মূল অংশে যান
Quranic Study

মূলধাতু ط-غ-ي

কুরআনে ৩৯ বার, ৮টি শব্দরূপে

طَغَى

ক্রিয়া১২ বার

  1. ১১:১১২

    فَاسۡتَقِمۡ كَمَاۤ اُمِرۡتَ وَمَنۡ تَابَ مَعَكَ وَلَا تَطۡغَوۡا​ ؕ اِنَّهٗ بِمَا تَعۡمَلُوۡنَ بَصِيۡرٌ‏

    কাজেই তুমি ও তোমার সাথে যারা আল্লাহর দিকে ফিরে এসেছে, সুদৃঢ় হয়ে থাক যেভাবে তোমাকে আদেশ দেয়া হয়েছে, আর সীমালঙ্ঘন করো না।

  2. ২০:২৪

    اِذۡهَبۡ اِلٰى فِرۡعَوۡنَ اِنَّهٗ طَغٰى‏

    তুমি ফেরাউনের কাছে যাও; নিশ্চয়ই সে সীমা লঙ্ঘন করেছে।

  3. ২০:৪৩

    اِذۡهَبَاۤ اِلٰى فِرۡعَوۡنَ اِنَّهٗ طَغٰى​ ​ۖۚ​​​‏

    তোমরা দুজন ফেরাউনের কাছে যাও; নিশ্চয়ই সে সীমা অতিক্রম করেছে।

  4. ২০:৪৫

    قَالَا رَبَّنَاۤ اِنَّـنَا نَخَافُ اَنۡ يَّفۡرُطَ عَلَيۡنَاۤ اَوۡ اَنۡ يَّطۡغٰى‏ 

    তারা দুজন বলল: হে আমাদের প্রতিপালক, আমরা আশঙ্কা করি যে সে আমাদের ওপর হঠাৎ কঠোর হয়ে উঠবে অথবা সে সীমা অতিক্রম করবে।

  5. ২০:৮১

    كُلُوۡا مِنۡ طَيِّبٰتِ مَا رَزَقۡنٰكُمۡ وَلَا تَطۡغَوۡا فِيۡهِ فَيَحِلَّ عَلَيۡكُمۡ غَضَبِىۡ​ۚ وَمَنۡ يَّحۡلِلۡ عَلَيۡهِ غَضَبِىۡ فَقَدۡ هَوٰى‏

    আমরা তোমাদের যে পবিত্র ও উত্তম রিযিক দিয়েছি তা থেকে খাও, কিন্তু এতে সীমা লঙ্ঘন করো না। তাহলে আমার শাস্তিমূলক ক্রোধ

  6. ৫৩:১৭

    مَا زَاغَ الۡبَصَرُ وَمَا طَغٰى‏

    দৃষ্টি বিচ্যুত হয়নি এবং সীমা অতিক্রমও করেনি।

  7. ৫৫:৮

    اَلَّا تَطۡغَوۡا فِى الۡمِيۡزَانِ‏

    যাতে তোমরা সেই মানদন্ডে সীমালঙ্ঘন না করো।

  8. ৬৯:১১

    اِنَّا لَمَّا طَغَا الۡمَآءُ حَمَلۡنٰكُمۡ فِى الۡجَارِيَةِ ۙ‏

    নিশ্চয়ই, যখন পানি তার কুলের সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছিল, তখন আমরা তোমাদের চলমান নৌযানের মধ্যে বহন করেছিলাম।

  9. ৭৯:১৭

    اِذۡهَبۡ اِلٰى فِرۡعَوۡنَ اِنَّهٗ طَغٰى ۖ‏

    ‘ফিরআউনের কাছে যাও; সে তো সীমালঙ্ঘন করেছে।’

  10. ৭৯:৩৭

    فَاَمَّا مَنۡ طَغٰىۙ‏

    অতঃপর যে ব্যক্তি সীমা অতিক্রম করেছে,

  11. ৮৯:১১

    الَّذِيۡنَ طَغَوۡا فِى الۡبِلَادِۙ‏

    যারা বিভিন্ন অঞ্চলে সীমালঙ্ঘন করেছিল।

  12. ৯৬:৬

    كَلَّاۤ اِنَّ الۡاِنۡسَانَ لَيَطۡغٰٓىۙ‏

    কখনো নয়, নিশ্চয়ই মানুষ সীমা অতিক্রম করে।

طُغْيان

their transgression / rebellion / transgression

বিশেষ্য৯ বার

  1. ২:১৫

    اَللّٰهُ يَسۡتَهۡزِئُ بِهِمۡ وَيَمُدُّهُمۡ فِىۡ طُغۡيَانِهِمۡ يَعۡمَهُوۡنَ‏ 

    আল্লাহ তাদের প্রতি উপহাস করেন এবং তাদেরকে তাদের অবাধ্যতায় বিভ্রান্ত হয়ে ঘোরার অবকাশ দেন।

