসের কারণে, আর মরিয়মের বিরুদ্ধে তাদের করা সেই ভয়ংকর অপবাদের কারণে।

  17. ৪:১৫৭

    وَّقَوۡلِهِمۡ اِنَّا قَتَلۡنَا الۡمَسِيۡحَ عِيۡسَى ابۡنَ مَرۡيَمَ رَسُوۡلَ اللّٰهِ​ ۚ وَمَا قَتَلُوۡهُ وَمَا صَلَبُوۡهُ وَلٰـكِنۡ شُبِّهَ لَهُمۡ​ ؕ وَاِنَّ الَّذِيۡنَ اخۡتَلَـفُوۡا فِيۡهِ لَفِىۡ شَكٍّ مِّنۡهُ​ ؕ مَا لَهُمۡ بِهٖ مِنۡ عِلۡمٍ اِلَّا اتِّبَاعَ الظَّنِّ​ ۚ وَمَا قَتَلُوۡهُ يَقِيۡنًا ۢ ۙ‏

    আর তাদের এই দাবির কারণেও যে: ‘নিশ্চই আমরা আল্লাহর রাসূল মরিয়ম পুত্র ঈসা মসীহকে হত্যা করেছি।’ অথচ তারা তাকে হত্যা করেনি,

  18. ৫:৬৩

    لَوۡلَا يَنۡهٰٮهُمُ الرَّبَّانِيُّوۡنَ وَالۡاَحۡبَارُ عَنۡ قَوۡلِهِمُ الۡاِثۡمَ وَاَكۡلِهِمُ السُّحۡتَ​ؕ لَبِئۡسَ مَا كَانُوۡا يَصۡنَعُوۡنَ‏

    কেন আল্লাহকেন্দ্রিক জ্ঞানী শিক্ষকগণ (রব্বানী) এবং ধর্মীয় পণ্ডিতগণ তাদেরকে পাপপূর্ণ কথা বলা এবং অবৈধ সম্পদ গ্রাস করা

  19. ৬:৭৩

    وَهُوَ الَّذِىۡ خَلَقَ السَّمٰوٰتِ وَالۡاَرۡضَ بِالۡحَـقِّ​ؕ وَيَوۡمَ يَقُوۡلُ كُنۡ فَيَكُوۡنُؕ   قَوۡلُهُ الۡحَـقُّ​ ؕ وَلَهُ الۡمُلۡكُ يَوۡمَ يُنۡفَخُ فِى الصُّوۡرِ​ ؕ عٰلِمُ الۡغَيۡبِ وَ الشَّهَادَةِ​ ؕ وَهُوَ الۡحَكِيۡمُ الۡخَبِيۡرُ‏

    আর তিনিই সেই স্বত্ত্বা, যিনি আকাশসমূহ ও পৃথিবীকে যথাযথভাবে সৃষ্টি করেছেন। এবং যেদিন তিনি বলবেন: ‘হও’, তখনই তা হয়ে যাবে;

  20. ৬:১১২

    وَكَذٰلِكَ جَعَلۡنَا لِكُلِّ نَبِىٍّ عَدُوًّا شَيٰطِيۡنَ الۡاِنۡسِ وَالۡجِنِّ يُوۡحِىۡ بَعۡضُهُمۡ اِلٰى بَعۡضٍ زُخۡرُفَ الۡقَوۡلِ غُرُوۡرًا​ ؕ وَلَوۡ شَآءَ رَبُّكَ مَا فَعَلُوۡهُ​ فَذَرۡهُمۡ وَمَا يَفۡتَرُوۡنَ‏

    এভাবেই আমরা প্রত্যেক নবীর জন্য শত্রু বানিয়েছি, মানুষ ও জিনের মধ্য হতে শয়তানদেরকে। তারা একে অপরকে প্রতারনার উদ্দেশ্যে

আরও দেখুন

قائِل

a speaker / were sleeping at noon

বিশেষ্য৫ বার

  1. ১২:১০

    قَالَ قَآٮِٕلٌ مِّنۡهُمۡ لَا تَقۡتُلُوۡا يُوۡسُفَ وَاَلۡقُوۡهُ فِىۡ غَيٰبَتِ الۡجُـبِّ يَلۡتَقِطۡهُ بَعۡضُ السَّيَّارَةِ اِنۡ كُنۡتُمۡ فٰعِلِيۡنَ‏

    তাদের মধ্য থেকে একজন বলল: ‘তোমরা ইউসুফকে হত্যা করো না; বরং তাকে কূপের গভীর অন্ধকারে ফেলে দাও, যাতে কোনো পথযাত্রী

  2. ১৮:১৯

    وَكَذٰلِكَ بَعَثۡنٰهُمۡ لِيَتَسَآءَلُوۡا بَيۡنَهُمۡ​ ؕ قَالَ قَآٮِٕلٌ مِّنۡهُمۡ كَمۡ لَبِثۡتُمۡ ؕ قَالُوۡا لَبِثۡنَا يَوۡمًا اَوۡ بَعۡضَ يَوۡمٍ​ ؕ قَالُوۡا رَبُّكُمۡ اَعۡلَمُ بِمَا لَبِثۡتُمۡ ؕ فَابۡعَثُوۡۤا اَحَدَكُمۡ بِوَرِقِكُمۡ هٰذِهٖۤ اِلَى الۡمَدِيۡنَةِ فَلۡيَنۡظُرۡ اَيُّهَاۤ اَزۡكٰى طَعَامًا فَلۡيَاۡتِكُمۡ بِرِزۡقٍ مِّنۡهُ وَلۡيَتَلَطَّفۡ وَلَا يُشۡعِرَنَّ بِكُمۡ اَحَدًا‏

