মূল অংশে যান
Quranic Study

মূলধাতু س-ب-ل

কুরআনে ১৭৬ বার, ১টি শব্দরূপে

سَبِيل

way

বিশেষ্য১৭৬ বার

  1. ১৬:৯

    وَعَلَى اللّٰهِ قَصۡدُ السَّبِيۡلِ وَمِنۡهَا جَآٮِٕرٌ​ؕ وَلَوۡ شَآءَ لَهَدٰٮكُمۡ اَجۡمَعِيۡنَ‏

    আর সোজা পথ নির্দেশ করা আল্লাহর দায়িত্ব; আর তার মধ্যে কিছু পথ রয়েছে যাতে আছে বক্রতা। আর যদি তিনি উপযুক্ত মনে করতেন, তবে

  2. ১৬:১৫

    وَاَلۡقٰى فِى الۡاَرۡضِ رَوَاسِىَ اَنۡ تَمِيۡدَ بِكُمۡ وَاَنۡهٰرًا وَّسُبُلًا لَّعَلَّكُمۡ تَهۡتَدُوۡنَۙ‏

    আর তিনি পৃথিবীতে দৃঢ় পর্বতমালা স্থাপন করেছেন, যাতে তা তোমাদের নিয়ে দুলে না যায়, এবং স্থাপন করেছেন নদীসমূহ ও রাস্তাসমূহ,

  3. ১৬:৬৯

    ثُمَّ كُلِىۡ مِنۡ كُلِّ الثَّمَرٰتِ فَاسۡلُكِىۡ سُبُلَ رَبِّكِ ذُلُلًا​ ؕ يَخۡرُجُ مِنۡۢ بُطُوۡنِهَا شَرَابٌ مُّخۡتَلِفٌ اَلۡوَانُهٗ فِيۡهِ شِفَآءٌ لِّلنَّاسِ​ؕ اِنَّ فِىۡ ذٰ لِكَ لَاٰيَةً لِّقَوۡمٍ يَّتَفَكَّرُوۡنَ‏

    তারপর তুমি সব ধরনের ফল থেকে খাও, এবং তোমার প্রতিপালকের পথগুলো সহজভাবে অনুসরণ কর। তার পেটের ভেতর থেকে বের হয় এক ধরনের

  4. ১৬:৮৮

    اَ لَّذِيۡنَ كَفَرُوۡا وَصَدُّوۡا عَنۡ سَبِيۡلِ اللّٰهِ زِدۡنٰهُمۡ عَذَابًا فَوۡقَ الۡعَذَابِ بِمَا كَانُوۡا يُفۡسِدُوۡنَ‏

    যারা অবিশ্বাস করেছে এবং আল্লাহর পথ থেকে মানুষকে ফিরিয়ে রেখেছে, তাদের জন্য আমরা শাস্তির ওপর শাস্তি বৃদ্ধি করব, কারণ তারা

  5. ১৬:৯৪

    وَلَا تَتَّخِذُوۡۤا اَيۡمَانَكُمۡ دَخَلًاۢ بَيۡنَكُمۡ فَتَزِلَّ قَدَمٌۢ بَعۡدَ ثُبُوۡتِهَا وَتَذُوۡقُوا السُّوۡۤءَ بِمَا صَدَدْتُّمۡ عَنۡ سَبِيۡلِ اللّٰهِ​ۚ وَ لَـكُمۡ عَذَابٌ عَظِيۡمٌ‏

    আর তোমরা নিজেদের শপথগুলোকে পরস্পরের মধ্যে প্রতারণার উপায় হিসেবে ব্যবহার করো না, তাহলে তোমরা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরও পিছলে

  6. ১৬:১২৫

    اُدۡعُ اِلٰى سَبِيۡلِ رَبِّكَ بِالۡحِكۡمَةِ وَالۡمَوۡعِظَةِ الۡحَسَنَةِ​ وَجَادِلۡهُمۡ بِالَّتِىۡ هِىَ اَحۡسَنُ​ؕ اِنَّ رَبَّكَ هُوَ اَعۡلَمُ بِمَنۡ ضَلَّ عَنۡ سَبِيۡلِهٖ​ وَهُوَ اَعۡلَمُ بِالۡمُهۡتَدِيۡنَ‏

    তুমি তোমার প্রতিপালকের পথের দিকে আহ্বান করো প্রজ্ঞার মাধ্যমে ও উত্তম উপদেশের মাধ্যমে, এবং যুক্তি দাও সবচেয়ে উত্তম

