মূল অংশে যান
Quranic Study

মূলধাতু ي-و-م

কুরআনে ৪৭৫ বার, ২টি শব্দরূপে

يَوْم

Day

বিশেষ্য৪০৫ বার

  1. ২৫:২৭

    وَيَوۡمَ يَعَضُّ الظَّالِمُ عَلٰى يَدَيۡهِ يَقُوۡلُ يٰلَيۡتَنِى اتَّخَذۡتُ مَعَ الرَّسُوۡلِ سَبِيۡلًا‏

    আর যেদিন অন্যায়কারী ব্যক্তি নিজের দুই হাত কামড়াতে থাকবে, সে বলবে: ‘হায়! যদি আমি রসূলের পথ অবলম্বন করতাম!’

  2. ২৫:৫৯

    اۨلَّذِىۡ خَلَقَ السَّمٰوٰتِ وَالۡاَرۡضَ وَمَا بَيۡنَهُمَا فِىۡ سِتَّةِ اَيَّامٍ ثُمَّ اسۡتَوٰى عَلَى الۡعَرۡشِ ​ۛۚ اَلرَّحۡمٰنُ فَسۡـَٔـــلۡ بِهٖ خَبِيۡرًا‏

    যিনি আকাশসমূহ, পৃথিবী এবং তাদের মাঝের সবকিছু ছয় পর্যায়ে সৃষ্টি করেছেন; তারপর তাঁর একচ্ছত্র আধিপত্য ও কর্তৃত্বের আসনে

  3. ২৫:৬৯

    يُضٰعَفۡ لَهُ الۡعَذَابُ يَوۡمَ الۡقِيٰمَةِ وَيَخۡلُدۡ فِيۡهٖ مُهَانًا ۖ ‏ 

    কিয়ামতের দিনে তার শাস্তি দ্বিগুণ করা হবে, এবং সে সেখানে অপমানিত অবস্থায় স্থায়ীভাবে থাকবে।

  4. ২৬:৩৮

    فَجُمِعَ السَّحَرَةُ لِمِيۡقَاتِ يَوۡمٍ مَّعۡلُوۡمٍۙ‏

    অতঃপর এক নির্ধারিত দিনে নির্দিষ্ট সময়ে জাদুকরদেরকে একত্র করা হল,

  5. ২৬:৮২

    وَالَّذِىۡۤ اَطۡمَعُ اَنۡ يَّغۡفِرَ لِىۡ خَطِٓیْــَٔـتِىۡ يَوۡمَ الدِّيۡنِ ؕ‏

    এবং তিনি, যার কাছে আমি আশা করি যে তিনি বিচার দিবসে আমার ভুল ক্ষমা করবেন।

  6. ২৬:৮৭

    وَلَا تُخۡزِنِىۡ يَوۡمَ يُبۡعَثُوۡنَۙ‏

    এবং পুনরুত্থান দিবসে আমাকে অপমানিত করো না।

  7. ২৬:৮৮

    يَوۡمَ لَا يَنۡفَعُ مَالٌ وَّلَا بَنُوۡنَۙ‏

    যেদিন ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি কোন উপকারে আসবেনা।

  8. ২৬:১৩৫

    اِنِّىۡۤ اَخَافُ عَلَيۡكُمۡ عَذَابَ يَوۡمٍ عَظِيۡمٍؕ‏

    নিশ্চই আমি তোমাদের উপর এক মহাদিবসের শাস্তির ভয় করছি।

  9. ২৬:১৫৫

    قَالَ هٰذِهٖ نَاقَةٌ لَّهَا شِرۡبٌ وَّلَـكُمۡ شِرۡبُ يَوۡمٍ مَّعۡلُوۡمٍ​ۚ‏ 

    সে (সালিহ) বলল: ‘এটি একটি মাদী উট; তার জন্য পানি পানের পালা একদিন আর তোমাদের পানি পানের পালা আরেক নির্দিষ্ট দিনে’।

  10. ২৬:১৫৬

    وَلَا تَمَسُّوۡهَا بِسُوۡٓءٍ فَيَاۡخُذَكُمۡ عَذَابُ يَوۡمٍ عَظِيۡمٍ‏

    আর তোমরা তাকে কোনো ক্ষতির উদ্দেশ্যে স্পর্শ করো না, নইলে এক মহা দিনের শাস্তি তোমাদেরকে পাকড়াও করবে।