  2. ৫:৬৪

    وَقَالَتِ الۡيَهُوۡدُ يَدُ اللّٰهِ مَغۡلُوۡلَةٌ​ ؕ غُلَّتۡ اَيۡدِيۡهِمۡ وَلُعِنُوۡا بِمَا قَالُوۡا​ ۘ بَلۡ يَدٰهُ مَبۡسُوۡطَتٰنِ ۙ يُنۡفِقُ كَيۡفَ يَشَآءُ​ ؕ وَلَيَزِيۡدَنَّ كَثِيۡرًا مِّنۡهُمۡ مَّاۤ اُنۡزِلَ اِلَيۡكَ مِنۡ رَّبِّكَ طُغۡيَانًا وَّكُفۡرًا​ ؕ وَاَ لۡقَيۡنَا بَيۡنَهُمُ الۡعَدَاوَةَ وَالۡبَغۡضَآءَ اِلٰى يَوۡمِ الۡقِيٰمَةِ​ ؕ كُلَّمَاۤ اَوۡقَدُوۡا نَارًا لِّلۡحَرۡبِ اَطۡفَاَهَا اللّٰهُ​ ۙ وَيَسۡعَوۡنَ فِى الۡاَرۡضِ فَسَادًا​ ؕ وَاللّٰهُ لَا يُحِبُّ الۡمُفۡسِدِيۡنَ‏

    আর ইয়াহুদীরা বলে: “আল্লাহর হাত বাঁধা।”(কৃপণতা অর্থে) প্রকৃতপক্ষে তাদের হাতই বাঁধা এবং তারা যা বলেছে তার কারণে তারা

  3. ৫:৬৮

    قُلۡ يٰۤـاَهۡلَ الۡـكِتٰبِ لَسۡتُمۡ عَلٰى شَىۡءٍ حَتّٰى تُقِيۡمُوا التَّوۡرٰٮةَ وَالۡاِنۡجِيۡلَ وَمَاۤ اُنۡزِلَ اِلَيۡكُمۡ مِّنۡ رَّبِّكُمۡ​ ؕ وَلَيَزِيۡدَنَّ كَثِيۡرًا مِّنۡهُمۡ مَّاۤ اُنۡزِلَ اِلَيۡكَ مِنۡ رَّبِّكَ طُغۡيَانًا وَّكُفۡرًا​ۚ فَلَا تَاۡسَ عَلَى الۡقَوۡمِ الۡكٰفِرِيۡنَ‏

    বল: হে বিধানপ্রাপ্তরা, তোমরা কোনো বিষয়ে সত্যিকারের দায়িত্বে নও, যতক্ষণ না তোমরা তওরাত, ইঞ্জিল এবং তোমাদের পালনকর্তার

  4. ৬:১১০

    وَنُقَلِّبُ اَفۡـــِٕدَتَهُمۡ وَاَبۡصَارَهُمۡ كَمَا لَمۡ يُؤۡمِنُوۡا بِهٖۤ اَوَّلَ مَرَّةٍ وَّنَذَرُهُمۡ فِىۡ طُغۡيَانِهِمۡ يَعۡمَهُوۡنَ‏

    আর আমরা তাদের অন্তর ও দৃষ্টি উল্টে দিই, যেমন তারা প্রথমবার এতে ঈমান আনেনি। এবং আমরা তাদেরকে তাদের সীমালঙ্ঘনের মধ্যে

  5. ৭:১৮৬

    مَنۡ يُّضۡلِلِ اللّٰهُ فَلَا هَادِىَ لَهٗ ​ؕ وَ يَذَرُهُمۡ فِىۡ طُغۡيَانِهِمۡ يَعۡمَهُوۡنَ‏

    আল্লাহ যাকে পথভ্রষ্ট করেন, অতঃপর তার জন্য কোন পথ প্রদর্শক নেই। তিনি তাদের তাদের অবাধ্য আচরণের মাঝে ছেড়ে দেন, ফলে তারা

  6. ১০:১১

    ۞ وَلَوۡ يُعَجِّلُ اللّٰهُ لِلنَّاسِ الشَّرَّ اسۡتِعۡجَالَهُمۡ بِالۡخَيۡرِ لَـقُضِىَ اِلَيۡهِمۡ اَجَلُهُمۡ​ؕ فَنَذَرُ الَّذِيۡنَ لَا يَرۡجُوۡنَ لِقَآءَنَا فِىۡ طُغۡيَانِهِمۡ يَعۡمَهُوۡنَ‏

