মূলধাতু ر-ب-ب
কুরআনে ৯৮০ বার, ৪টি শব্দরূপে
رَبّ
প্রতিপালক, পালনকর্তা, মালিক বা অধিপতি, যিনি টিকিয়ে রাখেন বা রক্ষণাবেক্ষণ করেন, যিনি লালন-পালন করেন,
বিশেষ্য৯৭৫ বার
- ১৯:৬
يَّرِثُنِىۡ وَيَرِثُ مِنۡ اٰلِ يَعۡقُوۡبَ ۖ وَاجۡعَلۡهُ رَبِّ رَضِيًّا
সে হবে আমার উত্তরাধিকারী এবং উত্তরাধিকারী হবে ইয়াকুবের বংশধরদের থেকেও। আর হে আমার প্রতিপালক, তাকে করো তোমার
- ১৯:৮
قَالَ رَبِّ اَنّٰى يَكُوۡنُ لِىۡ غُلٰمٌ وَّكَانَتِ امۡرَاَتِىۡ عَاقِرًا وَّقَدۡ بَلَـغۡتُ مِنَ الۡـكِبَرِ عِتِيًّا
সে বলল: হে আমার প্রতিপালক! কীভাবে আমার একটি পুত্র সন্তান হবে, অথচ আমার স্ত্রী হলো বন্ধ্যা, আর আমি নিজেও বার্ধক্যের এমন
- ১৯:৯
قَالَ كَذٰلِكَۚ قَالَ رَبُّكَ هُوَ عَلَىَّ هَيِّنٌ وَّقَدۡ خَلَقۡتُكَ مِنۡ قَبۡلُ وَلَمۡ تَكُ شَيۡـًٔـا
তিনি বললেন: এভাবেই হবে। তোমার প্রতিপালক বললেন: এটা আমার জন্য খুবই সহজ। আর আমি তো তোমাকে আগেও সৃষ্টি করেছি, যখন তুমি
- ১৯:১০
قَالَ رَبِّ اجۡعَلْ لِّىۡۤ اٰيَةً ؕ قَالَ اٰيَتُكَ اَلَّا تُكَلِّمَ النَّاسَ ثَلٰثَ لَيَالٍ سَوِيًّا
সে বলল: হে আমার প্রতিপালক! আমার জন্য একটি নিদর্শন নির্ধারণ করে দাও। তিনি বললেন: তোমার নিদর্শন হলো, তুমি সুস্থ স্বাভাবিক
- ১৯:১৯
قَالَ اِنَّمَاۤ اَنَا رَسُوۡلُ رَبِّكِ ۖ لِاَهَبَ لَـكِ غُلٰمًا زَكِيًّا
সে বলল: আমি তো কেবল তোমার প্রতিপালকের প্রেরিত দূত, যেন তোমাকে এক পবিত্র সন্তান দান করি।
- ১৯:২১
قَالَ كَذٰلِكِ ۚ قَالَ رَبُّكِ هُوَ عَلَىَّ هَيِّنٌ ۚ وَلِنَجۡعَلَهٗۤ اٰيَةً لِّلنَّاسِ وَرَحۡمَةً مِّنَّا ۚ وَكَانَ اَمۡرًا مَّقۡضِيًّا
সে বলল: এভাবেই হবে। তোমার প্রতিপালক বলেছেন: এটা আমার জন্য খুবই সহজ। আর আমরা তা বানাই আমাদের পক্ষ থেকে মানুষের জন্য একটি
- ১৯:২৪
فَنَادٰٮهَا مِنۡ تَحۡتِهَاۤ اَلَّا تَحۡزَنِىۡ قَدۡ جَعَلَ رَبُّكِ تَحۡتَكِ سَرِيًّا
তারপর তাকে তার নিচ দিক থেকে ডেকে বলা হলো: ‘তুমি দুঃখ করো না; নিশ্চয়ই তোমার প্রতিপালক তোমার নিচে একটি প্রবাহমান
- ১৯:৩৬
