মূলধাতু ع-ز-ز
কুরআনে ১২০ বার, ৮টি শব্দরূপে
عَزِيز
পরাক্রমশালী
বিশেষ্য১০১ বার
- ২৬:৬৮
وَاِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ الۡعَزِيۡزُ الرَّحِيۡمُ
আর নিশ্চই তোমার প্রতিপালক, যিনি অবশ্যই পরাক্রমশালী পরম দয়ালু।
- ২৬:১০৪
وَاِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ الۡعَزِيۡزُ الرَّحِيۡمُ
আর নিশ্চই তোমার প্রতিপালক, যিনি অবশ্যই পরাক্রমশালী পরম দয়ালু।
- ২৬:১২২
وَ اِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ الۡعَزِيۡزُ الرَّحِيۡمُ
আর নিশ্চই তোমার প্রতিপালক, তিনি তো পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।
- ২৬:১৪০
وَاِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ الۡعَزِيۡزُ الرَّحِيۡمُ
আর নিশ্চই তোমার প্রতিপালক, তিনি তো পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।
- ২৬:১৫৯
وَاِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ الۡعَزِيۡزُ الرَّحِيۡمُ
আর নিশ্চই তোমার প্রতিপালক, তিনি তো পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।
- ২৬:১৭৫
وَاِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ الۡعَزِيۡزُ الرَّحِيۡمُ
আর নিশ্চই তোমার প্রতিপালক, তিনি তো পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।
- ২৬:১৯১
وَاِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ الۡعَزِيۡزُ الرَّحِيۡمُ
আর নিশ্চই তোমার প্রতিপালক, তিনি তো পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।
- ২৬:২১৭
وَتَوَكَّلۡ عَلَى الۡعَزِيۡزِ الرَّحِيۡمِۙ
এবং পরাক্রমশালী ও দয়ালু সত্তার উপর নির্ভর করো।
- ২৭:৯
يٰمُوۡسٰۤى اِنَّـهٗۤ اَنَا اللّٰهُ الۡعَزِيۡزُ الۡحَكِيۡمُۙ
হে মূসা! নিশ্চয়ই আমি আল্লাহ, মহাপরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাবান।
- ২৭:৩৪
قَالَتۡ اِنَّ الۡمُلُوۡكَ اِذَا دَخَلُوۡا قَرۡيَةً اَفۡسَدُوۡهَا وَجَعَلُوۡۤا اَعِزَّةَ اَهۡلِهَاۤ اَذِلَّةً ۚ وَكَذٰلِكَ يَفۡعَلُوۡنَ
সে (রাণী) বলল: ‘নিশ্চয়ই রাজারা যখন কোনো শহরে প্রবেশ করে, তারা সেটিকে ধ্বংস করে দেয় এবং সেখানকার সম্মানিত লোকদের অপমানিত