  11. ২৬:১৮৯

    فَكَذَّبُوۡهُ فَاَخَذَهُمۡ عَذَابُ يَوۡمِ الظُّلَّةِ​ؕ اِنَّهٗ كَانَ عَذَابَ يَوۡمٍ عَظِيۡمٍ‏

    অতঃপর তারা তার উপর মিথ্যারোপ করল, ফলে ছায়াচ্ছন্ন দিনের শাস্তি তাদেরকে পাকড়াও করল। নিশ্চয়ই এটি ছিল এক মহা দিনের শাস্তি।

  12. ২৬:১৮৯

    فَكَذَّبُوۡهُ فَاَخَذَهُمۡ عَذَابُ يَوۡمِ الظُّلَّةِ​ؕ اِنَّهٗ كَانَ عَذَابَ يَوۡمٍ عَظِيۡمٍ‏

    অতঃপর তারা তার উপর মিথ্যারোপ করল, ফলে ছায়াচ্ছন্ন দিনের শাস্তি তাদেরকে পাকড়াও করল। নিশ্চয়ই এটি ছিল এক মহা দিনের শাস্তি।

  13. ২৭:৮৩

    وَ يَوۡمَ نَحۡشُرُ مِنۡ كُلِّ اُمَّةٍ فَوۡجًا مِّمَّنۡ يُّكَذِّبُ بِاٰيٰتِنَا فَهُمۡ يُوۡزَعُوۡنَ‏

    আর যেদিন আমরা প্রতিটি জাতি থেকে অস্বীকারকারীদের একটি দলকে একত্র করব, তখন তাদেরকে শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে পরিচালনা করা হবে।

  14. ২৭:৮৭

    وَيَوۡمَ يُنۡفَخُ فِىۡ الصُّوۡرِ فَفَزِعَ مَنۡ فِىۡ السَّمٰوٰتِ وَمَنۡ فِى الۡاَرۡضِ اِلَّا مَنۡ شَآءَ اللّٰهُ​ؕ وَكُلٌّ اَتَوۡهُ دٰخِرِيۡنَ‏

    আর যেদিন শিঙ্গায় ফুঁ দেওয়া হবে, তখন আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যারা আছে তারা আতঙ্কিত হবে, তবে যাদেরকে আল্লাহ উপযুক্ত মনে

  15. ২৮:৪১

    وَجَعَلۡنٰهُمۡ اَٮِٕمَّةً يَّدۡعُوۡنَ اِلَى النَّارِ​ۚ وَيَوۡمَ الۡقِيٰمَةِ لَا يُنۡصَرُوۡنَ‏

    আর আমরা তাদেরকে নেতা বানিয়েছিলাম, যারা (মানুষকে) আগুনের দিকে আহ্বান করত। আর কিয়ামতের দিনে তারা কোনো সাহায্য পাবে না।

  16. ২৮:৪২

    وَاَتۡبَعۡنٰهُمۡ فِىۡ هٰذِهِ الدُّنۡيَا لَـعۡنَةً​  ۚ وَيَوۡمَ الۡقِيٰمَةِ هُمۡ مِّنَ الۡمَقۡبُوۡحِيۡنَ‏

    আর আমরা এই পার্থিব জীবনে তাদের জন্য দয়া হতে বঞ্চনা স্থির করলাম, এবং কিয়ামতের দিনে তারা থাকবে ঘৃণিত ও অপমানিতদের মধ্যে।

  17. ২৮:৬১

    اَفَمَنۡ وَّعَدۡنٰهُ وَعۡدًا حَسَنًا فَهُوَ لَاقِيۡهِ كَمَنۡ مَّتَّعۡنٰهُ مَتَاعَ الۡحَيٰوةِ الدُّنۡيَا ثُمَّ هُوَ يَوۡمَ الۡقِيٰمَةِ مِنَ الۡمُحۡضَرِيۡنَ‏ 

    যাকে আমরা উত্তম পুরস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, সে তো তা পাবেই, সে কি ঐ ব্যক্তির সমান যাকে আমরা দুনিয়ার জীবনের

  18. ২৮:৬২

    وَيَوۡمَ يُنَادِيۡهِمۡ فَيَـقُوۡلُ اَيۡنَ شُرَكَآءِىَ الَّذِيۡنَ كُنۡتُمۡ تَزۡعُمُوۡنَ‏

    আর সেদিন তিনি তাদেরকে ডেকে বলবেন: ‘তোমরা যাদেরকে আমার অংশীদার গণ্য করতে, তারা কোথায়?

