মূলধাতু ج-ع-ل
কুরআনে ৩৪৬ বার, ২টি শব্দরূপে
جَعَلَ
করা / তৈরি করা, স্থাপন করা / রাখা, কোনো অবস্থায় পরিণত করা, নির্ধারণ করা / দায়িত্ব দেওয়া, রূপান্তরিত করা
ক্রিয়া৩৪০ বার
- ১৭:১২
وَجَعَلۡنَا الَّيۡلَ وَالنَّهَارَ اٰيَتَيۡنِ فَمَحَوۡنَاۤ اٰيَةَ الَّيۡلِ وَجَعَلۡنَاۤ اٰيَةَ النَّهَارِ مُبۡصِرَةً لِّتَبۡتَغُوۡا فَضۡلًا مِّنۡ رَّبِّكُمۡ وَلِتَعۡلَمُوۡا عَدَدَ السِّنِيۡنَ وَالۡحِسَابَؕ وَكُلَّ شَىۡءٍ فَصَّلۡنٰهُ تَفۡصِيۡلًا
আর আমরা রাত ও দিনকে দুটি নিদর্শন হিসেবে স্থাপন করেছি। তারপর রাতের নিদর্শনকে আমরা আচ্ছাদিত করে দিয়েছি এবং দিনের
- ১৭:১৮
مَنۡ كَانَ يُرِيۡدُ الۡعَاجِلَةَ عَجَّلۡنَا لَهٗ فِيۡهَا مَا نَشَآءُ لِمَنۡ نُّرِيۡدُ ثُمَّ جَعَلۡنَا لَهٗ جَهَنَّمَۚ يَصۡلٰٮهَا مَذۡمُوۡمًا مَّدۡحُوۡرًا
যে ব্যক্তি দুনিয়াবী জীবন কামনা করে, আমরা তাকে সেখানে যা ইচ্ছা করি, যার জন্য ইচ্ছা করি, দ্রুতই দিয়ে দিই। তারপর তার জন্য
- ১৭:২২
لَا تَجۡعَلۡ مَعَ اللّٰهِ اِلٰهًا اٰخَرَ فَتَقۡعُدَ مَذۡمُوۡمًا مَّخۡذُوۡلًا
আল্লাহর সাথে অন্য কোনো বিধানদাতা সাব্যস্ত করো না; তাহলে তুমি নিন্দিত ও সাহায্যবঞ্চিত অবস্থায় পড়ে থাকবে।
- ১৭:২৯
وَلَا تَجۡعَلۡ يَدَكَ مَغۡلُوۡلَةً اِلٰى عُنُقِكَ وَلَا تَبۡسُطۡهَا كُلَّ الۡبَسۡطِ فَتَقۡعُدَ مَلُوۡمًا مَّحۡسُوۡرًا
আর তোমার হাতকে গলার সাথে বাঁধা করে রেখো না (অর্থাৎ কৃপণ হয়ো না), আবার একেবারে পুরোপুরি খুলেও দিও না (অর্থাৎ উজাড় করে
- ১৭:৩৩
وَلَا تَقۡتُلُوا النَّفۡسَ الَّتِىۡ حَرَّمَ اللّٰهُ اِلَّا بِالۡحَـقِّ ؕ وَمَنۡ قُتِلَ مَظۡلُوۡمًا فَقَدۡ جَعَلۡنَا لِـوَلِيِّهٖ سُلۡطٰنًا فَلَا يُسۡرِفْ فِّى الۡقَتۡلِ ؕ اِنَّهٗ كَانَ مَنۡصُوۡرًا
আর যে প্রাণকে আল্লাহ সুরক্ষিত করেছেন, ন্যায্য কারণ ছাড়া তাকে হত্যা করো না। আর কেউ অন্যায়ভাবে নিহত হলে, তার অভিভাবকের
- ১৭:৩৯
ذٰ لِكَ مِمَّاۤ اَوۡحٰۤى اِلَيۡكَ رَبُّكَ مِنَ الۡحِكۡمَةِ ؕ وَلَا تَجۡعَلۡ مَعَ اللّٰهِ اِلٰهًا اٰخَرَ فَتُلۡقٰى فِىۡ جَهَنَّمَ مَلُوۡمًا مَّدۡحُوۡرًا
এগুলোই তোমার প্রতিপালক তোমার কাছে প্রজ্ঞার অংশ হিসেবে প্রত্যাদেশের (ওহির) মাধ্যমে জানিয়েছেন। আর আল্লাহর সাথে অন্য কোনো
- ১৭:৪৫
وَاِذَا قَرَاۡتَ الۡقُرۡاٰنَ جَعَلۡنَا بَيۡنَكَ وَبَيۡنَ الَّذِيۡنَ لَا يُؤۡمِنُوۡنَ بِالۡاٰخِرَةِ حِجَابًا مَّسۡتُوۡرًا ۙ