- ২৭:৭৮
اِنَّ رَبَّكَ يَقۡضِىۡ بَيۡنَهُمۡ بِحُكۡمِهٖۚ وَهُوَ الۡعَزِيۡزُ الۡعَلِيۡمُ ۙۚ
নিশ্চয়ই তোমার প্রতিপালক তাঁর প্রজ্ঞা অনুযায়ী তাদের মাঝে মিমাংসা করে দেবেন। এবং তিনি পরাক্রমশালী, সর্বজ্ঞ।
- ২৯:২৬
۞ فَاٰمَنَ لَهٗ لُوۡطٌۘ وَقَالَ اِنِّىۡ مُهَاجِرٌ اِلٰى رَبِّىۡ ؕ اِنَّهٗ هُوَ الۡعَزِيۡزُ الۡحَكِيۡمُ
অতঃপর লূত তাঁর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করল এবং বলল: নিশ্চয়ই আমি আমার প্রতিপালকের উদ্দেশ্যে দেশ ত্যাগ করছি। নিশ্চয়ই তিনিই
- ২৯:৪২
اِنَّ اللّٰهَ يَعۡلَمُ مَا يَدۡعُوۡنَ مِنۡ دُوۡنِهٖ مِنۡ شَىۡءٍؕ وَهُوَ الۡعَزِيۡزُ الۡحَكِيۡمُ
নিশ্চই আল্লাহ তাদেরকে জানেন তাঁকে ছাড়া যাদেরকে ওরা ডাকে; আর তিনি মহা পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।
- ৩০:৫
بِنَصۡرِ اللّٰهِؕ يَنۡصُرُ مَنۡ يَّشَآءُ ؕ وَهُوَ الۡعَزِيۡزُ الرَّحِيۡمُۙ
আল্লাহর সাহায্যে। যে চায়, তিনি তাকে সাহায্য করেন। আর তিনি মহাপরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।
- ৩০:২৭
وَهُوَ الَّذِىۡ يَـبۡدَؤُا الۡخَـلۡقَ ثُمَّ يُعِيۡدُهٗ وَهُوَ اَهۡوَنُ عَلَيۡهِؕ وَلَهُ الۡمَثَلُ الۡاَعۡلٰى فِى السَّمٰوٰتِ وَالۡاَرۡضِۚ وَهُوَ الۡعَزِيۡزُ الۡحَكِيۡمُ
আর তিনিই যিনি সৃষ্টি সূচনা করেন, তারপর তিনি এর পুনরাবৃত্তি করবেন; আর এটি তাঁর জন্য আরও সহজ। আর আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে
- ৩১:৯
خٰلِدِيۡنَ فِيۡهَا ؕ وَعۡدَ اللّٰهِ حَقًّا ؕ وَهُوَ الۡعَزِيۡزُ الۡحَكِيۡمُ
সেখানে তারা চিরস্থায়ী হবে। আল্লাহর প্রতিশ্রুতি সত্য। আর তিনিই পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।
- ৩১:২৭
وَلَوۡ اَنَّ مَا فِى الۡاَرۡضِ مِنۡ شَجَرَةٍ اَقۡلَامٌ وَّالۡبَحۡرُ يَمُدُّهٗ مِنۡۢ بَعۡدِهٖ سَبۡعَةُ اَبۡحُرٍ مَّا نَفِدَتۡ كَلِمٰتُ اللّٰهِؕ اِنَّ اللّٰهَ عَزِيۡزٌ حَكِيۡمٌ
পৃথিবীর সমস্ত গাছ যদি কলম হয় এবং এই যে সমুদ্র, এর সাথে যদি আরও সাতটি সমুদ্র যুক্ত হয়ে কালি হয় তবুও আল্লাহর কথা নিঃশেষ
- ৩২:৬
ذٰلِكَ عٰلِمُ الۡغَيۡبِ وَالشَّهَادَةِ الۡعَزِيۡزُ الرَّحِيۡمُۙ