    যদি আল্লাহ মানুষদের অকল্যাণ ত্বরান্বিত করতে চাইতেন, যেমনটি তারা মঙ্গলের জন্য তাড়াহুড়া করত, তাহলে তাদের নির্দিষ্ট মিয়াদ

  7. ১৭:৬০

    وَاِذۡ قُلۡنَا لَـكَ اِنَّ رَبَّكَ اَحَاطَ بِالنَّاسِ​ ؕ وَمَا جَعَلۡنَا الرُّءۡيَا الَّتِىۡۤ اَرَيۡنٰكَ اِلَّا فِتۡنَةً لِّلنَّاسِ وَ الشَّجَرَةَ الۡمَلۡعُوۡنَةَ فِى الۡقُرۡاٰنِ​ ؕ وَنُخَوِّفُهُمۡۙ فَمَا يَزِيۡدُهُمۡ اِلَّا طُغۡيَانًا كَبِيۡرًا‏ 

    আর যখন আমরা তোমাকে বলেছিলাম, নিশ্চয় তোমার পালনকর্তা মানুষের ওপর পূর্ণভাবে পরিবেষ্টনকারী (অর্থাৎ সবকিছু নিয়ন্ত্রণকারী)।

  8. ১৮:৮০

    وَاَمَّا الۡغُلٰمُ فَكَانَ اَبَوٰهُ مُؤۡمِنَيۡنِ فَخَشِيۡنَاۤ اَنۡ يُّرۡهِقَهُمَا طُغۡيَانًا وَّكُفۡرًا​ۚ‏

    আর সেই বালকটির ব্যাপার হলো, তার বাবা-মা উভয়ই ছিলেন বিশ্বাসী; তাই আমরা আশঙ্কা করেছিলাম যে সে তাদের দুজনকে এমন কষ্ট দেবে,

  9. ২৩:৭৫

    ۞ وَلَوۡ رَحِمۡنٰهُمۡ وَكَشَفۡنَا مَا بِهِمۡ مِّنۡ ضُرٍّ لَّـلَجُّوۡا فِىۡ طُغۡيَانِهِمۡ يَعۡمَهُوۡنَ‏

    আর যদি আমরা তাদের প্রতি দয়া করতাম এবং তাদের যে কষ্ট ছিল তা দূরও করে দিতাম, তবুও তারা নিজেদের সীমালঙ্ঘনমূলক আচরণেই

طاغُوت

তাগুত / তাগুতের / অসত্য দেবতার

বিশেষ্য৮ বার

  1. ২:২৫৬

    لَاۤ اِكۡرَاهَ فِى الدِّيۡنِ​ۙ  قَد تَّبَيَّنَ الرُّشۡدُ مِنَ الۡغَىِّ​ۚ فَمَنۡ يَّكۡفُرۡ بِالطَّاغُوۡتِ وَيُؤۡمِنۡۢ بِاللّٰهِ فَقَدِ اسۡتَمۡسَكَ بِالۡعُرۡوَةِ الۡوُثۡقٰى لَا انْفِصَامَ لَهَا​​ ؕ وَاللّٰهُ سَمِيۡعٌ عَلِيۡمٌ‏

    আল্লাহর মনোনীত জীবনব্যবস্থায় জবরদস্তি নেই। সত্য পথ সুস্পষ্ট হয়েছে ভ্রান্ত পথ থেকে। অতএব যে কেউ তাগুতকে (মিথ্যা

  2. ২:২৫৭

    اَللّٰهُ وَلِىُّ الَّذِيۡنَ اٰمَنُوۡا يُخۡرِجُهُمۡ مِّنَ الظُّلُمٰتِ اِلَى النُّوۡرِ​ؕ  وَالَّذِيۡنَ كَفَرُوۡۤا اَوۡلِيٰٓـــُٔهُمُ الطَّاغُوۡتُۙ يُخۡرِجُوۡنَهُمۡ مِّنَ النُّوۡرِ اِلَى الظُّلُمٰتِ​ؕ اُولٰٓٮِٕكَ اَصۡحٰبُ النَّارِ​​ۚ هُمۡ فِيۡهَا خٰلِدُوۡنَ‏

    যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে, তাদের অভিভাবক আল্লাহ, তিনি তাদের অন্ধকার থেকে আলোর দিকে বের করে আনেন। আর যারা অবিশ্বাসী