    আর এভাবেই আমরা তাদের জাগিয়ে তুললাম, যাতে তারা নিজেদের মধ্যে প্রশ্নোত্তর করে। তাদের একজন বলল: “তোমরা কত সময় অবস্থান

  3. ২৩:১০০

    لَعَلِّىۡۤ اَعۡمَلُ صَالِحًـا فِيۡمَا تَرَكۡتُ​ؕ كَلَّا​ ؕ اِنَّهَا كَلِمَةٌ هُوَ قَآٮِٕلُهَا​ؕ وَمِنۡ وَّرَآٮِٕهِمۡ بَرۡزَخٌ اِلٰى يَوۡمِ يُبۡعَثُوۡنَ‏

    হয়তো আমি সৎ কাজ করব সেই বিষয়ে যা আমি ছেড়ে এসেছি। কক্ষনো না, এটি এমন একটি কথা যা সে বলেই থাকে। আর তাদের সামনে রয়েছে এক

  4. ৩৩:১৮

    ۞ قَدۡ يَعۡلَمُ اللّٰهُ الۡمُعَوِّقِيۡنَ مِنۡكُمۡ وَالۡقَآٮِٕلِيۡنَ لِاِخۡوَانِهِمۡ هَلُمَّ اِلَيۡنَا​ ۚ وَلَا يَاۡتُوۡنَ الۡبَاۡسَ اِلَّا قَلِيۡلًا ۙ‏

    নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের মধ্যকার সেই বাধা সৃষ্টিকারীদের জানেন, এবং তাদেরও জানেন যারা নিজেদের ভাইদের বলে: “আমাদের দিকে

  5. ৩৭:৫১

    قَالَ قَآٮِٕلٌ مِّنۡهُمۡ اِنِّىۡ كَانَ لِىۡ قَرِيۡنٌۙ‏

    তাদের মধ্য থেকে একজন বলবে: “আমার একজন সঙ্গী ছিল।”

قِيل

কথায় / বলা হবে / বাক্য স্ফুরণে

বিশেষ্য৪ বার

  1. ৪:১২২

    وَالَّذِيۡنَ اٰمَنُوۡا وَعَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ سَنُدۡخِلُهُمۡ جَنّٰتٍ تَجۡرِىۡ مِنۡ تَحۡتِهَا الۡاَنۡهٰرُ خٰلِدِيۡنَ فِيۡهَاۤ اَبَدًا​ ؕ وَعۡدَ اللّٰهِ حَقًّا​ ؕ وَمَنۡ اَصۡدَقُ مِنَ اللّٰهِ قِيۡلًا‏

    আর যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে ও সৎ কাজ করেছে অবিলম্বে আমি তাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করাব; যার পাদদেশে ঝর্ণাধারা প্রবাহিত,

  2. ৪৩:৮৮

    وَقِيۡلِهٖ يٰرَبِّ اِنَّ هٰٓؤُلَاۤءِ قَوۡمٌ لَّا يُؤۡمِنُوۡنَ​ۘ‏

    (রাসূলের) এ উক্তির শপথ: ‘হে আমার প্রতিপালক! এ জাতির লোকেরা বিশ্বাস স্থাপন করবে না।’

  3. ৫৬:২৬

    اِلَّا قِيۡلًا سَلٰمًا سَلٰمًا‏

    শুধু এই কথা ছাড়া- শান্তি, শান্তি।

  4. ৭৩:৬

    اِنَّ نَاشِئَةَ الَّيۡلِ هِىَ اَشَدُّ وَطۡـاً وَّاَقۡوَمُ قِيۡلًا ؕ‏

    নিশ্চয়ই রাতের জাগরণ আত্মার ওপর গভীর প্রভাব বিস্তার করে এবং পাঠকৃত বক্তব্যকে সুপ্রতিষ্ঠিত করে।

تَقَوَّلَ

তা সে রচনা করেছে / কথা বানাত

ক্রিয়া২ বার

  1. ৫২:৩৩

    اَمۡ يَقُوۡلُوۡنَ تَقَوَّلَهٗ​ ۚ بَلْ لَّا يُؤۡمِنُوۡنَ​ ۚ‏

    নাকি তারা বলে: ‘সে এটি রচনা করেছে?’ আসল কথা হলো তারা বিশ্বাস স্থাপন করতে চায় না।

  2. ৬৯:৪৪

    وَلَوۡ تَقَوَّلَ عَلَيۡنَا بَعۡضَ الۡاَقَاوِيۡلِۙ‏

    আর যদি সে আমাদের নামে কিছু কথা বানিয়ে বলত..

أَقاوِيل

কথা

বিশেষ্য১ বার

  1. ৬৯:৪৪

    وَلَوۡ تَقَوَّلَ عَلَيۡنَا بَعۡضَ الۡاَقَاوِيۡلِۙ‏

    আর যদি সে আমাদের নামে কিছু কথা বানিয়ে বলত..