তিনিই অদৃশ্য ও দৃশ্যমান সবকিছুর জ্ঞাতা, পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।
- ৩৩:২৫
وَرَدَّ اللّٰهُ الَّذِيۡنَ كَفَرُوۡا بِغَيۡظِهِمۡ لَمۡ يَنَالُوۡا خَيۡرًا ؕ وَكَفَى اللّٰهُ الۡمُؤۡمِنِيۡنَ الۡقِتَالَ ؕ وَكَانَ اللّٰهُ قَوِيًّا عَزِيۡزًا ۚ
আর আল্লাহ অস্বীকারকারীদের তাদের নিজেদের তীব্র ক্ষোভসহ ফিরিয়ে দিলেন; তারা কোনো লাভ বা কল্যাণ অর্জন করতে পারেনি। আর
- ৩৪:৬
وَيَرَى الَّذِيۡنَ اُوۡتُوا الۡعِلۡمَ الَّذِىۡۤ اُنۡزِلَ اِلَيۡكَ مِنۡ رَّبِّكَ هُوَ الۡحَـقَّ ۙ وَيَهۡدِىۡۤ اِلٰى صِرَاطِ الۡعَزِيۡزِ الۡحَمِيۡدِ
আর যাদের জ্ঞান দেওয়া হয়েছে, তারা দেখে (বা উপলব্ধি করে) যে তোমার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল করা
عِزَّة
Honor
বিশেষ্য১১ বার
- ২:২০৬
وَاِذَا قِيۡلَ لَهُ اتَّقِ اللّٰهَ اَخَذَتۡهُ الۡعِزَّةُ بِالۡاِثۡمِ فَحَسۡبُهٗ جَهَنَّمُؕ وَلَبِئۡسَ الۡمِهَادُ
আর যখন তাকে বলা হয়, “আল্লাহকে ভয় করো,” তখন পাপের সঙ্গে যুক্ত অহংকার তাকে আচ্ছন্ন করে ফেলে। অতএব তার জন্য জাহান্নামই
- ৪:১৩৯
الَّذِيۡنَ يَتَّخِذُوۡنَ الۡـكٰفِرِيۡنَ اَوۡلِيَآءَ مِنۡ دُوۡنِ الۡمُؤۡمِنِيۡنَ ؕ اَيَبۡتَغُوۡنَ عِنۡدَهُمُ الۡعِزَّةَ فَاِنَّ الۡعِزَّةَ لِلّٰهِ جَمِيۡعًا ؕ
যারা বিশ্বাসীদেরকে বাদ দিয়ে অবিশ্বাসীদেরকে নিজেদের অভিভাবক (আশ্রয় ও কর্তৃত্বের উৎস) হিসেবে গ্রহণ করে, তারা কি তাদের
- ৪:১৩৯
الَّذِيۡنَ يَتَّخِذُوۡنَ الۡـكٰفِرِيۡنَ اَوۡلِيَآءَ مِنۡ دُوۡنِ الۡمُؤۡمِنِيۡنَ ؕ اَيَبۡتَغُوۡنَ عِنۡدَهُمُ الۡعِزَّةَ فَاِنَّ الۡعِزَّةَ لِلّٰهِ جَمِيۡعًا ؕ
যারা বিশ্বাসীদেরকে বাদ দিয়ে অবিশ্বাসীদেরকে নিজেদের অভিভাবক (আশ্রয় ও কর্তৃত্বের উৎস) হিসেবে গ্রহণ করে, তারা কি তাদের
- ১০:৬৫
وَلَا يَحۡزُنۡكَ قَوۡلُهُمۡۘ اِنَّ الۡعِزَّةَ لِلّٰهِ جَمِيۡعًا ؕ هُوَ السَّمِيۡعُ الۡعَلِيۡمُ
তাদের কথা যেন তোমাকে দুঃখিত না করে। নিশ্চয়ই সমস্ত গৌরব আল্লাহরই। তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।
- ২৬:৪৪
فَاَلۡقَوۡا حِبَالَهُمۡ وَعِصِيَّهُمۡ وَقَالُوۡا بِعِزَّةِ فِرۡعَوۡنَ اِنَّا لَـنَحۡنُ الۡغٰلِبُوۡنَ
