মূলধাতু ر-ب-ب
কুরআনে ৯৮০ বার, ৪টি শব্দরূপে
رَبّ
প্রতিপালক, পালনকর্তা, মালিক বা অধিপতি, যিনি টিকিয়ে রাখেন বা রক্ষণাবেক্ষণ করেন, যিনি লালন-পালন করেন,
বিশেষ্য৯৭৫ বার
- ২৫:৬৪
وَالَّذِيۡنَ يَبِيۡتُوۡنَ لِرَبِّهِمۡ سُجَّدًا وَّقِيَامًا
আর তারা সেইসব মানুষ, যারা তাদের প্রতিপালকের উদ্দেশ্যে নিজেকে সমর্পিত করে ও সেই অবস্থায় অবিচল থেকে রাত অতিবাহিত করে।
- ২৫:৬৫
وَالَّذِيۡنَ يَقُوۡلُوۡنَ رَبَّنَا اصۡرِفۡ عَنَّا عَذَابَ جَهَـنَّمَ ۖ اِنَّ عَذَابَهَا كَانَ غَرَامًا ۖ
আর তারা বলে; ‘হে আমাদের প্রতিপালক, আমাদের থেকে জাহান্নামের শাস্তি দূরে সরিয়ে দাও; নিশ্চয়ই তার শাস্তি হলো এক স্থায়ী
- ২৫:৭৩
وَالَّذِيۡنَ اِذَا ذُكِّرُوۡا بِاٰيٰتِ رَبِّهِمۡ لَمۡ يَخِرُّوۡا عَلَيۡهَا صُمًّا وَّعُمۡيَانًا
আর যখন তাদেরকে তাদের প্রতিপালকের বিধানসমূহের মাধ্যমে উপদেশ দেয়া হয়, তখন তারা সে বিষয়ে বধির ও অন্ধের মতো আচরন করে না।
- ২৫:৭৪
وَالَّذِيۡنَ يَقُوۡلُوۡنَ رَبَّنَا هَبۡ لَـنَا مِنۡ اَزۡوَاجِنَا وَذُرِّيّٰتِنَا قُرَّةَ اَعۡيُنٍ وَّاجۡعَلۡنَا لِلۡمُتَّقِيۡنَ اِمَامًا
আর তারা বলে: ‘হে আমাদের প্রতিপালক, আমাদের স্ত্রী-সন্তানদের মধ্য থেকে আমাদের জন্য এমন মানুষ দান করো যারা আমাদের চোখের
- ২৫:৭৭
قُلۡ مَا يَعۡبَـؤُا بِكُمۡ رَبِّىۡ لَوۡلَا دُعَآؤُكُمۡۚ فَقَدۡ كَذَّبۡتُمۡ فَسَوۡفَ يَكُوۡنُ لِزَامًا
বল: ‘আমার প্রতিপালক তোমাদের মোটেই ভ্ৰক্ষেপ করেন না, যদি তোমরা তাকে না ডাক। এরপর নিশ্চই তোমরা মিথ্যারোপ করেছ, সুতরাং
- ২৬:৯
وَاِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ الۡعَزِيۡزُ الرَّحِيۡمُ
আর নিশ্চয়ই তোমার প্রতিপালক, তিনি নিজেই পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।
- ২৬:১০
وَاِذۡ نَادٰى رَبُّكَ مُوۡسٰۤى اَنِ ائۡتِ الۡقَوۡمَ الظّٰلِمِيۡنَۙ
আর যখন তোমার প্রতিপালক মূসাকে আহ্বান করেছিলেন এই বলে: ‘সেই অন্যায়কারী জনগোষ্ঠীর কাছে যাও।’
- ২৬:১২
قَالَ رَبِّ اِنِّىۡۤ اَخَافُ اَنۡ يُّكَذِّبُوۡنِؕ
সে বলল: ‘হে আমার প্রতিপালক! আমি আশংকা করছি যে, তারা আমার উপর মিথ্যারোপ করবে।
- ২৬:১৬
فَاۡتِيَا فِرۡعَوۡنَ فَقُوۡلَاۤ اِنَّا رَسُوۡلُ رَبِّ الۡعٰلَمِيۡنَۙ
অতএব তোমরা উভয়ে ফেরাউনের নিকট যাও এবং বলঃ নিশ্চই আমরা জগতসমূহের প্রতিপালকের রাসূল।
- ২৬:২১
فَفَرَرۡتُ مِنۡكُمۡ لَمَّا خِفۡتُكُمۡ فَوَهَبَ لِىۡ رَبِّىۡ حُكۡمًا وَّجَعَلَنِىۡ مِنَ الۡمُرۡسَلِيۡنَ
অতঃপর আমি তোমাদের থেকে সরে পালিয়ে গেলাম, যখন আমি তোমাদের ভয় করেছিলাম। তারপর আমার প্রতিপালক আমাকে প্রজ্ঞা দান করলেন এবং
- ২৬:২৩
قَالَ فِرۡعَوۡنُ وَمَا رَبُّ الۡعٰلَمِيۡنَؕ
ফিরআউন বলল: ‘আর এই জগতসমূহের প্রতিপালক কে?’
