মূলধাতু ر-ب-ب
কুরআনে ৯৮০ বার, ৪টি শব্দরূপে
رَبّ
প্রতিপালক, পালনকর্তা, মালিক বা অধিপতি, যিনি টিকিয়ে রাখেন বা রক্ষণাবেক্ষণ করেন, যিনি লালন-পালন করেন,
বিশেষ্য৯৭৫ বার
- ১৭:৪৬
وَّجَعَلۡنَا عَلٰى قُلُوۡبِهِمۡ اَكِنَّةً اَنۡ يَّفۡقَهُوۡهُ وَفِىۡۤ اٰذَانِهِمۡ وَقۡرًا ؕ وَاِذَا ذَكَرۡتَ رَبَّكَ فِى الۡقُرۡاٰنِ وَحۡدَهٗ وَلَّوۡا عَلٰٓى اَدۡبَارِهِمۡ نُفُوۡرًا
আর আমরা তাদের হৃদয়ের ওপর এমন এক আবরণ স্থাপন করে দেই যাতে তারা তা বুঝতে না পারে, এবং তাদের কানে দেই বধিরতা। আর যখন তুমি
- ১৭:৫৪
رَبُّكُمۡ اَعۡلَمُ بِكُمۡؕ اِنۡ يَّشَاۡ يَرۡحَمۡكُمۡ اَوۡ اِنۡ يَّشَاۡ يُعَذِّبۡكُمۡ ؕ وَمَاۤ اَرۡسَلۡنٰكَ عَلَيۡهِمۡ وَكِيۡلًا
তোমাদের প্রতিপালক তোমাদের সম্পর্কে ভালো জানেন। তিনি উপযুক্ত মনে করলে তোমাদের প্রতি দয়া করবেন অথবা শাস্তি দেবেন। আর আমরা
- ১৭:৫৫
وَرَبُّكَ اَعۡلَمُ بِمَنۡ فِى السَّمٰوٰتِ وَالۡاَرۡضِؕ وَلَقَدۡ فَضَّلۡنَا بَعۡضَ النَّبِيّٖنَ عَلٰى بَعۡضٍ وَّاٰتَيۡنَا دَاوٗدَ زَبُوۡرًا
আর তোমার প্রতিপালক আসমানসমূহ ও পৃথিবীতে যারা আছে তাদের সম্পর্কে সবচেয়ে ভালো জানেন। আর অবশ্যই আমরা নবীদের মধ্যে কাউকে
- ১৭:৫৭
اُولٰۤٮِٕكَ الَّذِيۡنَ يَدۡعُوۡنَ يَبۡتَغُوۡنَ اِلٰى رَبِّهِمُ الۡوَسِيۡلَةَ اَيُّهُمۡ اَقۡرَبُ وَيَرۡجُوۡنَ رَحۡمَتَهٗ وَيَخَافُوۡنَ عَذَابَهٗؕ اِنَّ عَذَابَ رَبِّكَ كَانَ مَحۡذُوۡرًا
যাদের তারা ডাকে, তারাই নিজেরা তাদের প্রতিপালকের নৈকট্যের উপায় খোঁজে, কে বেশি নিকট হতে পারে তা কামনা করে; তারা তাঁর দয়ার
- ১৭:৫৭
اُولٰۤٮِٕكَ الَّذِيۡنَ يَدۡعُوۡنَ يَبۡتَغُوۡنَ اِلٰى رَبِّهِمُ الۡوَسِيۡلَةَ اَيُّهُمۡ اَقۡرَبُ وَيَرۡجُوۡنَ رَحۡمَتَهٗ وَيَخَافُوۡنَ عَذَابَهٗؕ اِنَّ عَذَابَ رَبِّكَ كَانَ مَحۡذُوۡرًا
যাদের তারা ডাকে, তারাই নিজেরা তাদের প্রতিপালকের নৈকট্যের উপায় খোঁজে, কে বেশি নিকট হতে পারে তা কামনা করে; তারা তাঁর দয়ার
- ১৭:৬০
وَاِذۡ قُلۡنَا لَـكَ اِنَّ رَبَّكَ اَحَاطَ بِالنَّاسِ ؕ وَمَا جَعَلۡنَا الرُّءۡيَا الَّتِىۡۤ اَرَيۡنٰكَ اِلَّا فِتۡنَةً لِّلنَّاسِ وَ الشَّجَرَةَ الۡمَلۡعُوۡنَةَ فِى الۡقُرۡاٰنِ ؕ وَنُخَوِّفُهُمۡۙ فَمَا يَزِيۡدُهُمۡ اِلَّا طُغۡيَانًا كَبِيۡرًا
