মূল অংশে যান
Quranic Study

মূলধাতু ع-ز-ز

কুরআনে ১২০ বার, ৮টি শব্দরূপে

عَزِيز

পরাক্রমশালী

বিশেষ্য১০১ বার

  1. ৩৪:২৭

    قُلۡ اَرُوۡنِىَ الَّذِيۡنَ اَ لۡحَـقۡتُمۡ بِهٖ شُرَكَآءَ كَلَّا ؕ بَلۡ هُوَ اللّٰهُ الۡعَزِيۡزُ الۡحَكِيۡمُ‏

    বল: ‘আমাকে দেখাও সেই সত্তাগুলোকে, যাদের তোমরা তাঁর সঙ্গে অংশীদার হিসেবে যুক্ত করেছ।’ কখনোই নয়! বরং তিনিই

  2. ৩৫:২

    مَا يَفۡتَحِ اللّٰهُ لِلنَّاسِ مِنۡ رَّحۡمَةٍ فَلَا مُمۡسِكَ لَهَا ۚ وَمَا يُمۡسِكۡ ۙ فَلَا مُرۡسِلَ لَهٗ مِنۡۢ بَعۡدِه ؕ وَهُوَ الۡعَزِيۡزُ الۡحَكِيۡمُ‏ 

    আল্লাহ মানুষের জন্য যে কোনো অনুগ্রহ উন্মুক্ত করেন, তা রোধ করার কেউ নেই। আর যা তিনি ধরে রাখেন, তাঁর পরে তা প্রেরণ বা

  3. ৩৫:১৭

    وَمَا ذٰ لِكَ عَلَى اللّٰهِ بِعَزِيۡزٍ‏

    আর যা আল্লাহর পক্ষে কঠিন নয়।

  4. ৩৫:২৮

    وَمِنَ النَّاسِ وَالدَّوَآبِّ وَالۡاَنۡعَامِ مُخۡتَلِفٌ اَ لۡوَانُهٗ كَذٰلِكَ ؕ اِنَّمَا يَخۡشَى اللّٰهَ مِنۡ عِبَادِهِ الۡعُلَمٰٓؤُا ؕ اِنَّ اللّٰهَ عَزِيۡزٌ غَفُوۡرٌ‏

    আর মানুষের মধ্যে, বিচরণকারী প্রাণীদের মধ্যে এবং গবাদি পশুর মধ্যেও একইভাবে বিভিন্ন রঙের বৈচিত্র্য রয়েছে। তাঁর দাসদের

  5. ৩৬:৫

    تَنۡزِيۡلَ الۡعَزِيۡزِ الرَّحِيۡمِ ۙ‏

    এটি পরাক্রমশালী, পরম করুণাময়ের পক্ষ থেকে অবতীর্ণ।

  6. ৩৬:৩৮

    وَالشَّمۡسُ تَجۡرِىۡ لِمُسۡتَقَرٍّ لَّهَا ​ؕ ذٰلِكَ تَقۡدِيۡرُ الۡعَزِيۡزِ الۡعَلِيۡمِؕ‏

    আর সূর্য তার নির্ধারিত অবস্থানের দিকে চলতে থাকে। এটাই পরাক্রমশালী, সর্বজ্ঞের নির্ধারিত ব্যবস্থা।

  7. ৩৮:৯

    اَمۡ عِنۡدَهُمۡ خَزَآٮِٕنُ رَحۡمَةِ رَبِّكَ الۡعَزِيۡزِ الۡوَهَّابِ​ۚ‏

    তবে কি পরাক্রমশালী, অফুরন্ত দানকারী তোমার প্রতিপালকের অনুগ্রহের ভাণ্ডার তাদেরই অধিকারে রয়েছে?