وَاِنَّ اللّٰهَ رَبِّىۡ وَرَبُّكُمۡ فَاعۡبُدُوۡهُ ؕ هٰذَا صِرَاطٌ مُّسۡتَقِيۡمٌ
আর নিশ্চয়ই আল্লাহই আমার প্রতিপালক এবং তোমাদের প্রতিপালক; তাই তোমরা তাঁরই দাসত্ব করো। এটাই সরল পথ।
- ১৯:৩৬
وَاِنَّ اللّٰهَ رَبِّىۡ وَرَبُّكُمۡ فَاعۡبُدُوۡهُ ؕ هٰذَا صِرَاطٌ مُّسۡتَقِيۡمٌ
আর নিশ্চয়ই আল্লাহই আমার প্রতিপালক এবং তোমাদের প্রতিপালক; তাই তোমরা তাঁরই দাসত্ব করো। এটাই সরল পথ।
- ১৯:৪৭
قَالَ سَلٰمٌ عَلَيۡكَۚ سَاَسۡتَغۡفِرُ لَـكَ رَبِّىۡؕ اِنَّهٗ كَانَ بِىۡ حَفِيًّا
সে বলল: ‘তোমার উপর শান্তি। আমি আমার প্রতিপালকের কাছে তোমার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করব। নিশ্চয়ই তিনি আমার প্রতি ছিলেন
- ১৯:৪৮
وَ اَعۡتَزِلُـكُمۡ وَمَا تَدۡعُوۡنَ مِنۡ دُوۡنِ اللّٰهِ وَاَدۡعُوۡا رَبِّىۡ ۖ عَسٰٓى اَلَّاۤ اَكُوۡنَ بِدُعَآءِ رَبِّىۡ شَقِيًّا
আর আমি তোমাদের থেকে এবং তোমরা আল্লাহ ছাড়া যাদের দাসত্ব করো তাদের থেকে দূরে সরে যাচ্ছি। আমি আমার প্রতিপালককেই ডাকব। আশা
- ১৯:৪৮
وَ اَعۡتَزِلُـكُمۡ وَمَا تَدۡعُوۡنَ مِنۡ دُوۡنِ اللّٰهِ وَاَدۡعُوۡا رَبِّىۡ ۖ عَسٰٓى اَلَّاۤ اَكُوۡنَ بِدُعَآءِ رَبِّىۡ شَقِيًّا
আর আমি তোমাদের থেকে এবং তোমরা আল্লাহ ছাড়া যাদের দাসত্ব করো তাদের থেকে দূরে সরে যাচ্ছি। আমি আমার প্রতিপালককেই ডাকব। আশা
- ১৯:৫৫
وَ كَانَ يَاۡمُرُ اَهۡلَهٗ بِالصَّلٰوةِ وَالزَّكٰوةِ وَكَانَ عِنۡدَ رَبِّهٖ مَرۡضِيًّا
আর সে তার পরিবারবর্গকে বিধানের সাথে সংযুক্ত থাকার ও পরিশুদ্ধতা অর্জনের নির্দেশ দিত, এবং সে ছিল তার প্রতিপালকের কাছে
- ১৯:৬৪
وَمَا نَتَنَزَّلُ اِلَّا بِاَمۡرِ رَبِّكَ ۚ لَهٗ مَا بَيۡنَ اَيۡدِيۡنَا وَمَا خَلۡفَنَا وَمَا بَيۡنَ ذٰ لِكَ ۚ وَمَا كَانَ رَبُّكَ نَسِيًّا ۚ
আর তোমার প্রতিপালকের নির্দেশ ছাড়া আমরা কিছুই অবতরণ করি না। সব তাঁরই জন্য যা কিছু আমাদের সামনে, যা কিছু আমাদের পেছনে এবং
- ১৯:৬৪
وَمَا نَتَنَزَّلُ اِلَّا بِاَمۡرِ رَبِّكَ ۚ لَهٗ مَا بَيۡنَ اَيۡدِيۡنَا وَمَا خَلۡفَنَا وَمَا بَيۡنَ ذٰ لِكَ ۚ وَمَا كَانَ رَبُّكَ نَسِيًّا ۚ