  7. ১৬:১২৫

    اُدۡعُ اِلٰى سَبِيۡلِ رَبِّكَ بِالۡحِكۡمَةِ وَالۡمَوۡعِظَةِ الۡحَسَنَةِ​ وَجَادِلۡهُمۡ بِالَّتِىۡ هِىَ اَحۡسَنُ​ؕ اِنَّ رَبَّكَ هُوَ اَعۡلَمُ بِمَنۡ ضَلَّ عَنۡ سَبِيۡلِهٖ​ وَهُوَ اَعۡلَمُ بِالۡمُهۡتَدِيۡنَ‏

    তুমি তোমার প্রতিপালকের পথের দিকে আহ্বান করো প্রজ্ঞার মাধ্যমে ও উত্তম উপদেশের মাধ্যমে, এবং যুক্তি দাও সবচেয়ে উত্তম

  8. ১৭:২৬

    وَاٰتِ ذَا الۡقُرۡبٰى حَقَّهٗ وَالۡمِسۡكِيۡنَ وَابۡنَ السَّبِيۡلِ وَلَا تُبَذِّرۡ تَبۡذِيۡرًا‏

    আর নিকটাত্মীয়কে তার প্রাপ্য অধিকার দাও, এবং অভাবগ্রস্তকে ও পথিককে (তার অধিকার দাও); আর অপব্যয় করে অপচয় করো না।

  9. ১৭:৩২

    وَلَا تَقۡرَبُوا الزِّنٰٓى اِنَّهٗ كَانَ فَاحِشَةً  ؕ وَسَآءَ سَبِيۡلًا‏ 

    আর তোমরা ব্যভিচারের কাছেও যেও না; নিশ্চয় তা এক গুরুতর অশ্লীলতা এবং তা অত্যন্ত নিকৃষ্ট পথ।

  10. ১৭:৪২

    قُلْ لَّوۡ كَانَ مَعَهٗۤ اٰلِهَةٌ كَمَا يَقُوۡلُوۡنَ اِذًا لَّابۡتَغَوۡا اِلٰى ذِى الۡعَرۡشِ سَبِيۡلًا‏

    বল: যদি তাঁর সাথে অন্য কোনো বিধানদাতা থাকত যেমন তারা দাবি করে, তাহলে তারা অবশ্যই চূড়ান্ত কর্তৃত্বের অধিকারীর দিকে পথ

  11. ১৭:৪৮

    اُنْظُرۡ كَيۡفَ ضَرَبُوۡا لَكَ الۡاَمۡثَالَ فَضَلُّوۡا فَلَا يَسۡتَطِيۡعُوۡنَ سَبِيۡلًا‏

    দেখো, তারা তোমাকে নিয়ে কী ধরনের কথা ও উপমা তৈরি করছে; এতে তারা নিজেরাই বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছে, ফলে আর কোনো পথ খুঁজে পায় না।

  12. ১৭:৭২

    وَمَنۡ كَانَ فِىۡ هٰذِهٖۤ اَعۡمٰى فَهُوَ فِى الۡاٰخِرَةِ اَعۡمٰى وَاَضَلُّ سَبِيۡلًا‏

    যে ব্যক্তি এই পৃথিবীতে অন্ধ (অর্থাৎ সত্য অনুধাবনে অক্ষম), সে পরকালেও অন্ধ থাকবে এবং অধিকতর পথভ্রষ্ট থাকবে।

  13. ১৭:৮৪

    قُلۡ كُلٌّ يَّعۡمَلُ عَلٰى شَاكِلَتِهٖؕ فَرَبُّكُمۡ اَعۡلَمُ بِمَنۡ هُوَ اَهۡدٰى سَبِيۡلًا‏

    বল: প্রত্যেকেই নিজ নিজ স্বভাব এর ধারা অনুযায়ী কাজ করে; আর তোমাদের প্রতিপালকই ভালো জানেন, কে পথের দিক থেকে অধিক সঠিক।

  14. ১৭:১১০

    قُلِ ادۡعُوا اللّٰهَ اَوِ ادۡعُوا الرَّحۡمٰنَ​ ؕ اَ يًّا مَّا تَدۡعُوۡا فَلَهُ الۡاَسۡمَآءُ الۡحُسۡنٰى ​ۚ وَلَا تَجۡهَرۡ بِصَلَاتِكَ وَلَا تُخَافِتۡ بِهَا وَابۡتَغِ بَيۡنَ ذٰ لِكَ سَبِيۡلًا‏