  8. ৩৮:৬৬

    رَبُّ السَّمٰوٰتِ وَالۡاَرۡضِ وَمَا بَيۡنَهُمَا الۡعَزِيۡزُ الۡغَفَّارُ‏

    তিনি আসমানসমূহ, পৃথিবী এবং এ দুয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর প্রতিপালক; তিনি পরাক্রমশালী, পরম ক্ষমাশীল।

  9. ৩৯:১

    تَنۡزِيۡلُ الۡكِتٰبِ مِنَ اللّٰهِ الۡعَزِيۡزِ الۡحَكِيۡمِ‏

    এই লিখিত বিধান অবতীর্ণ হয়েছে পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময় আল্লাহর কাছ থেকে।

  10. ৩৯:৫

    خَلَقَ السَّمٰوٰتِ وَالۡاَرۡضَ بِالۡحَقِّ​ ۚ يُكَوِّرُ الَّيۡلَ عَلَى النَّهَارِ وَيُكَوِّرُ النَّهَارَ عَلَى الَّيۡلِ وَسَخَّرَ الشَّمۡسَ وَالۡقَمَرَ​ؕ كُلٌّ يَّجۡرِىۡ لِاَجَلٍ مُّسَمًّى​ؕ اَلَا هُوَ الۡعَزِيۡزُ الۡغَفَّارُ‏

    তিনি আকাশসমূহ ও পৃথিবীকে যথার্থতার ভিত্তিতে সৃষ্টি করেছেন। তিনি রাতকে দিনের ওপর জড়িয়ে দেন এবং দিনকে রাতের ওপর জড়িয়ে

  11. ৩৯:৩৭

    وَمَنۡ يَّهۡدِ اللّٰهُ فَمَا لَهٗ مِنۡ مُّضِلٍّ​ ؕ اَ لَيۡسَ اللّٰهُ بِعَزِيۡزٍ ذِى انتِقَامٍ‏

    আর যাকে আল্লাহ সঠিক পথে পরিচালিত করেন তার জন্য কোনো পথভ্ৰষ্টকারী নেই; আল্লাহ কি পরাক্রমশালী, প্রতিশোধ গ্ৰহণকারী নন?

  12. ৪০:২

    تَنۡزِيۡلُ الۡكِتٰبِ مِنَ اللّٰهِ الۡعَزِيۡزِ الۡعَلِيۡمِۙ‏

    এই লিখিত বিধান অবতীর্ণ করা হযেছে পরাক্রমশালী, সর্বজ্ঞ আল্লাহর পক্ষ থেকে।

  13. ৪০:৮

    رَبَّنَا وَاَدۡخِلۡهُمۡ جَنّٰتِ عَدۡنِ اۨلَّتِىۡ وَعَدْتَّهُمۡ وَمَنۡ صَلَحَ مِنۡ اٰبَآٮِٕهِمۡ وَاَزۡوَاجِهِمۡ وَذُرِّيّٰتِهِمۡ ؕ اِنَّكَ اَنۡتَ الۡعَزِيۡزُ الۡحَكِيۡمُ ۙ‏

    “হে আমাদের প্রতিপালক! তাদের সেই স্থায়ী জান্নাতসমূহে প্রবেশ করাও, যেগুলোর প্রতিশ্রুতি তুমি তাদের দিয়েছ; এবং তাদের

  14. ৪০:৪২

    تَدۡعُوۡنَنِىۡ لِاَكۡفُرَ بِاللّٰهِ وَاُشۡرِكَ بِهٖ مَا لَيۡسَ لِىۡ بِهٖ عِلۡمٌ وَّاَنَا اَدۡعُوۡكُمۡ اِلَى الۡعَزِيۡزِ الۡغَفَّارِ‏

    তোমরা আমাকে আহ্বান করো আল্লাহকে অস্বীকার করতে এবং তাঁর সঙ্গে এমন কিছুকে অংশীদার করতে যা সম্পর্কে আমার কোনো জ্ঞানই নেই;