আর যখন আমরা তোমাকে বলেছিলাম, নিশ্চয় তোমার পালনকর্তা মানুষের ওপর পূর্ণভাবে পরিবেষ্টনকারী (অর্থাৎ সবকিছু নিয়ন্ত্রণকারী)।
- ১৭:৬৫
اِنَّ عِبَادِىۡ لَـيۡسَ لَـكَ عَلَيۡهِمۡ سُلۡطٰنٌ ؕ وَكَفٰى بِرَبِّكَ وَكِيۡلًا
নিশ্চয়ই আমার দাসদের উপর তোমার কোন ক্ষমতা নেই; কর্ম বিধায়ক হিসাবে তোমার প্রতিপালকই যথেষ্ট।
- ১৭:৬৬
رَبُّكُمُ الَّذِىۡ يُزۡجِىۡ لَـكُمُ الۡفُلۡكَ فِى الۡبَحۡرِ لِتَبۡتَغُوۡا مِنۡ فَضۡلِهٖؕ اِنَّهٗ كَانَ بِكُمۡ رَحِيۡمًا
তোমাদের (প্রকৃত) প্রতিপালক তো তিনিই, যিনি সমুদ্রে তোমাদের জন্য সুস্থিরভাবে নৌযান পরিচালনা করেন, যাতে তোমরা তাঁর অনুগ্রহ
- ১৭:৭৯
وَمِنَ الَّيۡلِ فَتَهَجَّدۡ بِهٖ نَافِلَةً لَّكَ ۖ عَسٰۤى اَنۡ يَّبۡعَـثَكَ رَبُّكَ مَقَامًا مَّحۡمُوۡدًا
রাত্রির একাংশে এ (কুরআন) দ্বারা ঘুম থেকে জেগে প্রার্থণা কর। এটি তোমার জন্য অতিরিক্ত সাধনা। আশা করা যায় তোমার প্রতিপালক
- ১৭:৮০
وَقُلْ رَّبِّ اَدۡخِلۡنِىۡ مُدۡخَلَ صِدۡقٍ وَّ اَخۡرِجۡنِىۡ مُخۡرَجَ صِدۡقٍ وَّاجۡعَلْ لِّىۡ مِنۡ لَّدُنۡكَ سُلۡطٰنًا نَّصِيۡرًا
বল: ”হে আমার প্রতিপালক! আমাকে যেখানেই প্রবেশ করান, তা যেন হয় সৎ ও কল্যাণকর প্রবেশ; এবং যেখান থেকেই বের করেন, তাও যেন হয়
- ১৭:৮৪
قُلۡ كُلٌّ يَّعۡمَلُ عَلٰى شَاكِلَتِهٖؕ فَرَبُّكُمۡ اَعۡلَمُ بِمَنۡ هُوَ اَهۡدٰى سَبِيۡلًا
বল: প্রত্যেকেই নিজ নিজ স্বভাব এর ধারা অনুযায়ী কাজ করে; আর তোমাদের প্রতিপালকই ভালো জানেন, কে পথের দিক থেকে অধিক সঠিক।
- ১৭:৮৫
وَيَسۡـــَٔلُوۡنَكَ عَنِ الرُّوۡحِ ؕ قُلِ الرُّوۡحُ مِنۡ اَمۡرِ رَبِّىۡ وَمَاۤ اُوۡتِيۡتُمۡ مِّنَ الۡعِلۡمِ اِلَّا قَلِيۡلًا
আর তারা তোমাকে রূহ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। বল: ’রূহ’ হলো আমার প্রতিপালকের আদেশের অন্তর্গত। আর এ বিষয়ে তোমাদেরকে সামান্য
- ১৭:৮৭
اِلَّا رَحۡمَةً مِّنۡ رَّبِّكَ ؕ اِنَّ فَضۡلَهٗ كَانَ عَلَيۡكَ كَبِيۡرًا
তোমার প্রতিপালকের দয়া ছাড়া। নিশ্চই তোমার উপর তাঁর অনুগ্রহ (সত্যিই) বিরাট।
- ১৭:৯৩
اَوۡ يَكُوۡنَ لَـكَ بَيۡتٌ مِّنۡ زُخۡرُفٍ اَوۡ تَرۡقٰى فِى السَّمَآءِ ؕ وَلَنۡ نُّـؤۡمِنَ لِرُقِيِّكَ حَتّٰى تُنَزِّلَ عَلَيۡنَا كِتٰبًا نَّـقۡرَؤُهٗ ؕ قُلۡ سُبۡحَانَ رَبِّىۡ هَلۡ كُنۡتُ اِلَّا بَشَرًا رَّسُوۡلًا