আর তোমার প্রতিপালকের নির্দেশ ছাড়া আমরা কিছুই অবতরণ করি না। সব তাঁরই জন্য যা কিছু আমাদের সামনে, যা কিছু আমাদের পেছনে এবং
- ১৯:৬৫
رَّبُّ السَّمٰوٰتِ وَ الۡاَرۡضِ وَمَا بَيۡنَهُمَا فَاعۡبُدۡهُ وَاصۡطَبِرۡ لِـعِبَادَتِهٖؕ هَلۡ تَعۡلَمُ لَهٗ سَمِيًّا
তিনি আসমানসমূহ, পৃথিবী এবং এ দুয়ের মাঝখানে যা কিছু আছে, সবকিছুর প্রতিপালক; সুতরাং তাঁরই দাসত্ব কর এবং তাঁর দাসত্বে
- ১৯:৬৮
فَوَرَبِّكَ لَـنَحۡشُرَنَّهُمۡ وَالشَّيٰطِيۡنَ ثُمَّ لَــنُحۡضِرَنَّهُمۡ حَوۡلَ جَهَـنَّمَ جِثِيًّا ۚ
অতএব, তোমার প্রতিপালকের কসম, আমরা অবশ্যই তাদের এবং শয়তানদের একত্রিত করব; তারপর অবশ্যই তাদের জাহান্নামের চারপাশে নতজানু
- ১৯:৭১
وَاِنۡ مِّنْکُمْ اِلَّا وَارِدُهَا ؕ كَانَ عَلٰى رَبِّكَ حَتۡمًا مَّقۡضِيًّا ۚ
আর তোমাদের মধ্যে এমন কেউ নেই, যাকে তা (জাহান্নাম) অতিক্রম করতে হবে না, এটি তোমার প্রতিপালকের কাছে এক অবধারিত ও
- ১৯:৭৬
وَيَزِيۡدُ اللّٰهُ الَّذِيۡنَ اهۡتَدَوۡا هُدًىؕ وَالۡبٰقِيٰتُ الصّٰلِحٰتُ خَيۡرٌ عِنۡدَ رَبِّكَ ثَوَابًا وَّخَيۡرٌ مَّرَدًّا
আর যারা সঠিক পথে চলে, আল্লাহ তাদের সঠিক পথে চলার শক্তি আরও বৃদ্ধি করে দেন। আর স্থায়ী সৎকর্মসমূহ, তোমার প্রতিপালকের কাছে
- ২০:১২
اِنِّىۡۤ اَنَا رَبُّكَ فَاخۡلَعۡ نَـعۡلَيۡكَۚ اِنَّكَ بِالۡوَادِ الۡمُقَدَّسِ طُوًىؕ
নিশ্চয়ই আমি তোমার প্রতিপালক; অতএব তুমি তোমার জুতা খুলে ফেলো। নিশ্চয়ই তুমি পবিত্র উপত্যকা ‘তূওয়া’-তে আছো।
رَبّانِيِّن
আল্লাহওয়ালা / রব্বানি
বিশেষ্য৩ বার
- ৩:৭৯
مَا كَانَ لِبَشَرٍ اَنۡ يُّؤۡتِيَهُ اللّٰهُ الۡكِتٰبَ وَالۡحُكۡمَ وَالنُّبُوَّةَ ثُمَّ يَقُوۡلَ لِلنَّاسِ كُوۡنُوۡا عِبَادًا لِّىۡ مِنۡ دُوۡنِ اللّٰهِ وَلٰـكِنۡ كُوۡنُوۡا رَبَّانِيّٖنَ بِمَا كُنۡتُمۡ تُعَلِّمُوۡنَ الۡكِتٰبَ وَبِمَا كُنۡتُمۡ تَدۡرُسُوۡنَۙ
কোনো মানুষের পক্ষে কখনোই শোভন নয় যে আল্লাহ তাকে লিখিত বিধান, প্রজ্ঞা ও নবুয়ত দান করবেন, তারপর সে মানুষকে বলবে:
- ৫:৪৪