  15. ৪১:১২

    فَقَضٰٮهُنَّ سَبۡعَ سَمٰوَاتٍ فِىۡ يَوۡمَيۡنِ وَاَوۡحٰى فِىۡ كُلِّ سَمَآءٍ اَمۡرَهَا​ ؕ وَزَ يَّـنَّـا السَّمَآءَ الدُّنۡيَا بِمَصَابِيۡحَ ​ۖ وَحِفۡظًا ​ؕ ذٰ لِكَ تَقۡدِيۡرُ الۡعَزِيۡزِ الۡعَلِيۡمِ‏

    অতঃপর তিনি সেগুলোকে দুই সময়পর্বে সাতটি আকাশ হিসেবে সম্পূর্ণ করলেন। এবং প্রত্যেক আকাশে তার নিজস্ব নির্দেশ বা ব্যবস্থা

  16. ৪১:৪১

    اِنَّ الَّذِيۡنَ كَفَرُوۡا بِالذِّكۡرِ لَمَّا جَآءَهُمۡ​ۚ وَاِنَّهٗ لَـكِتٰبٌ عَزِيۡزٌۙ‏

    নিশ্চয় যারা উপদেশ [কুরআন] আসার পরও তা অস্বীকার করে, আর নিশ্চয়ই এটি একটি শক্তিশালী গ্রন্থ।

  17. ৪২:৩

    كَذٰلِكَ يُوۡحِىۡۤ اِلَيۡكَ وَاِلَى الَّذِيۡنَ مِنۡ قَبۡلِكَۙ اللّٰهُ الۡعَزِيۡزُ الۡحَكِيۡمُ‏

    এভাবেই আল্লাহ তোমার প্রতি এবং তোমার আগে যারা ছিল তাদের প্রতি প্রত্যাদেশ করেন; তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

  18. ৪২:১৯

    اَللّٰهُ لَطِيۡفٌۢ بِعِبَادِهٖ يَرۡزُقُ مَنۡ يَّشَآءُ​ۚ وَهُوَ الۡقَوِىُّ الۡعَزِيۡزُ‏

    আল্লাহ্ তাঁর দাসদের প্রতি অত্যন্ত কোমল; তিনি যাকে উপযুক্ত মনে করেন তাকে জীবিকা দান করেন। আর তিনি সর্বশক্তিমান, প্ৰবল

  19. ৪৩:৯

    وَلَٮِٕنۡ سَاَلۡتَهُمۡ مَّنۡ خَلَقَ السَّمٰوٰتِ وَالۡاَرۡضَ لَيَقُوۡلُنَّ خَلَقَهُنَّ الۡعَزِيۡزُ الۡعَلِيۡمُۙ‏

    আর যদি তুমি তাদের জিজ্ঞাসা করো: ‘কে আকাশসমূহ ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন?’ তারা অবশ্যই বলবে: ‘পরাক্রমশালী, সর্বজ্ঞই এগুলো

  20. ৪৪:৪২

    اِلَّا مَنۡ رَّحِمَ اللّٰهُ​ؕ اِنَّهٗ هُوَ الۡعَزِيۡزُ الرَّحِيۡمُ‏

    তবে যাকে আল্লাহ দয়া করবেন, সে ছাড়া। নিশ্চয়ই তিনিই পরাক্রমশালী, দয়ালু।

আগের অংশআরও দেখুন

عِزَّة

Honor

বিশেষ্য১১ বার

  1. ২:২০৬

    وَاِذَا قِيۡلَ لَهُ اتَّقِ اللّٰهَ اَخَذَتۡهُ الۡعِزَّةُ بِالۡاِثۡمِ​ فَحَسۡبُهٗ جَهَنَّمُ​ؕ وَلَبِئۡسَ الۡمِهَادُ‏

    আর যখন তাকে বলা হয়, “আল্লাহকে ভয় করো,” তখন পাপের সঙ্গে যুক্ত অহংকার তাকে আচ্ছন্ন করে ফেলে। অতএব তার জন্য জাহান্নামই