    বল: তোমরা আল্লাহ নামে ডাকো বা রহমান নামে ডাকো, যেভাবেই ডাকো, সকল সুন্দর নাম তাঁরই। আর তোমার বিধানের সাথে সংযোগের সময় তা

  15. ১৮:৬১

    فَلَمَّا بَلَغَا مَجۡمَعَ بَيۡنِهِمَا نَسِيَا حُوۡتَهُمَا فَاتَّخَذَ سَبِيۡلَهٗ فِى الۡبَحۡرِ سَرَبًا‏

    অতঃপর যখন তারা দুইজন দুই সাগরের মিলনস্থলে পৌঁছল, তারা তাদের মাছের কথা ভুলে গেল। তখন সেটি সমুদ্রের মধ্যে গোপন একটি পথ

  16. ১৮:৬৩

    قَالَ اَرَءَيۡتَ اِذۡ اَوَيۡنَاۤ اِلَى الصَّخۡرَةِ فَاِنِّىۡ نَسِيۡتُ الۡحُوۡتَ وَ مَاۤ اَنۡسٰٮنِيۡهُ اِلَّا الشَّيۡطٰنُ اَنۡ اَذۡكُرَهٗ​ ​ۚ وَاتَّخَذَ سَبِيۡلَهٗ فِىۡ الۡبَحۡر​ِ ​ۖ عَجَبًا‏

    সে বলল: ‘তুমি কি দেখেছ, যখন আমরা পাথরের কাছে আশ্রয় নিয়েছিলাম, তখন আমি মাছটির কথা ভুলে গিয়েছিলাম। আর আমাকে তা স্মরণ

  17. ২০:৫৩

    الَّذِىۡ جَعَلَ لَـكُمُ الۡاَرۡضَ مَهۡدًا وَّسَلَكَ لَـكُمۡ فِيۡهَا سُبُلًا وَّ اَنۡزَلَ مِنَ السَّمَآءِ مَآءً ؕ فَاَخۡرَجۡنَا بِهٖۤ اَزۡوَاجًا مِّنۡ نَّبَاتٍ شَتّٰى‏

    যিনি তোমাদের জন্য পৃথিবীকে করেছেন বিছানার মতো, তাতে তোমাদের জন্য পথ তৈরি করেছেন এবং আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেছেন। তারপর

  18. ২১:৩১

    وَجَعَلۡنَا فِى الۡاَرۡضِ رَوَاسِىَ اَنۡ تَمِيۡدَ بِهِمۡ وَجَعَلۡنَا فِيۡهَا فِجَاجًا سُبُلًا لَّعَلَّهُمۡ يَهۡتَدُوۡنَ‏

    আর আমরা পৃথিবীতে দৃঢ়ভাবে পর্বতসমূহ স্থাপন করেছি, যাতে তা তাদের নিয়ে ভরসাম্যহীন না হয়। আর তাতে আমরা প্রশস্ত পথসমূহ

  19. ২২:৯

    ثَانِىَ عِطۡفِهٖ لِيُضِلَّ عَنۡ سَبِيۡلِ اللّٰهِ ​ؕ لَهٗ فِى الدُّنۡيَا خِزۡىٌ​ وَّنُذِيۡقُهٗ يَوۡمَ الۡقِيٰمَةِ عَذَابَ الۡحَرِيۡقِ‏

    সে অহংকারভরে ঘাড় বাঁকিয়ে আল্লাহর পথ থেকে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। তার জন্য দুনিয়াতে রয়েছে অপমান, আর কিয়ামতের

  20. ২২:২৫

    اِنَّ الَّذِيۡنَ كَفَرُوۡا وَيَصُدُّوۡنَ عَنۡ سَبِيۡلِ اللّٰهِ وَالۡمَسۡجِدِ الۡحَـرَامِ الَّذِىۡ جَعَلۡنٰهُ لِلنَّاسِ سَوَآءَ اۨلۡعَاكِفُ فِيۡهِ وَالۡبَادِ​ ؕ وَمَنۡ يُّرِدۡ فِيۡهِ بِاِلۡحَـادٍۢ بِظُلۡمٍ نُّذِقۡهُ مِنۡ عَذَابٍ اَ لِيۡمٍ‏ 

    নিশ্চয় যারা সত্য অস্বীকার করেছে এবং আল্লাহর পথ থেকে ও পবিত্র আত্মসমর্পনের স্থান থেকে মানুষকে বাধা দেয়, যাকে আমরা

আগের অংশআরও দেখুন