  19. ২৮:৬৫

    وَيَوۡمَ يُنَادِيۡهِمۡ فَيَـقُوۡلُ مَاذَاۤ اَجَبۡتُمُ الۡمُرۡسَلِيۡنَ‏

    আর সেদিন তিনি (আল্লাহ) তাদেরকে ডেকে বলবেনঃ তোমরা রাসূলদেরকে কি জবাব দিয়েছিলে?

  20. ২৮:৭১

    قُلۡ اَرَءَيۡتُمۡ اِنۡ جَعَلَ اللّٰهُ عَلَيۡكُمُ الَّيۡلَ سَرۡمَدًا اِلٰى يَوۡمِ الۡقِيٰمَةِ مَنۡ اِلٰـهٌ غَيۡرُ اللّٰهِ يَاۡتِيۡكُمۡ بِضِيَآءٍ​ؕ اَفَلَا تَسۡمَعُوۡنَ‏

    বল: তোমরা কি ভেবে দেখেছ, যদি আল্লাহ তোমাদের উপর রাতকে কিয়ামত পর্যন্ত চিরস্থায়ী করে দেন, তাহলে আল্লাহ ছাড়া কোন

আগের অংশআরও দেখুন

إِذ

যখন

বিশেষ্য৭০ বার

  1. ৩:১৬৭

    ​وَلِيَعۡلَمَ الَّذِيۡنَ نَافَقُوۡا  ۖۚ وَقِيۡلَ لَهُمۡ تَعَالَوۡا قَاتِلُوۡا فِىۡ سَبِيۡلِ اللّٰهِ اَوِ ادۡفَعُوۡا ​ۚ قَالُوۡا لَوۡ نَعۡلَمُ قِتَالًا لَّا تَّبَعۡنٰكُمۡ​ؕ هُمۡ لِلۡكُفۡرِ يَوۡمَٮِٕذٍ اَقۡرَبُ مِنۡهُمۡ لِلۡاِيۡمَانِ​ۚ يَقُوۡلُوۡنَ بِاَفۡوَاهِهِمۡ مَّا لَيۡسَ فِىۡ قُلُوۡبِهِمۡ​ؕ وَاللّٰهُ اَعۡلَمُ بِمَا يَكۡتُمُوۡنَ​ۚ‏

    আর যেন তাদেরকে জানেন যারা দ্বিচারিতা (মুনাফিকি) করেছিল, তাদেরকে বলা হলো: এসো, আল্লাহর পথে লড়ো বা প্রতিরোধ করো। তারা

  2. ৪:৪২

    يَوۡمَٮِٕذٍ يَّوَدُّ الَّذِيۡنَ كَفَرُوۡا وَعَصَوُا الرَّسُوۡلَ لَوۡ تُسَوّٰى بِهِمُ الۡاَرۡضُ ؕ وَلَا يَكۡتُمُوۡنَ اللّٰهَ حَدِيۡـثًا‏

    যারা অবিশ্বাস করেছিল এবং রাসূলের অবাধ্যতা করেছিল সেদিন তারা কামনা করবে, হায়, যদি তাদেরকে জমিনের সাথে মিশিয়ে দেওয়া হতো;

  3. ৬:১৬

    مَنۡ يُّصۡرَفۡ عَنۡهُ يَوۡمَٮِٕذٍ فَقَدۡ رَحِمَهٗ​ؕ وَ ذٰ لِكَ الۡـفَوۡزُ الۡمُبِيۡنُ‏

    সেদিন যার কাছ থেকে (শাস্তি) সরিয়ে নেওয়া হবে, নিশ্চয়ই আল্লাহ তাকে দয়া করেছেন। আর সেটাই হচ্ছে সুস্পষ্ট সাফল্য।

  4. ৭:৮

    وَالۡوَزۡنُ يَوۡمَٮِٕذِ اۨلۡحَـقُّ​ ۚ فَمَنۡ ثَقُلَتۡ مَوَازِيۡنُهٗ فَاُولٰۤٮِٕكَ هُمُ الۡمُفۡلِحُوۡنَ‏

    আর সেদিন ওজন হবে যথাযথভাবে, সুতরাং যাদের পাল্লাসমূহ ভারী হবে তারাই সফলকাম হবে।

  5. ৮:১৬

    وَمَنۡ يُّوَلِّهِمۡ يَوۡمَٮِٕذٍ دُبُرَهٗۤ اِلَّا مُتَحَرِّفًا لِّقِتَالٍ اَوۡ مُتَحَيِّزًا اِلٰى فِئَةٍ فَقَدۡ بَآءَ بِغَضَبٍ مِّنَ اللّٰهِ وَمَاۡوٰٮهُ جَهَـنَّمُ​ؕ وَبِئۡسَ الۡمَصِيۡرُ‏