অথবা তোমার জন্য স্বর্ণখচিত একটি ঘর থাকে, কিংবা তুমি আকাশে উঠে যাও; আর আমরা তোমার সেই আরোহনে কখনোই বিশ্বাস করব না,
- ১৭:১০০
قُلْ لَّوۡ اَنۡـتُمۡ تَمۡلِكُوۡنَ خَزَآٮِٕنَ رَحۡمَةِ رَبِّىۡۤ اِذًا لَّاَمۡسَكۡتُمۡ خَشۡيَةَ الۡاِنۡفَاقِ ؕ وَكَانَ الۡاِنۡسَانُ قَتُوۡرًا
বল: যদি তোমরা আমার প্রতিপালকের অনুগ্রহের ভাণ্ডারসমূহের মালিক হতে, তবে ব্যয় হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় নিশ্চয়ই তা ধরে রাখতে; আর
- ১৭:১০২
قَالَ لَقَدۡ عَلِمۡتَ مَاۤ اَنۡزَلَ هٰٓؤُلَاۤءِ اِلَّا رَبُّ السَّمٰوٰتِ وَالۡاَرۡضِ بَصَآٮِٕرَ ۚ وَاِنِّىۡ لَاَظُنُّكَ يٰفِرۡعَوۡنُ مَثۡبُوۡرًا
সে বলছিল: তুমি তো নিশ্চয় জানো, এই নিদর্শনগুলো আসমানসমূহ ও পৃথিবীর প্রতিপালক ছাড়া আর কেউ প্রত্যক্ষ প্রমাণ হিসেবে নাযিল
- ১৭:১০৮
وَّيَقُوۡلُوۡنَ سُبۡحٰنَ رَبِّنَاۤ اِنۡ كَانَ وَعۡدُ رَبِّنَا لَمَفۡعُوۡلًا
আর তারা বলে: ‘আমাদের প্রতিপালক পবিত্র; নিশ্চয়ই আমাদের প্রতিপালকের প্রতিশ্রুতি অবশ্যই বাস্তবায়িত হবে।’
- ১৭:১০৮
وَّيَقُوۡلُوۡنَ سُبۡحٰنَ رَبِّنَاۤ اِنۡ كَانَ وَعۡدُ رَبِّنَا لَمَفۡعُوۡلًا
আর তারা বলে: ‘আমাদের প্রতিপালক পবিত্র; নিশ্চয়ই আমাদের প্রতিপালকের প্রতিশ্রুতি অবশ্যই বাস্তবায়িত হবে।’
- ১৮:১০
اِذۡ اَوَى الۡفِتۡيَةُ اِلَى الۡـكَهۡفِ فَقَالُوۡا رَبَّنَاۤ اٰتِنَا مِنۡ لَّدُنۡكَ رَحۡمَةً وَّهَيِّئۡ لَـنَا مِنۡ اَمۡرِنَا رَشَدًا
যখন সেই যুবকেরা গুহায় আশ্রয় নিল, তখন তারা বলল: ‘হে আমাদের রব, তোমার পক্ষ থেকে আমাদের জন্য অনুগ্রহ দান করো এবং আমাদের
- ১৮:১৩
نَحۡنُ نَقُصُّ عَلَيۡكَ نَبَاَهُمۡ بِالۡحَـقِّؕ اِنَّهُمۡ فِتۡيَةٌ اٰمَنُوۡا بِرَبِّهِمۡ وَزِدۡنٰهُمۡ هُدًىۖ
আমরা তোমার কাছে তাদের সত্য ঘটনা বর্ণনা করছি। নিশ্চয়ই তারা ছিল কয়েকজন যুবক, যারা তাদের প্রতিপালকের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন
رَبّانِيِّن
আল্লাহওয়ালা / রব্বানি
বিশেষ্য৩ বার
- ৩:৭৯
مَا كَانَ لِبَشَرٍ اَنۡ يُّؤۡتِيَهُ اللّٰهُ الۡكِتٰبَ وَالۡحُكۡمَ وَالنُّبُوَّةَ ثُمَّ يَقُوۡلَ لِلنَّاسِ كُوۡنُوۡا عِبَادًا لِّىۡ مِنۡ دُوۡنِ اللّٰهِ وَلٰـكِنۡ كُوۡنُوۡا رَبَّانِيّٖنَ بِمَا كُنۡتُمۡ تُعَلِّمُوۡنَ الۡكِتٰبَ وَبِمَا كُنۡتُمۡ تَدۡرُسُوۡنَۙ