আর যখন তুমি কোরআন পাঠ করো, তখন আমরা তোমার ও যারা পরকাল বিশ্বাস করেনা, তাদের মাঝে এক অদৃশ্য পর্দা স্থাপন করি।
- ১৭:৪৬
وَّجَعَلۡنَا عَلٰى قُلُوۡبِهِمۡ اَكِنَّةً اَنۡ يَّفۡقَهُوۡهُ وَفِىۡۤ اٰذَانِهِمۡ وَقۡرًا ؕ وَاِذَا ذَكَرۡتَ رَبَّكَ فِى الۡقُرۡاٰنِ وَحۡدَهٗ وَلَّوۡا عَلٰٓى اَدۡبَارِهِمۡ نُفُوۡرًا
আর আমরা তাদের হৃদয়ের ওপর এমন এক আবরণ স্থাপন করে দেই যাতে তারা তা বুঝতে না পারে, এবং তাদের কানে দেই বধিরতা। আর যখন তুমি
- ১৭:৬০
وَاِذۡ قُلۡنَا لَـكَ اِنَّ رَبَّكَ اَحَاطَ بِالنَّاسِ ؕ وَمَا جَعَلۡنَا الرُّءۡيَا الَّتِىۡۤ اَرَيۡنٰكَ اِلَّا فِتۡنَةً لِّلنَّاسِ وَ الشَّجَرَةَ الۡمَلۡعُوۡنَةَ فِى الۡقُرۡاٰنِ ؕ وَنُخَوِّفُهُمۡۙ فَمَا يَزِيۡدُهُمۡ اِلَّا طُغۡيَانًا كَبِيۡرًا
আর যখন আমরা তোমাকে বলেছিলাম, নিশ্চয় তোমার পালনকর্তা মানুষের ওপর পূর্ণভাবে পরিবেষ্টনকারী (অর্থাৎ সবকিছু নিয়ন্ত্রণকারী)।
- ১৭:৮০
وَقُلْ رَّبِّ اَدۡخِلۡنِىۡ مُدۡخَلَ صِدۡقٍ وَّ اَخۡرِجۡنِىۡ مُخۡرَجَ صِدۡقٍ وَّاجۡعَلْ لِّىۡ مِنۡ لَّدُنۡكَ سُلۡطٰنًا نَّصِيۡرًا
বল: ”হে আমার প্রতিপালক! আমাকে যেখানেই প্রবেশ করান, তা যেন হয় সৎ ও কল্যাণকর প্রবেশ; এবং যেখান থেকেই বের করেন, তাও যেন হয়
- ১৭:৯৯
۞ اَوَلَمۡ يَرَوۡا اَنَّ اللّٰهَ الَّذِىۡ خَلَقَ السَّمٰوٰتِ وَالۡاَرۡضَ قَادِرٌ عَلٰٓى اَنۡ يَّخۡلُقَ مِثۡلَهُمۡ وَجَعَلَ لَهُمۡ اَجَلًا لَّا رَيۡبَ فِيۡهِ ؕ فَاَبَى الظّٰلِمُوۡنَ اِلَّا كُفُوۡرًا
তারা কি দেখে না যে, আল্লাহ, যিনি আসমানসমূহ ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন, তিনি তাদের অনুরূপ আবার সৃষ্টি করতেও সক্ষম? আর তিনি
- ১৮:১
اَ لۡحَمۡدُ لِلّٰهِ الَّذِىۡۤ اَنۡزَلَ عَلٰى عَبۡدِهِ الۡكِتٰبَ وَلَمۡ يَجۡعَلْ لَّهٗ عِوَجًا ؕ
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি তাঁর দাসের প্রতি লিখিত বিধান অবতীর্ণ করেছেন এবং এতে কোনো প্রকার বক্রতা বা অসংগতি
- ১৮:৭
اِنَّا جَعَلۡنَا مَا عَلَى الۡاَرۡضِ زِيۡنَةً لَّهَا لِنَبۡلُوَهُمۡ اَ يُّهُمۡ اَحۡسَنُ عَمَلًا
পৃথিবীর উপর যা কিছু আছে আমরা সেগুলিকে তাদের জন্য শোভনীয় করেছি, তাদেরকে এই পরীক্ষা করার জন্য যে, তাদের মধ্যে কর্মে কে
- ১৮:৩২