  2. ৪:১৩৯

    الَّذِيۡنَ يَتَّخِذُوۡنَ الۡـكٰفِرِيۡنَ اَوۡلِيَآءَ مِنۡ دُوۡنِ الۡمُؤۡمِنِيۡنَ​ ؕ اَيَبۡتَغُوۡنَ عِنۡدَهُمُ الۡعِزَّةَ فَاِنَّ الۡعِزَّةَ لِلّٰهِ جَمِيۡعًا ؕ‏

    যারা বিশ্বাসীদেরকে বাদ দিয়ে অবিশ্বাসীদেরকে নিজেদের অভিভাবক (আশ্রয় ও কর্তৃত্বের উৎস) হিসেবে গ্রহণ করে, তারা কি তাদের

  3. ৪:১৩৯

    الَّذِيۡنَ يَتَّخِذُوۡنَ الۡـكٰفِرِيۡنَ اَوۡلِيَآءَ مِنۡ دُوۡنِ الۡمُؤۡمِنِيۡنَ​ ؕ اَيَبۡتَغُوۡنَ عِنۡدَهُمُ الۡعِزَّةَ فَاِنَّ الۡعِزَّةَ لِلّٰهِ جَمِيۡعًا ؕ‏

    যারা বিশ্বাসীদেরকে বাদ দিয়ে অবিশ্বাসীদেরকে নিজেদের অভিভাবক (আশ্রয় ও কর্তৃত্বের উৎস) হিসেবে গ্রহণ করে, তারা কি তাদের

  4. ১০:৬৫

    وَلَا يَحۡزُنۡكَ قَوۡلُهُمۡ​ۘ اِنَّ الۡعِزَّةَ لِلّٰهِ جَمِيۡعًا​ ؕ هُوَ السَّمِيۡعُ الۡعَلِيۡمُ‏

    তাদের কথা যেন তোমাকে দুঃখিত না করে। নিশ্চয়ই সমস্ত গৌরব আল্লাহরই। তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।

  5. ২৬:৪৪

    فَاَلۡقَوۡا حِبَالَهُمۡ وَعِصِيَّهُمۡ وَقَالُوۡا بِعِزَّةِ فِرۡعَوۡنَ اِنَّا لَـنَحۡنُ الۡغٰلِبُوۡنَ‏

    অতঃপর তারা তাদের দড়ি ও লাঠিগুলো নিক্ষেপ করল এবং বলল: ‘ফিরআউনের প্রতাপের শপথ, নিশ্চয়ই আমরাই বিজয়ী হব।’

  6. ৩৫:১০

    مَنۡ كَانَ يُرِيۡدُ الۡعِزَّةَ فَلِلّٰهِ الۡعِزَّةُ جَمِيۡعًا ؕ اِلَيۡهِ يَصۡعَدُ الۡـكَلِمُ الطَّيِّبُ وَالۡعَمَلُ الصَّالِحُ يَرۡفَعُهٗ ؕ وَ الَّذِيۡنَ يَمۡكُرُوۡنَ السَّيِّاٰتِ لَهُمۡ عَذَابٌ شَدِيۡدٌ  ؕ وَمَكۡرُ اُولٰٓٮِٕكَ هُوَ يَبُوۡرُ‏

    যে মর্যাদা কামনা করে, সে জেনে রাখুক—সমস্ত মর্যাদা সম্পূর্ণরূপে আল্লাহরই। তাঁর দিকেই উত্তম বাক্যসমূহ ঊর্ধ্বে ওঠে, আর

  7. ৩৫:১০

    مَنۡ كَانَ يُرِيۡدُ الۡعِزَّةَ فَلِلّٰهِ الۡعِزَّةُ جَمِيۡعًا ؕ اِلَيۡهِ يَصۡعَدُ الۡـكَلِمُ الطَّيِّبُ وَالۡعَمَلُ الصَّالِحُ يَرۡفَعُهٗ ؕ وَ الَّذِيۡنَ يَمۡكُرُوۡنَ السَّيِّاٰتِ لَهُمۡ عَذَابٌ شَدِيۡدٌ  ؕ وَمَكۡرُ اُولٰٓٮِٕكَ هُوَ يَبُوۡرُ‏