কোনো মানুষের পক্ষে কখনোই শোভন নয় যে আল্লাহ তাকে লিখিত বিধান, প্রজ্ঞা ও নবুয়ত দান করবেন, তারপর সে মানুষকে বলবে:
- ৫:৪৪
اِنَّاۤ اَنۡزَلۡنَا التَّوۡرٰٮةَ فِيۡهَا هُدًى وَّنُوۡرٌ ۚ يَحۡكُمُ بِهَا النَّبِيُّوۡنَ الَّذِيۡنَ اَسۡلَمُوۡا لِلَّذِيۡنَ هَادُوۡا وَ الرَّبَّانِيُّوۡنَ وَالۡاَحۡبَارُ بِمَا اسۡتُحۡفِظُوۡا مِنۡ كِتٰبِ اللّٰهِ وَكَانُوۡا عَلَيۡهِ شُهَدَآءَ ۚ فَلَا تَخۡشَوُا النَّاسَ وَاخۡشَوۡنِ وَلَا تَشۡتَرُوۡا بِاٰيٰتِىۡ ثَمَنًا قَلِيۡلًا ؕ وَمَنۡ لَّمۡ يَحۡكُمۡ بِمَاۤ اَنۡزَلَ اللّٰهُ فَاُولٰٓٮِٕكَ هُمُ الۡكٰفِرُوۡنَ
নিশ্চয়ই আমরা তাওরাত নাযিল করেছি, যার মধ্যে রয়েছে পথনির্দেশ এবং আলো। এর দ্বারা বিচার করতেন নবীগণ, যারা আত্মসমর্পণ
- ৫:৬৩
لَوۡلَا يَنۡهٰٮهُمُ الرَّبَّانِيُّوۡنَ وَالۡاَحۡبَارُ عَنۡ قَوۡلِهِمُ الۡاِثۡمَ وَاَكۡلِهِمُ السُّحۡتَؕ لَبِئۡسَ مَا كَانُوۡا يَصۡنَعُوۡنَ
কেন আল্লাহকেন্দ্রিক জ্ঞানী শিক্ষকগণ (রব্বানী) এবং ধর্মীয় পণ্ডিতগণ তাদেরকে পাপপূর্ণ কথা বলা এবং অবৈধ সম্পদ গ্রাস করা
رَبائِب
বিশেষ্য১ বার
- ৪:২৩
حُرِّمَتۡ عَلَيۡكُمۡ اُمَّهٰتُكُمۡ وَبَنٰتُكُمۡ وَاَخَوٰتُكُمۡ وَعَمّٰتُكُمۡ وَخٰلٰتُكُمۡ وَبَنٰتُ الۡاٰخِ وَبَنٰتُ الۡاُخۡتِ وَاُمَّهٰتُكُمُ الّٰتِىۡۤ اَرۡضَعۡنَكُمۡ وَاَخَوٰتُكُمۡ مِّنَ الرَّضَاعَةِ وَ اُمَّهٰتُ نِسَآٮِٕكُمۡ وَرَبَآٮِٕبُكُمُ الّٰتِىۡ فِىۡ حُجُوۡرِكُمۡ مِّنۡ نِّسَآٮِٕكُمُ الّٰتِىۡ دَخَلۡتُمۡ بِهِنَّ فَاِنۡ لَّمۡ تَكُوۡنُوۡا دَخَلۡتُمۡ بِهِنَّ فَلَا جُنَاحَ عَلَيۡكُمۡ وَحَلَاۤٮِٕلُ اَبۡنَآٮِٕكُمُ الَّذِيۡنَ مِنۡ اَصۡلَابِكُمۡۙ وَاَنۡ تَجۡمَعُوۡا بَيۡنَ الۡاُخۡتَيۡنِ اِلَّا مَا قَدۡ سَلَفَؕ اِنَّ اللّٰهَ كَانَ غَفُوۡرًا رَّحِيۡمًا ۙ
তোমাদের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে:
رِبِّيّ
আল্লাহ ওয়ালা লোকেরা
বিশেষ্য১ বার
- ৩:১৪৬
وَكَاَيِّنۡ مِّنۡ نَّبِىٍّ قٰتَلَ ۙ مَعَهٗ رِبِّيُّوۡنَ كَثِيۡرٌ ۚ فَمَا وَهَنُوۡا لِمَاۤ اَصَابَهُمۡ فِىۡ سَبِيۡلِ اللّٰهِ وَمَا ضَعُفُوۡا وَمَا اسۡتَكَانُوۡا ؕ وَاللّٰهُ يُحِبُّ الصّٰبِرِيۡنَ
অনেক নবী যুদ্ধ করেছেন; তাদের সঙ্গে ছিল বহু সহযোদ্ধা (প্রতিপালকের প্রতি বিশ্বাসী ও সৎ কর্মশীল) কিন্তু তারা আল্লাহর পথে