۞ وَاضۡرِبۡ لَهُمۡ مَّثَلًا رَّجُلَيۡنِ جَعَلۡنَا لِاَحَدِهِمَا جَنَّتَيۡنِ مِنۡ اَعۡنَابٍ وَّحَفَفۡنٰهُمَا بِنَخۡلٍ وَّجَعَلۡنَا بَيۡنَهُمَا زَرۡعًا ؕ
আর তাদের কাছে দুই ব্যক্তির এক দৃষ্টান্ত তুলে ধর, তাদের একজনের জন্য আমরা আঙ্গুরের দুটি বাগান স্থাপন করেছিলাম, দুটিকে
- ১৮:৩২
۞ وَاضۡرِبۡ لَهُمۡ مَّثَلًا رَّجُلَيۡنِ جَعَلۡنَا لِاَحَدِهِمَا جَنَّتَيۡنِ مِنۡ اَعۡنَابٍ وَّحَفَفۡنٰهُمَا بِنَخۡلٍ وَّجَعَلۡنَا بَيۡنَهُمَا زَرۡعًا ؕ
আর তাদের কাছে দুই ব্যক্তির এক দৃষ্টান্ত তুলে ধর, তাদের একজনের জন্য আমরা আঙ্গুরের দুটি বাগান স্থাপন করেছিলাম, দুটিকে
- ১৮:৪৮
وَعُرِضُوۡا عَلٰى رَبِّكَ صَفًّا ؕ لَقَدۡ جِئۡتُمُوۡنَا كَمَا خَلَقۡنٰكُمۡ اَوَّلَ مَرَّةٍ ۢ بَلۡ زَعَمۡتُمۡ اَ لَّنۡ نَّجۡعَلَ لَـكُمۡ مَّوۡعِدًا
আর তাদেরকে তোমার প্রতিপালকের সামনে সারিবদ্ধভাবে উপস্থিত করা হবে। (বলা হবে:) নিশ্চয়ই তোমরা আমাদের কাছে এসেছ, যেমন আমরা
- ১৮:৫২
وَيَوۡمَ يَقُوۡلُ نَادُوۡا شُرَكَآءِىَ الَّذِيۡنَ زَعَمۡتُمۡ فَدَعَوۡهُمۡ فَلَمۡ يَسۡتَجِيۡبُوۡا لَهُمۡ وَجَعَلۡنَا بَيۡنَهُمۡ مَّوۡبِقًا
আর যেদিন তিনি বলবেন: ‘তোমরা যাদেরকে আমার অংশীদার মনে করেছিলে, তাদেরকে ডাকো।’ তখন তারা তাদেরকে ডাকবে, কিন্তু তারা কোনো
- ১৮:৫৭
وَمَنۡ اَظۡلَمُ مِمَّنۡ ذُكِّرَ بِاٰيٰتِ رَبِّهٖ فَاَعۡرَضَ عَنۡهَا وَنَسِىَ مَا قَدَّمَتۡ يَدٰهُ ؕ اِنَّا جَعَلۡنَا عَلٰى قُلُوۡبِهِمۡ اَكِنَّةً اَنۡ يَّفۡقَهُوۡهُ وَفِىۡۤ اٰذَانِهِمۡ وَقۡرًا ؕ وَاِنۡ تَدۡعُهُمۡ اِلَى الۡهُدٰى فَلَنۡ يَّهۡتَدُوۡۤا اِذًا اَبَدًا
আর তার চেয়ে বড় অন্যায়কারী কে, যাকে তার পালনকর্তার নিদর্শনসমূহ দ্বারা স্মরণ করিয়ে দেয়া হয়েছে, তারপর সে তা থেকে মুখ
- ১৮:৫৯
وَتِلۡكَ الۡقُرٰٓى اَهۡلَكۡنٰهُمۡ لَمَّا ظَلَمُوۡا وَجَعَلۡنَا لِمَهۡلِكِهِمۡ مَّوۡعِدًا
আর ঐসব জনপদ, আমরা তাদের ধ্বংস করেছি যখন তারা অন্যায় করেছিল; এবং তাদের ধ্বংসের জন্য আমরা একটি নির্ধারিত সময় স্থির করে
- ১৮:৯০
حَتّٰٓى اِذَا بَلَغَ مَطۡلِعَ الشَّمۡسِ وَجَدَهَا تَطۡلُعُ عَلٰى قَوۡمٍ لَّمۡ نَجۡعَلْ لَّهُمۡ مِّنۡ دُوۡنِهَا سِتۡرًا ۙ
অবশেষে সে যখন সূর্যোদয়ের স্থানে পৌঁছল, সে দেখল সূর্য এমন এক জাতির ওপর উদিত হচ্ছে, যাদের জন্য আমরা সূর্য থেকে কোনো আড়াল
جاعِل
সৃষ্টিকারী / তোমাকে নিয়োগ করব / নিয়োগকারী