  3. ৪:৫১

    اَلَمۡ تَرَ اِلَى الَّذِيۡنَ اُوۡتُوۡا نَصِيۡبًا مِّنَ الۡكِتٰبِ يُؤۡمِنُوۡنَ بِالۡجِبۡتِ وَالطَّاغُوۡتِ وَيَقُوۡلُوۡنَ لِلَّذِيۡنَ كَفَرُوۡا هٰٓؤُلَۤاءِ اَهۡدٰى مِنَ الَّذِيۡنَ اٰمَنُوۡا سَبِيۡلًا‏

    তুমি কি দেখ না, যাদেরকে কিতাবের একটি অংশ দেওয়া হয়েছিল, তারা জিবত (ভ্রান্ত অলৌকিক বিশ্বাস ও অপদেবতার ধারণা) ও তাগুতের

  4. ৪:৬০

    اَلَمۡ تَرَ اِلَى الَّذِيۡنَ يَزۡعُمُوۡنَ اَنَّهُمۡ اٰمَنُوۡا بِمَاۤ اُنۡزِلَ اِلَيۡكَ وَمَاۤ اُنۡزِلَ مِنۡ قَبۡلِكَ يُرِيۡدُوۡنَ اَنۡ يَّتَحَاكَمُوۡۤا اِلَى الطَّاغُوۡتِ وَقَدۡ اُمِرُوۡۤا اَنۡ يَّكۡفُرُوۡا بِهٖ ؕ وَيُرِيۡدُ الشَّيۡـطٰنُ اَنۡ يُّضِلَّهُمۡ ضَلٰلًاۢ بَعِيۡدًا‏

    তুমি কি তাদের দিকে লক্ষ্য করনি, যারা দাবি করে যে তারা তোমার প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছে এবং তোমার আগেও যা অবতীর্ণ হয়েছে

  5. ৪:৭৬

    اَلَّذِيۡنَ اٰمَنُوۡا يُقَاتِلُوۡنَ فِىۡ سَبِيۡلِ اللّٰهِ​​ ۚ وَالَّذِيۡنَ كَفَرُوۡا يُقَاتِلُوۡنَ فِىۡ سَبِيۡلِ الطَّاغُوۡتِ فَقَاتِلُوۡۤا اَوۡلِيَآءَ الشَّيۡطٰنِ​ۚ اِنَّ كَيۡدَ الشَّيۡطٰنِ كَانَ ضَعِيۡفًا‏

    যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে, তারা আল্লাহর পথে সংগ্রাম করে, আর যারা অবিশ্বাসী তারা সংগ্রাম করে তাগুতের পথে। অতএব তোমরা

  6. ৫:৬০

    قُلۡ هَلۡ اُنَـبِّئُكُمۡ بِشَرٍّ مِّنۡ ذٰ لِكَ مَثُوۡبَةً عِنۡدَ اللّٰهِ​ ؕ مَنۡ لَّعَنَهُ اللّٰهُ وَغَضِبَ عَلَيۡهِ وَجَعَلَ مِنۡهُمُ الۡقِرَدَةَ وَالۡخَـنَازِيۡرَ وَعَبَدَ الطَّاغُوۡتَ​ ؕ اُولٰٓٮِٕكَ شَرٌّ مَّكَانًا وَّاَضَلُّ عَنۡ سَوَآءِ السَّبِيۡلِ‏ 

    বল: আমি কি তোমাদের জানাব আল্লাহর কাছে প্রতিদান হিসেবে এর চেয়েও অধিক নিকৃষ্ট বিষয়ে? তারা হলো যাদেরকে আল্লাহ তাঁর দয়া হতে

  7. ১৬:৩৬

    وَلَـقَدۡ بَعَثۡنَا فِىۡ كُلِّ اُمَّةٍ رَّسُوۡلًا اَنِ اعۡبُدُوا اللّٰهَ وَاجۡتَنِبُوا الطَّاغُوۡتَ​ۚ فَمِنۡهُمۡ مَّنۡ هَدَى اللّٰهُ وَمِنۡهُمۡ مَّنۡ حَقَّتۡ عَلَيۡهِ الضَّلٰلَةُ​ ؕ فَسِيۡرُوۡا فِىۡ الۡاَرۡضِ فَانْظُرُوۡا كَيۡفَ كَانَ عَاقِبَةُ الۡمُكَذِّبِيۡنَ‏ 

    নিশ্চয়ই আমরা প্রতিটি জাতির মধ্যেই রাসূল প্রেরণ করেছি এই নির্দেশ দিয়ে যে, ‘তোমরা আল্লাহর দাসত্বত করো এবং তাগুত থেকে দূরে

