মূলধাতু ع-ي-ن
কুরআনে ৬৫ বার, ৩টি শব্দরূপে
عَيْن
চোখ, পানির প্রস্রবণ, উৎস, মূল সত্তা, গুপ্তচর
বিশেষ্য৫৭ বার
- ৪৪:২৫
كَمۡ تَرَكُوۡا مِنۡ جَنّٰتٍ وَّعُيُوۡنٍۙ
তারা কত যে উদ্যান ও প্রস্রবণ পিছনে রেখে গিয়েছিল!
- ৪৪:৫২
فِىۡ جَنّٰتٍ وَّعُيُوۡنٍ ۙ ۚ
বাগ-বাগিচা ও ঝর্নাধারার মাঝে।
- ৫১:১৫
اِنَّ الۡمُتَّقِيۡنَ فِىۡ جَنّٰتٍ وَّعُيُوۡنٍۙ
নিশ্চয়ই যারা আত্মসচেতন ও আত্মসংযমী (মুত্তাকী), তারা থাকবে জান্নাতসমূহে ও ঝর্ণাধারায়।
- ৫২:৪৮
وَاصۡبِرۡ لِحُكۡمِ رَبِّكَ فَاِنَّكَ بِاَعۡيُنِنَا وَسَبِّحۡ بِحَمۡدِ رَبِّكَ حِيۡنَ تَقُوۡمُۙ
আর তোমার প্রতিপালকের সিদ্ধান্তের জন্য ধৈর্য ধরো; নিশ্চয়ই তুমি আমাদের পর্যবেক্ষণের মধ্যে রয়েছ। আর তোমার প্রতিপালকের
- ৫৪:১২
وَّفَجَّرۡنَا الۡاَرۡضَ عُيُوۡنًا فَالۡتَقَى الۡمَآءُ عَلٰٓى اَمۡرٍ قَدۡ قُدِرَۚ
এবং আমরা পৃথিবী থেকে অসংখ্য ঝরনা উৎসারিত করলাম। তারপর সকল পানি এমন এক নির্দেশ কার্যকর করতে মিলিত হলো, যা পূর্বেই
- ৫৪:১৪
تَجۡرِىۡ بِاَعۡيُنِنَاۚ جَزَآءً لِّمَنۡ كَانَ كُفِرَ
সেটি আমাদের নজরদারিতে চলছিল, প্রতিদান হিসেবে সেই ব্যক্তির জন্য, যাকে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিল।
- ৫৪:৩৭
وَلَقَدۡ رَاوَدُوۡهُ عَنۡ ضَيۡفِهٖ فَطَمَسۡنَاۤ اَعۡيُنَهُمۡ فَذُوۡقُوۡا عَذَابِىۡ وَنُذُرِ
আর অবশ্যই তারা তার অতিথির ব্যাপারে তাকে প্ররোচিত করার চেষ্টা করেছিল; ফলে আমরা তাদের চোখগুলোর কার্যকারিতা মুছে
- ৫৫:৫০
فِيۡهِمَا عَيۡنٰنِ تَجۡرِيٰنِۚ
উভয়ের মধ্যেই থাকবে দুটি প্রবাহমান ঝর্ণা।
- ৫৫:৬৬
فِيۡهِمَا عَيۡنٰنِ نَضَّاخَتٰنِۚ
এ দুটিতে থাকবে ফোয়ারার মতো উচ্ছলমান দুটি ঝর্ণাধারা।
- ৭৬:৬
عَيۡنًا يَّشۡرَبُ بِهَا عِبَادُ اللّٰهِ يُفَجِّرُوۡنَهَا تَفۡجِيۡرًا
আল্লাহর বান্দারা একটি ঝর্ণা থেকে পান করবে। তারা এই ঝর্ণাকে (তাদের) ইচ্ছেমত প্রবাহিত করবে।
- ৭৬:১৮
عَيۡنًا فِيۡهَا تُسَمّٰى سَلۡسَبِيۡلًا
সেখানে একটি ঝরনা থাকবে, যার নাম সালসাবীল।
- ৭৭:৪১
اِنَّ الۡمُتَّقِيۡنَ فِىۡ ظِلٰلٍ وَّعُيُوۡنٍۙ
নিশ্চয়ই যারা আত্মসচেতন ও আত্মসংযমী (মুত্তাকী), তারা ছায়াময় পরিবেশ ও ঝরনাসমূহের মধ্যে থাকবে।
- ৮৩:২৮
عَيۡنًا يَّشۡرَبُ بِهَا الۡمُقَرَّبُوۡنَؕ
একটি ঝরনা, যেখান থেকে নৈকট্যপ্রাপ্তরা পান করে।
- ৮৮:৫
تُسۡقٰى مِنۡ عَيۡنٍ اٰنِيَةٍؕ
তাদের পান করানো হবে এক উত্তপ্ত ঝর্ণা থেকে।
- ৮৮:১২
فِيۡهَا عَيۡنٌ جَارِيَةٌ ۘ
তার মধ্যে থাকবে এক প্রবাহমান ঝর্ণা।
- ৯০:৮
اَلَمۡ نَجۡعَلۡ لَّهٗ عَيۡنَيۡنِۙ
আমরা কি তার জন্য দুটো চোখ বানাইনি?