اِنَّاۤ اَنۡزَلۡنَا التَّوۡرٰٮةَ فِيۡهَا هُدًى وَّنُوۡرٌ ۚ يَحۡكُمُ بِهَا النَّبِيُّوۡنَ الَّذِيۡنَ اَسۡلَمُوۡا لِلَّذِيۡنَ هَادُوۡا وَ الرَّبَّانِيُّوۡنَ وَالۡاَحۡبَارُ بِمَا اسۡتُحۡفِظُوۡا مِنۡ كِتٰبِ اللّٰهِ وَكَانُوۡا عَلَيۡهِ شُهَدَآءَ ۚ فَلَا تَخۡشَوُا النَّاسَ وَاخۡشَوۡنِ وَلَا تَشۡتَرُوۡا بِاٰيٰتِىۡ ثَمَنًا قَلِيۡلًا ؕ وَمَنۡ لَّمۡ يَحۡكُمۡ بِمَاۤ اَنۡزَلَ اللّٰهُ فَاُولٰٓٮِٕكَ هُمُ الۡكٰفِرُوۡنَ
নিশ্চয়ই আমরা তাওরাত নাযিল করেছি, যার মধ্যে রয়েছে পথনির্দেশ এবং আলো। এর দ্বারা বিচার করতেন নবীগণ, যারা আত্মসমর্পণ
- ৫:৬৩
لَوۡلَا يَنۡهٰٮهُمُ الرَّبَّانِيُّوۡنَ وَالۡاَحۡبَارُ عَنۡ قَوۡلِهِمُ الۡاِثۡمَ وَاَكۡلِهِمُ السُّحۡتَؕ لَبِئۡسَ مَا كَانُوۡا يَصۡنَعُوۡنَ
কেন আল্লাহকেন্দ্রিক জ্ঞানী শিক্ষকগণ (রব্বানী) এবং ধর্মীয় পণ্ডিতগণ তাদেরকে পাপপূর্ণ কথা বলা এবং অবৈধ সম্পদ গ্রাস করা
رَبائِب
বিশেষ্য১ বার
- ৪:২৩
حُرِّمَتۡ عَلَيۡكُمۡ اُمَّهٰتُكُمۡ وَبَنٰتُكُمۡ وَاَخَوٰتُكُمۡ وَعَمّٰتُكُمۡ وَخٰلٰتُكُمۡ وَبَنٰتُ الۡاٰخِ وَبَنٰتُ الۡاُخۡتِ وَاُمَّهٰتُكُمُ الّٰتِىۡۤ اَرۡضَعۡنَكُمۡ وَاَخَوٰتُكُمۡ مِّنَ الرَّضَاعَةِ وَ اُمَّهٰتُ نِسَآٮِٕكُمۡ وَرَبَآٮِٕبُكُمُ الّٰتِىۡ فِىۡ حُجُوۡرِكُمۡ مِّنۡ نِّسَآٮِٕكُمُ الّٰتِىۡ دَخَلۡتُمۡ بِهِنَّ فَاِنۡ لَّمۡ تَكُوۡنُوۡا دَخَلۡتُمۡ بِهِنَّ فَلَا جُنَاحَ عَلَيۡكُمۡ وَحَلَاۤٮِٕلُ اَبۡنَآٮِٕكُمُ الَّذِيۡنَ مِنۡ اَصۡلَابِكُمۡۙ وَاَنۡ تَجۡمَعُوۡا بَيۡنَ الۡاُخۡتَيۡنِ اِلَّا مَا قَدۡ سَلَفَؕ اِنَّ اللّٰهَ كَانَ غَفُوۡرًا رَّحِيۡمًا ۙ
তোমাদের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে:
رِبِّيّ
আল্লাহ ওয়ালা লোকেরা
বিশেষ্য১ বার
- ৩:১৪৬
وَكَاَيِّنۡ مِّنۡ نَّبِىٍّ قٰتَلَ ۙ مَعَهٗ رِبِّيُّوۡنَ كَثِيۡرٌ ۚ فَمَا وَهَنُوۡا لِمَاۤ اَصَابَهُمۡ فِىۡ سَبِيۡلِ اللّٰهِ وَمَا ضَعُفُوۡا وَمَا اسۡتَكَانُوۡا ؕ وَاللّٰهُ يُحِبُّ الصّٰبِرِيۡنَ
অনেক নবী যুদ্ধ করেছেন; তাদের সঙ্গে ছিল বহু সহযোদ্ধা (প্রতিপালকের প্রতি বিশ্বাসী ও সৎ কর্মশীল) কিন্তু তারা আল্লাহর পথে