অতঃপর তারা তাদের দড়ি ও লাঠিগুলো নিক্ষেপ করল এবং বলল: ‘ফিরআউনের প্রতাপের শপথ, নিশ্চয়ই আমরাই বিজয়ী হব।’
- ৩৫:১০
مَنۡ كَانَ يُرِيۡدُ الۡعِزَّةَ فَلِلّٰهِ الۡعِزَّةُ جَمِيۡعًا ؕ اِلَيۡهِ يَصۡعَدُ الۡـكَلِمُ الطَّيِّبُ وَالۡعَمَلُ الصَّالِحُ يَرۡفَعُهٗ ؕ وَ الَّذِيۡنَ يَمۡكُرُوۡنَ السَّيِّاٰتِ لَهُمۡ عَذَابٌ شَدِيۡدٌ ؕ وَمَكۡرُ اُولٰٓٮِٕكَ هُوَ يَبُوۡرُ
যে মর্যাদা কামনা করে, সে জেনে রাখুক—সমস্ত মর্যাদা সম্পূর্ণরূপে আল্লাহরই। তাঁর দিকেই উত্তম বাক্যসমূহ ঊর্ধ্বে ওঠে, আর
- ৩৫:১০
مَنۡ كَانَ يُرِيۡدُ الۡعِزَّةَ فَلِلّٰهِ الۡعِزَّةُ جَمِيۡعًا ؕ اِلَيۡهِ يَصۡعَدُ الۡـكَلِمُ الطَّيِّبُ وَالۡعَمَلُ الصَّالِحُ يَرۡفَعُهٗ ؕ وَ الَّذِيۡنَ يَمۡكُرُوۡنَ السَّيِّاٰتِ لَهُمۡ عَذَابٌ شَدِيۡدٌ ؕ وَمَكۡرُ اُولٰٓٮِٕكَ هُوَ يَبُوۡرُ
যে মর্যাদা কামনা করে, সে জেনে রাখুক—সমস্ত মর্যাদা সম্পূর্ণরূপে আল্লাহরই। তাঁর দিকেই উত্তম বাক্যসমূহ ঊর্ধ্বে ওঠে, আর
- ৩৭:১৮০
سُبۡحٰنَ رَبِّكَ رَبِّ الۡعِزَّةِ عَمَّا يَصِفُوۡنَۚ
তোমার প্রতিপালক, মহাশক্তির অধিপতি, তারা যা বর্ণনা করে তা থেকে সম্পূর্ণ পবিত্র।
- ৩৮:২
بَلِ الَّذِيۡنَ كَفَرُوۡا فِىۡ عِزَّةٍ وَّشِقَاقٍ
বরং যারা সত্যকে প্রত্যাখ্যান করেছে, তারা অহংকার ও বিরুদ্ধাচরণে লিপ্ত।
- ৩৮:৮২
قَالَ فَبِعِزَّتِكَ لَاُغۡوِيَنَّهُمۡ اَجۡمَعِيۡنَۙ
সে বলল: ”তোমার পরাক্রমের শপথ করে বলছি, আমি অবশ্যই তাদের সকলকে বিপথে পরিচালিত করব।”
- ৬৩:৮
يَقُوۡلُوۡنَ لَٮِٕنۡ رَّجَعۡنَاۤ اِلَى الۡمَدِيۡنَةِ لَيُخۡرِجَنَّ الۡاَعَزُّ مِنۡهَا الۡاَذَلَّ ؕ وَلِلّٰهِ الۡعِزَّةُ وَلِرَسُوۡلِهٖ وَلِلۡمُؤۡمِنِيۡنَ وَلٰـكِنَّ الۡمُنٰفِقِيۡنَ لَا يَعۡلَمُوۡنَ
তারা বলে: ‘যদি আমরা নগরে ফিরে যাই, তবে অবশ্যই অধিক শক্তিশালী ব্যক্তি/পক্ষ সেখান থেকে অধিক দুর্বল ব্যক্তিদেরকে বের করে
أَعَزّ
অধিক শক্তিশালী / অধিক সম্মানিত
বিশেষ্য৩ বার
- ১১:৯২
قَالَ يٰقَوۡمِ اَرَهۡطِىۡۤ اَعَزُّ عَلَيۡكُمۡ مِّنَ اللّٰهِ ؕ وَ اتَّخَذۡتُمُوۡهُ وَرَآءَكُمۡ ظِهۡرِيًّا ؕ اِنَّ رَبِّىۡ بِمَا تَعۡمَلُوۡنَ مُحِيۡطٌ
সে বলল: “হে আমার জাতি! আমার পরিবারবর্গ কি তোমাদের কাছে আল্লাহর চেয়েও বেশি শক্তিশালী হয়ে গেল? তোমরা কি তাঁকে