- ১০২:৭
ثُمَّ لَتَرَوُنَّهَا عَيۡنَ الۡيَقِيۡنِۙ
তারপর তোমরা অবশ্যই সেটিকে প্রত্যক্ষভাবে নিশ্চিত হয়ে দেখবে।
عِين
আয়তলোচনা / আয়তলোচনা / ডাগর চোখ বিশিষ্ট
বিশেষ্য৪ বার
- ৩৭:৪৮
وَعِنۡدَهُمۡ قٰصِرٰتُ الطَّرۡفِ عِيۡنٌۙ
আর তাদের কাছে থাকবে দৃষ্টি সংযত রাখা, বড় বড় চোখবিশিষ্ট সঙ্গীরা।
- ৪৪:৫৪
كَذٰلِكَ وَزَوَّجۡنٰهُمۡ بِحُوۡرٍ عِيۡنٍؕ
এভাবেই ঘটবে। আর আমরা তাদের সঙ্গী করবো উজ্জ্বল-চোখবিশিষ্ট প্রশস্তনয়নাদের।
- ৫২:২০
مُتَّكِـــِٕيۡنَ عَلٰى سُرُرٍ مَّصۡفُوۡفَةٍ ۚ وَزَوَّجۡنٰهُمۡ بِحُوۡرٍ عِيۡنٍ
তারা সারিবদ্ধ আসনের উপর হেলান দিয়ে থাকবে। এবং আমরা তাদের সঙ্গী করেছি ডাগর নয়না বিশেষ বৈশিষ্ট্যের অধিকারীদের।
- ৫৬:২২
وَحُوۡرٌ عِيۡنٌۙ
আর থাকবে ডাগর চোখের বিশেষ বৈশিষ্ট সম্পন্ন সঙ্গীরা,
مَعِين
বিশুদ্ধ পানীয় পূর্ণ / প্রবাহিত সূরারঝর্ণা / প্রবহমান
বিশেষ্য৪ বার
- ২৩:৫০
وَجَعَلۡنَا ابۡنَ مَرۡيَمَ وَاُمَّهٗۤ اٰيَةً وَّاٰوَيۡنٰهُمَاۤ اِلٰى رَبۡوَةٍ ذَاتِ قَرَارٍ وَّمَعِيۡنٍ
আর আমরা মরিয়মের পুত্র ও তার মাকে একটি নিদর্শন বানিয়েছিলাম এবং এবং তাদেরকে এমন এক উঁচু স্থানে আশ্রয় দিয়েছিলাম, যা ছিল
- ৩৭:৪৫
يُطَافُ عَلَيۡهِمۡ بِكَاۡسٍ مِّنۡ مَّعِيۡنٍۢ ۙ
তাদের চারপাশে একটি পেয়ালা প্রবাহমান উৎস থেকে ঘুরে ঘুরে পরিবেশন করা হবে।
- ৫৬:১৮
بِاَكۡوَابٍ وَّاَبَارِيۡقَ ۙ وَكَاۡسٍ مِّنۡ مَّعِيۡنٍۙ
পেয়ালা, ঢালার পাত্র এবং প্রবাহমান উৎসের এক পানীয়পাত্রসহ।
- ৬৭:৩০
قُلۡ اَرَءَيۡتُمۡ اِنۡ اَصۡبَحَ مَآؤُكُمۡ غَوۡرًا فَمَنۡ يَّاۡتِيۡكُمۡ بِمَآءٍ مَّعِيۡنٍ
বল: ‘তোমরা কি ভেবে দেখেছ, যদি তোমাদের পানি ভূগর্ভে চলে যায়, তাহলে তোমাদেরকে কে এনে দেবে প্রবহমান পানি?’