- ২৬:২৪
قَالَ رَبُّ السَّمٰوٰتِ وَالۡاَرۡضِ وَمَا بَيۡنَهُمَاؕ اِنۡ كُنۡتُمۡ مُّوۡقِنِيۡنَ
সে বলল: আকাশসমূহ ও পৃথিবী এবং তাদের মাঝখানে যা কিছু আছে, সব কিছুর প্রতিপালক (তিনি)। যদি তোমরা সত্যিই নিশ্চিত জ্ঞান রাখো।
- ২৬:২৬
قَالَ رَبُّكُمۡ وَرَبُّ اٰبَآٮِٕكُمُ الۡاَوَّلِيۡنَ
সে বলল: তিনি তোমাদের প্রতিপালক এবং তোমাদের পূর্ববর্তী পিতৃপুরুষদেরও প্রতিপালক।
- ২৬:২৬
قَالَ رَبُّكُمۡ وَرَبُّ اٰبَآٮِٕكُمُ الۡاَوَّلِيۡنَ
সে বলল: তিনি তোমাদের প্রতিপালক এবং তোমাদের পূর্ববর্তী পিতৃপুরুষদেরও প্রতিপালক।
- ২৬:২৮
قَالَ رَبُّ الۡمَشۡرِقِ وَالۡمَغۡرِبِ وَمَا بَيۡنَهُمَا ؕ اِنۡ كُنۡتُمۡ تَعۡقِلُوۡنَ
সে বলল: তিনি পূর্ব ও পশ্চিম এবং তাদের মধ্যবর্তী সব কিছুর প্রতিপালক, যদি তোমরা চিন্তা-বিবেচনা কর।
- ২৬:৪৭
قَالُوۡۤا اٰمَنَّا بِرَبِّ الۡعٰلَمِيۡنَۙ
তারা বলল: আমরা বিশ্বজগতের প্রতিপালকের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করলাম।
- ২৬:৪৮
رَبِّ مُوۡسٰى وَهٰرُوۡنَ
যিনি মূসা ও হারুনের প্রতিপালক।
- ২৬:৫০
قَالُوۡا لَا ضَيۡرَ اِنَّاۤ اِلٰى رَبِّنَا مُنۡقَلِبُوۡنَۚ
তারা বলল: ‘কোনো ক্ষতি নেই, নিশ্চই আমরা তো আমাদের রবের কাছেই প্রত্যাবর্তনকারী।’
- ২৬:৫১
اِنَّا نَطۡمَعُ اَنۡ يَّغۡفِرَ لَـنَا رَبُّنَا خَطٰيٰـنَاۤ اَنۡ كُنَّاۤ اَوَّلَ الۡمُؤۡمِنِيۡنَؕ
নিশ্চই আমরা আশা করি যে, আমাদের প্রতিপালক আমাদের ত্রুটি-বিচ্যুতি ক্ষমা করবেন, কারণ আমরা বিশ্বাস স্থাপনকারীদের মধ্যে
- ২৬:৬২
قَالَ كَلَّا ۚ اِنَّ مَعِىَ رَبِّىۡ سَيَهۡدِيۡنِ
সে (মূসা) বললঃ কক্ষণই নয়। নিশ্চই আমার প্রতিপালক আমার সঙ্গে আছেন; শীঘ্রই তিনি আমাকে পথ দেখাবেন।