- ১৮:৩৪
وَكَانَ لَهٗ ثَمَرٌ ۚ فَقَالَ لِصَاحِبِهٖ وَهُوَ يُحَاوِرُهٗۤ اَنَا اَكۡثَرُ مِنۡكَ مَالًا وَّاَعَزُّ نَفَرًا
আর তার ছিল প্রচুর ফলসম্পদ। তখন সে তার সঙ্গীকে, তার সঙ্গে কথোপকথনের সময়, বলল: আমি সম্পদে তোমার চেয়ে বেশি এবং জনবল ও
- ৬৩:৮
يَقُوۡلُوۡنَ لَٮِٕنۡ رَّجَعۡنَاۤ اِلَى الۡمَدِيۡنَةِ لَيُخۡرِجَنَّ الۡاَعَزُّ مِنۡهَا الۡاَذَلَّ ؕ وَلِلّٰهِ الۡعِزَّةُ وَلِرَسُوۡلِهٖ وَلِلۡمُؤۡمِنِيۡنَ وَلٰـكِنَّ الۡمُنٰفِقِيۡنَ لَا يَعۡلَمُوۡنَ
তারা বলে: ‘যদি আমরা নগরে ফিরে যাই, তবে অবশ্যই অধিক শক্তিশালী ব্যক্তি/পক্ষ সেখান থেকে অধিক দুর্বল ব্যক্তিদেরকে বের করে
الْعُزَّى
বিশেষ্য১ বার
- ৫৩:১৯
اَفَرَءَيۡتُمُ اللّٰتَ وَالۡعُزّٰىۙ
তবে কি তোমরা লাত ও উজ্জা সম্পর্কে ভেবে দেখেছ?
تُعِزُّ
ক্রিয়া১ বার
- ৩:২৬
قُلِ اللّٰهُمَّ مٰلِكَ الۡمُلۡكِ تُؤۡتِى الۡمُلۡكَ مَنۡ تَشَآءُ وَتَنۡزِعُ الۡمُلۡكَ مِمَّنۡ تَشَآءُ وَتُعِزُّ مَنۡ تَشَآءُ وَتُذِلُّ مَنۡ تَشَآءُ ؕ بِيَدِكَ الۡخَيۡرُؕ اِنَّكَ عَلٰى كُلِّ شَىۡءٍ قَدِيۡرٌ
তাদেরকে বল: আল্লাহ, সার্বভৌম ক্ষমতার অধিপতি, তুমি যাকে বিশেষ উদ্দেশ্যে মনোনীত কর ক্ষমতা দাও, এবং যার জন্য বিশেষভাবে
عَزَّ
ক্রিয়া১ বার
- ৩৮:২৩
اِنَّ هٰذَاۤ اَخِىۡ لَهٗ تِسۡعٌ وَّتِسۡعُوۡنَ نَعۡجَةً وَّلِىَ نَعۡجَةٌ وَّاحِدَةٌ فَقَالَ اَكۡفِلۡنِيۡهَا وَعَزَّنِىۡ فِى الۡخِطَابِ
নিশ্চয়ই এই ব্যক্তি আমার ভাই। তার নিরানব্বইটি মাদী ভেড়া আছে, আর আমার আছে মাত্র একটি মাদী ভেড়া। তখন সে বলল, ‘এটির
عِزّ
সহায়ক
বিশেষ্য১ বার
- ১৯:৮১
وَاتَّخَذُوۡا مِنۡ دُوۡنِ اللّٰهِ اٰلِهَةً لِّيَكُوۡنُوۡا لَهُمۡ عِزًّا ۙ
আর তারা আল্লাহ ছাড়া অন্য বিধানদাতা গ্রহণ করেছিল, যাতে তারা তাদের জন্য সহায়ক শক্তি হয়।
عَزَّزْ
ক্রিয়া১ বার
- ৩৬:১৪
اِذۡ اَرۡسَلۡنَاۤ اِلَيۡهِمُ اثۡنَيۡنِ فَكَذَّبُوۡهُمَا فَعَزَّزۡنَا بِثَالِثٍ فَقَالُـوۡۤا اِنَّاۤ اِلَيۡكُمۡ مُّرۡسَلُوۡنَ
যখন আমরা তাদের কাছে দুজনকে প্রেরণ করেছিলাম, তখন তারা ওই দু'জনকে মিথ্যাবাদী বলল। এরপর আমরা একজন তৃতীয় ব্যক্তির মাধ্যমে