    যে ব্যক্তি সেই দিন তাদের দিকে (লড়াই এড়াতে) পিছু হটে, যুদ্ধের কৌশল গ্রহণ বা কোনো দলের সঙ্গে মিলিত হওয়ার উদ্দেশ্য ছাড়া,

  6. ১১:৬৬

    فَلَمَّا جَآءَ اَمۡرُنَا نَجَّيۡنَا صٰلِحًـا وَّالَّذِيۡنَ اٰمَنُوۡا مَعَهٗ بِرَحۡمَةٍ مِّنَّا وَمِنۡ خِزۡىِ يَوۡمِٮِٕذٍ​ؕ اِنَّ رَبَّكَ هُوَ الۡقَوِىُّ الۡعَزِيۡزُ‏ 

    অতঃপর যখন আমাদের নির্দেশ এসে গেল, তখন আমরা সালেহকে এবং তার সাথে যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছিল তাদেরকে আমাদের পক্ষ থেকে

  7. ১৪:৪৯

    وَتَرَى الۡمُجۡرِمِيۡنَ يَوۡمَٮِٕذٍ مُّقَرَّنِيۡنَ فِى الۡاَصۡفَادِ​ۚ‏

    আর তুমি সেই দিন অপরাধীদেরকে দেখবে, তাদেরকে একসাথে শৃঙ্খলিত অবস্থায় শিকল দিযে বাঁধা।

  8. ১৬:৮৭

    وَاَلۡقَوۡا اِلَى اللّٰهِ يَوۡمَٮِٕذٍ ۨالسَّلَمَ​ وَضَلَّ عَنۡهُمۡ مَّا كَانُوۡا يَفۡتَرُوۡنَ‏

    আর সেদিন তারা আল্লাহর কাছে সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণ করবে, এবং যা কিছু তারা মিথ্যা রচনা করত, তা তাদের কাছ থেকে হারিয়ে যাবে।

  9. ১৮:৯৯

    ۞ وَتَرَكۡنَا بَعۡضَهُمۡ يَوۡمَٮِٕذٍ يَّمُوۡجُ فِىۡ بَعۡضٍ​ وَّنُفِخَ فِى الصُّوۡرِ فَجَمَعۡنٰهُمۡ جَمۡعًا ۙ‏

    আর সেদিন আমরা তাদের কাউকে এমনভাবে ছেড়ে দেব যে তারা একে অপরের মধ্যে ঢেউয়ের মতো অস্থিরভাবে আছড়ে পড়বে; আর শিঙ্গায় ফুঁ

  10. ১৮:১০০

    وَّعَرَضۡنَا جَهَـنَّمَ يَوۡمَٮِٕذٍ لِّـلۡكٰفِرِيۡنَ عَرۡضَا ۙ‏

    আর সেদিন জাহান্নামকে অবিশ্বাসীদের জন্য সরাসরি উপস্থিত করবো।

  11. ২০:১০২

    يَّوۡمَ يُنۡفَخُ فِى الصُّوۡرِ​ وَنَحۡشُرُ الۡمُجۡرِمِيۡنَ يَوۡمَٮِٕذٍ زُرۡقًا​ ۖ ​ۚ‏

    যেদিন শিঙ্গায় ফুঁ দেওয়া হবে, আর সেদিন আমরা অপরাধীদের আতঙ্কে নিলাভ চক্ষু বিশিষ্ট (দৃষ্টিহীন) অবস্থায় সমবেত করব।

  12. ২০:১০৮

    يَوۡمَٮِٕذٍ يَّتَّبِعُوۡنَ الدَّاعِىَ لَا عِوَجَ لَهٗ​ؕ وَخَشَعَتِ الۡاَصۡوَاتُ لِلرَّحۡمٰنِ فَلَا تَسۡمَعُ اِلَّا هَمۡسًا‏

    সেদিন তারা এক আহ্বানকারীর অনুসরণ করবে, যার মধ্যে কোনো বিচ্যুতি থাকবে না। আর পরম করুণাময়ের সামনে সব কণ্ঠস্বর স্তব্ধ হয়ে