  8. ৩৯:১৭

    وَالَّذِيۡنَ اجۡتَنَـبُـوا الطَّاغُوۡتَ اَنۡ يَّعۡبُدُوۡهَا وَاَنَابُوۡۤا اِلَى اللّٰهِ لَهُمُ الۡبُشۡرٰى​ ۚ فَبَشِّرۡ عِبَادِ ۙ‏

    আর যারা তাগূতকে এড়িয়ে চলে, তার দাসত্ব করা থেকে দূরে থাকে এবং আল্লাহর দিকে ফিরে আসে, তাদের জন্য সুসংবাদ রয়েছে। অতএব আমার

طاغي

transgressing / transgressors

বিশেষ্য৬ বার

  1. ৩৭:৩০

    وَمَا كَانَ لَنَا عَلَيۡكُمۡ مِّنۡ سُلۡطٰنِ​ۚ بَلۡ كُنۡتُمۡ قَوۡمًا طٰغِيۡنَ‏ 

    “আমাদের তোমাদের ওপর কোনো ক্ষমতা ছিল না। বরং তোমরাই ছিলে সীমা অতিক্রমকারী এক জনগোষ্ঠী।”

  2. ৩৮:৫৫

    هٰذَا​ ؕ وَاِنَّ لِلطّٰغِيۡنَ لَشَرَّ مَاٰبٍ ۙ‏

    এটাই। আর নিশ্চয় সীমালংঘনকারীদের জন্য রয়েছে নিকৃষ্টতম প্রত্যাবর্তনস্থল---

  3. ৫১:৫৩

    اَتَوَاصَوۡا بِهٖ​ۚ بَلۡ هُمۡ قَوۡمٌ طَاغُوۡنَ​ۚ‏

    তারা কি একে অপরকে এ বিষয়ে উপদেশ দিয়েছিল? বরং তারা ছিল সীমা অতিক্রমকারী এক জাতি।

  4. ৫২:৩২

    اَمۡ تَاۡمُرُهُمۡ اَحۡلَامُهُمۡ بِهٰذَآ​ اَمۡ هُمۡ قَوۡمٌ طَاغُوۡنَ​ۚ‏

    নাকি তাদের বিবেচনাশক্তি তাদেরকে এ নির্দেশ দেয়? নাকি তারা সীমালঙ্ঘনকারী সম্প্রদায়?

  5. ৬৮:৩১

    قَالُوۡا يٰوَيۡلَنَاۤ اِنَّا كُنَّا طٰغِيۡنَ‏

    তারা বলল: ‘হায় আমাদের দুর্ভোগ! নিশ্চয়ই আমরা সীমালঙ্ঘনকারী ছিলাম।’

  6. ৭৮:২২

    لِّلطّٰغِيۡنَ مَاٰبًا ۙ‏

    সীমালঙ্ঘনকারীদের জন্য একটি প্রত্যাবর্তনস্থল।

أَطْغَى

বিশেষ্য১ বার

  1. ৫৩:৫২

    وَقَوۡمَ نُوۡحٍ مِّنۡ قَبۡلُ​ؕ اِنَّهُمۡ كَانُوۡا هُمۡ اَظۡلَمَ وَاَطۡغٰىؕ‏ 

    এবং এর আগে নূহের জাতিকেও; নিশ্চয়ই তারাই ছিল অধিক অন্যায়কারী এবং অধিক সীমালঙ্ঘনকারী।

أَطْغَيْ

তাকে আমি অবাধ্য করি

ক্রিয়া১ বার

  1. ৫০:২৭

    ۞ قَالَ قَرِيۡنُهٗ رَبَّنَا مَاۤ اَطۡغَيۡتُهٗ وَلٰـكِنۡ كَانَ فِىۡ ضَلٰلٍۢ بَعِيۡدٍ‏ 

    তার সঙ্গী (শয়তান) বলবে: ‘হে আমাদের প্রতিপালক! আমি তাকে অবাধ্য হতে প্ররোচিত করিনি। বরং সে নিজেই ছিল সুদূর পথভ্রষ্টতার

طاغِيَة

বিশেষ্য১ বার

  1. ৬৯:৫

    فَاَمَّا ثَمُوۡدُ فَاُهۡلِكُوۡا بِالطَّاغِيَةِ‏

    অতঃপর সামূদকে সেই সীমা-অতিক্রমকারী বিষয় দ্বারা ধ্বংস করা হয়েছিল।

طَغْوَى

বিশেষ্য১ বার

  1. ৯১:১১

    كَذَّبَتۡ ثَمُوۡدُ بِطَغۡوٰٮهَآ ۙ‏

    সামূদ তার সীমালঙ্ঘনের কারণে মিথ্যারোপ করেছিল,