বিশেষ্য৬ বার
- ২:৩০
وَاِذۡ قَالَ رَبُّكَ لِلۡمَلٰٓٮِٕكَةِ اِنِّىۡ جَاعِلٌ فِى الۡاَرۡضِ خَلِيۡفَةً ؕ قَالُوۡٓا اَتَجۡعَلُ فِيۡهَا مَنۡ يُّفۡسِدُ فِيۡهَا وَيَسۡفِكُ الدِّمَآءَۚ وَنَحۡنُ نُسَبِّحُ بِحَمۡدِكَ وَنُقَدِّسُ لَـكَؕ قَالَ اِنِّىۡٓ اَعۡلَمُ مَا لَا تَعۡلَمُوۡنَ
এবং যখন তোমার পালনকর্তা মালাইকা/ফেরেশতাদের বলেছিলেন,”নিশ্চয়ই আমি যমীনে প্রতিনিধি সৃষ্টি করছি “ তারা বলল, ‘আপনি কি
- ২:১২৪
۞ وَاِذِ ابۡتَلٰٓى اِبۡرٰهٖمَ رَبُّهٗ بِكَلِمٰتٍ فَاَتَمَّهُنَّ ؕ قَالَ اِنِّىۡ جَاعِلُكَ لِلنَّاسِ اِمَامًا ؕ قَالَ وَمِنۡ ذُرِّيَّتِىۡ ؕ قَالَ لَا يَنَالُ عَهۡدِى الظّٰلِمِيۡنَ
আর (স্মরণ কর), যখন ইবরাহীমকে তাঁর পালনকর্তা কয়েকটি কথা দ্বারা পরীক্ষা করেছিলেন , অতঃপর সে সেগুলো পূর্ণ করেছিল।
- ৩:৫৫
اِذۡ قَالَ اللّٰهُ يٰعِيۡسٰۤى اِنِّىۡ مُتَوَفِّيۡكَ وَرَافِعُكَ اِلَىَّ وَمُطَهِّرُكَ مِنَ الَّذِيۡنَ كَفَرُوۡا وَجَاعِلُ الَّذِيۡنَ اتَّبَعُوۡكَ فَوۡقَ الَّذِيۡنَ كَفَرُوۡۤا اِلٰى يَوۡمِ الۡقِيٰمَةِ ۚ ثُمَّ اِلَىَّ مَرۡجِعُكُمۡ فَاَحۡكُمُ بَيۡنَكُمۡ فِيۡمَا كُنۡتُمۡ فِيۡهِ تَخۡتَلِفُوۡنَ
যখন আল্লাহ বলেছিলেন: “হে ঈসা, নিশ্চয়ই আমি তোমাকে পূর্ণভাবে গ্রহণ করবো, এবং তোমাকে আমার কাছে উঠিয়ে নিব, এবং যারা
- ১৮:৮
وَاِنَّا لَجٰعِلُوۡنَ مَا عَلَيۡهَا صَعِيۡدًا جُرُزًا ؕ
আর নিশ্চয়ই আমরা (পৃথিবীর) এর উপরিস্থিত সবকিছুকে একদিন একেবারে সমতল, শুষ্ক ও উদ্ভিদহীন (বিরান) ভূমিতে পরিণত করব।
- ২৮:৭
وَاَوۡحَيۡنَاۤ اِلٰٓى اُمِّ مُوۡسٰٓى اَنۡ اَرۡضِعِيۡهِۚ فَاِذَا خِفۡتِ عَلَيۡهِ فَاَ لۡقِيۡهِ فِى الۡيَمِّ وَلَا تَخَافِىۡ وَلَا تَحۡزَنِىۡۚ اِنَّا رَآدُّوۡهُ اِلَيۡكِ وَجٰعِلُوۡهُ مِنَ الۡمُرۡسَلِيۡنَ
আর আমরা মূসার মায়ের প্রতি প্রত্যাদেশের মাধ্যমে নির্দেশ দিলাম যে, তুমি তাকে দুধ পান করাও; তারপর যখন তুমি তার বিষয়ে
- ৩৫:১
اَ لۡحَمۡدُ لِلّٰهِ فَاطِرِ السَّمٰوٰتِ وَالۡاَرۡضِ جَاعِلِ الۡمَلٰٓٮِٕكَةِ رُسُلًا اُولِىۡۤ اَجۡنِحَةٍ مَّثۡنٰى وَثُلٰثَ وَرُبٰعَ ؕ يَزِيۡدُ فِى الۡخَـلۡقِ مَا يَشَآءُ ؕ اِنَّ اللّٰهَ عَلٰى كُلِّ شَىۡءٍ قَدِيۡرٌ
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি আকাশসমূহ ও পৃথিবীর আদি স্রষ্টা; যিনি ফেরেশতাদের বার্তাবাহক (দূত) হিসেবে নিযুক্ত করেছেন।