  13. ২০:১০৯

    يَوۡمَٮِٕذٍ لَّا تَنۡفَعُ الشَّفَاعَةُ اِلَّا مَنۡ اَذِنَ لَـهُ الرَّحۡمٰنُ وَرَضِىَ لَـهٗ قَوۡلًا‏

    সেদিন কোনো সুপারিশ উপকার করবে না, তবে সেই ব্যক্তির জন্য ছাড়া যাকে পরম করুণাময় অনুমতি দেবেন এবং যার বক্তব্য তিনি গ্রহণ

  14. ২২:৫৬

    اَ لۡمُلۡكُ يَوۡمَٮِٕذٍ لِّـلَّـهِ ؕ يَحۡكُمُ بَيۡنَهُمۡ​ ؕ فَالَّذِيۡنَ اٰمَنُوۡا وَ عَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ فِىۡ جَنّٰتِ النَّعِيۡمِ‏

    সেই দিন সার্বভৌম কর্তৃত্ব কেবল আল্লাহরই। তিনি তাদের মধ্যে বিচার করবেন। অতঃপর যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে ও সৎ কাজ সম্পাদন

  15. ২৩:১০১

    فَاِذَا نُفِخَ فِى الصُّوۡرِ فَلَاۤ اَنۡسَابَ بَيۡنَهُمۡ يَوۡمَٮِٕذٍ وَّلَا يَتَسَآءَلُوۡنَ‏

    অতঃপর যখন শিঙ্গায় ফুঁ দেওয়া হবে, সেদিন তাদের মধ্যে কোনো আত্মীয়তার সম্পর্ক থাকবে না, এবং তারা পরস্পরকে কোনো জিজ্ঞাসাও

  16. ২৪:২৫

    يَوۡمَٮِٕذٍ يُّوَفِّيۡهِمُ اللّٰهُ دِيۡنَهُمُ الۡحَـقَّ وَيَعۡلَمُوۡنَ اَنَّ اللّٰهَ هُوَ الۡحَـقُّ الۡمُبِيۡنُ‏

    সেই দিন আল্লাহ তাদের যথার্থ প্রতিদান সম্পূর্ণরূপে দিয়ে দেবেন এবং তারা জানতে পারবে যে, আল্লাহই সুস্পষ্ট সত্য সত্তা।

  17. ২৫:২২

    يَوۡمَ يَرَوۡنَ الۡمَلٰٓٮِٕكَةَ لَا بُشۡرٰى يَوۡمَٮِٕذٍ لِّـلۡمُجۡرِمِيۡنَ وَ يَقُوۡلُوۡنَ حِجۡرًا مَّحۡجُوۡرًا‏

    যেদিন তারা ফেরেশতাদের দেখবে, সেদিন অপরাধীদের জন্য কোনো সুসংবাদ থাকবে না। আর তারা বলবে: ‘(আমাদের থেকে) নিষিদ্ধ হও,

  18. ২৫:২৪

    اَصۡحٰبُ الۡجَنَّةِ يَوۡمَٮِٕذٍ خَيۡرٌ مُّسۡتَقَرًّا وَّاَحۡسَنُ مَقِيۡلًا‏ 

    সেদিন জান্নাতের অধিবাসীরা অবস্থানের দিক থেকে সর্বোত্তম এবং বিশ্রামের দিক থেকেও সবচেয়ে সুন্দর অবস্থানে থাকবে।

  19. ২৫:২৬

    اَلۡمُلۡكُ يَوۡمَٮِٕذِ اۨلۡحَـقُّ لِلرَّحۡمٰنِ​ؕ وَكَانَ يَوۡمًا عَلَى الۡكٰفِرِيۡنَ عَسِيۡرًا‏

    সেদিন প্রকৃত কর্তৃত্ব থাকবে পরম দয়াময়েরই; আর দিনটি সত্য অস্বীকারকারীদের জন্য হবে অত্যন্ত কঠিন।

  20. ২৭:৮৯

    مَنۡ جَآءَ بِالۡحَسَنَةِ فَلَهٗ خَيۡرٌ مِّنۡهَا​ۚ وَهُمۡ مِّنۡ فَزَعٍ يَّوۡمَٮِٕذٍ اٰمِنُوۡنَ‏

    যে সৎকর্ম নিয়ে উপস্থিত হবে, তার জন্য তার চেয়েও উত্তম প্রতিদান থাকবে; এবং তারা সেদিনের ভীতি ও আতঙ্ক থেকে নিরাপদ থাকবে।

আরও দেখুন