    যে মর্যাদা কামনা করে, সে জেনে রাখুক—সমস্ত মর্যাদা সম্পূর্ণরূপে আল্লাহরই। তাঁর দিকেই উত্তম বাক্যসমূহ ঊর্ধ্বে ওঠে, আর

  8. ৩৭:১৮০

    سُبۡحٰنَ رَبِّكَ رَبِّ الۡعِزَّةِ عَمَّا يَصِفُوۡنَ​ۚ‏

    তোমার প্রতিপালক, মহাশক্তির অধিপতি, তারা যা বর্ণনা করে তা থেকে সম্পূর্ণ পবিত্র।

  9. ৩৮:২

    بَلِ الَّذِيۡنَ كَفَرُوۡا فِىۡ عِزَّةٍ وَّشِقَاقٍ‏

    বরং যারা সত্যকে প্রত্যাখ্যান করেছে, তারা অহংকার ও বিরুদ্ধাচরণে লিপ্ত।

  10. ৩৮:৮২

    قَالَ فَبِعِزَّتِكَ لَاُغۡوِيَنَّهُمۡ اَجۡمَعِيۡنَۙ‏

    সে বলল: ”তোমার পরাক্রমের শপথ করে বলছি, আমি অবশ্যই তাদের সকলকে বিপথে পরিচালিত করব।”

  11. ৬৩:৮

    يَقُوۡلُوۡنَ لَٮِٕنۡ رَّجَعۡنَاۤ اِلَى الۡمَدِيۡنَةِ لَيُخۡرِجَنَّ الۡاَعَزُّ مِنۡهَا الۡاَذَلَّ ​ؕ وَلِلّٰهِ الۡعِزَّةُ وَلِرَسُوۡلِهٖ وَلِلۡمُؤۡمِنِيۡنَ وَلٰـكِنَّ الۡمُنٰفِقِيۡنَ لَا يَعۡلَمُوۡنَ‏

    তারা বলে: ‘যদি আমরা নগরে ফিরে যাই, তবে অবশ্যই অধিক শক্তিশালী ব্যক্তি/পক্ষ সেখান থেকে অধিক দুর্বল ব্যক্তিদেরকে বের করে

أَعَزّ

অধিক শক্তিশালী / অধিক সম্মানিত

বিশেষ্য৩ বার

  1. ১১:৯২

    قَالَ يٰقَوۡمِ اَرَهۡطِىۡۤ اَعَزُّ عَلَيۡكُمۡ مِّنَ اللّٰهِ ؕ وَ اتَّخَذۡتُمُوۡهُ وَرَآءَكُمۡ ظِهۡرِيًّا​ ؕ اِنَّ رَبِّىۡ بِمَا تَعۡمَلُوۡنَ مُحِيۡطٌ‏

    সে বলল: “হে আমার জাতি! আমার পরিবারবর্গ কি তোমাদের কাছে আল্লাহর চেয়েও বেশি শক্তিশালী হয়ে গেল? তোমরা কি তাঁকে

  2. ১৮:৩৪

    وَكَانَ لَهٗ ثَمَرٌ​ ۚ فَقَالَ لِصَاحِبِهٖ وَهُوَ يُحَاوِرُهٗۤ اَنَا اَكۡثَرُ مِنۡكَ مَالًا وَّاَعَزُّ نَفَرًا‏

    আর তার ছিল প্রচুর ফলসম্পদ। তখন সে তার সঙ্গীকে, তার সঙ্গে কথোপকথনের সময়, বলল: আমি সম্পদে তোমার চেয়ে বেশি এবং জনবল ও

  3. ৬৩:৮

    يَقُوۡلُوۡنَ لَٮِٕنۡ رَّجَعۡنَاۤ اِلَى الۡمَدِيۡنَةِ لَيُخۡرِجَنَّ الۡاَعَزُّ مِنۡهَا الۡاَذَلَّ ​ؕ وَلِلّٰهِ الۡعِزَّةُ وَلِرَسُوۡلِهٖ وَلِلۡمُؤۡمِنِيۡنَ وَلٰـكِنَّ الۡمُنٰفِقِيۡنَ لَا يَعۡلَمُوۡنَ‏

    তারা বলে: ‘যদি আমরা নগরে ফিরে যাই, তবে অবশ্যই অধিক শক্তিশালী ব্যক্তি/পক্ষ সেখান থেকে অধিক দুর্বল ব্যক্তিদেরকে বের করে

الْعُزَّى

বিশেষ্য১ বার

  1. ৫৩:১৯

    اَفَرَءَيۡتُمُ اللّٰتَ وَالۡعُزّٰىۙ‏

    তবে কি তোমরা লাত ও উজ্জা সম্পর্কে ভেবে দেখেছ?

تُعِزُّ

ক্রিয়া১ বার

  1. ৩:২৬

    قُلِ اللّٰهُمَّ مٰلِكَ الۡمُلۡكِ تُؤۡتِى الۡمُلۡكَ مَنۡ تَشَآءُ وَتَنۡزِعُ الۡمُلۡكَ مِمَّنۡ تَشَآءُ وَتُعِزُّ مَنۡ تَشَآءُ وَتُذِلُّ مَنۡ تَشَآءُ​ ؕ بِيَدِكَ الۡخَيۡرُ​ؕ اِنَّكَ عَلٰى كُلِّ شَىۡءٍ قَدِيۡرٌ‏

    তাদেরকে বল: আল্লাহ, সার্বভৌম ক্ষমতার অধিপতি, তুমি যাকে বিশেষ উদ্দেশ্যে মনোনীত কর ক্ষমতা দাও, এবং যার জন্য বিশেষভাবে

عَزَّ

ক্রিয়া১ বার

  1. ৩৮:২৩

    اِنَّ هٰذَاۤ اَخِىۡ لَهٗ تِسۡعٌ وَّتِسۡعُوۡنَ نَعۡجَةً وَّلِىَ نَعۡجَةٌ وَّاحِدَةٌ فَقَالَ اَكۡفِلۡنِيۡهَا وَعَزَّنِىۡ فِى الۡخِطَابِ‏

    নিশ্চয়ই এই ব্যক্তি আমার ভাই। তার নিরানব্বইটি মাদী ভেড়া আছে, আর আমার আছে মাত্র একটি মাদী ভেড়া। তখন সে বলল, ‘এটির

عِزّ

সহায়ক

বিশেষ্য১ বার

  1. ১৯:৮১

    وَاتَّخَذُوۡا مِنۡ دُوۡنِ اللّٰهِ اٰلِهَةً لِّيَكُوۡنُوۡا لَهُمۡ عِزًّا ۙ‏ 

    আর তারা আল্লাহ ছাড়া অন্য বিধানদাতা গ্রহণ করেছিল, যাতে তারা তাদের জন্য সহায়ক শক্তি হয়।

عَزَّزْ

ক্রিয়া১ বার

  1. ৩৬:১৪

    اِذۡ اَرۡسَلۡنَاۤ اِلَيۡهِمُ اثۡنَيۡنِ فَكَذَّبُوۡهُمَا فَعَزَّزۡنَا بِثَالِثٍ فَقَالُـوۡۤا اِنَّاۤ اِلَيۡكُمۡ مُّرۡسَلُوۡنَ‏

    যখন আমরা তাদের কাছে দুজনকে প্রেরণ করেছিলাম, তখন তারা ওই দু'জনকে মিথ্যাবাদী বলল। এরপর আমরা একজন তৃতীয় ব্যক্তির মাধ্যমে