رَبّانِيِّن
আল্লাহওয়ালা / রব্বানি
বিশেষ্য৩ বার
- ৩:৭৯
مَا كَانَ لِبَشَرٍ اَنۡ يُّؤۡتِيَهُ اللّٰهُ الۡكِتٰبَ وَالۡحُكۡمَ وَالنُّبُوَّةَ ثُمَّ يَقُوۡلَ لِلنَّاسِ كُوۡنُوۡا عِبَادًا لِّىۡ مِنۡ دُوۡنِ اللّٰهِ وَلٰـكِنۡ كُوۡنُوۡا رَبَّانِيّٖنَ بِمَا كُنۡتُمۡ تُعَلِّمُوۡنَ الۡكِتٰبَ وَبِمَا كُنۡتُمۡ تَدۡرُسُوۡنَۙ
কোনো মানুষের পক্ষে কখনোই শোভন নয় যে আল্লাহ তাকে লিখিত বিধান, প্রজ্ঞা ও নবুয়ত দান করবেন, তারপর সে মানুষকে বলবে:
- ৫:৪৪
اِنَّاۤ اَنۡزَلۡنَا التَّوۡرٰٮةَ فِيۡهَا هُدًى وَّنُوۡرٌ ۚ يَحۡكُمُ بِهَا النَّبِيُّوۡنَ الَّذِيۡنَ اَسۡلَمُوۡا لِلَّذِيۡنَ هَادُوۡا وَ الرَّبَّانِيُّوۡنَ وَالۡاَحۡبَارُ بِمَا اسۡتُحۡفِظُوۡا مِنۡ كِتٰبِ اللّٰهِ وَكَانُوۡا عَلَيۡهِ شُهَدَآءَ ۚ فَلَا تَخۡشَوُا النَّاسَ وَاخۡشَوۡنِ وَلَا تَشۡتَرُوۡا بِاٰيٰتِىۡ ثَمَنًا قَلِيۡلًا ؕ وَمَنۡ لَّمۡ يَحۡكُمۡ بِمَاۤ اَنۡزَلَ اللّٰهُ فَاُولٰٓٮِٕكَ هُمُ الۡكٰفِرُوۡنَ
নিশ্চয়ই আমরা তাওরাত নাযিল করেছি, যার মধ্যে রয়েছে পথনির্দেশ এবং আলো। এর দ্বারা বিচার করতেন নবীগণ, যারা আত্মসমর্পণ
- ৫:৬৩
لَوۡلَا يَنۡهٰٮهُمُ الرَّبَّانِيُّوۡنَ وَالۡاَحۡبَارُ عَنۡ قَوۡلِهِمُ الۡاِثۡمَ وَاَكۡلِهِمُ السُّحۡتَؕ لَبِئۡسَ مَا كَانُوۡا يَصۡنَعُوۡنَ
কেন আল্লাহকেন্দ্রিক জ্ঞানী শিক্ষকগণ (রব্বানী) এবং ধর্মীয় পণ্ডিতগণ তাদেরকে পাপপূর্ণ কথা বলা এবং অবৈধ সম্পদ গ্রাস করা
رَبائِب
বিশেষ্য১ বার
- ৪:২৩
حُرِّمَتۡ عَلَيۡكُمۡ اُمَّهٰتُكُمۡ وَبَنٰتُكُمۡ وَاَخَوٰتُكُمۡ وَعَمّٰتُكُمۡ وَخٰلٰتُكُمۡ وَبَنٰتُ الۡاٰخِ وَبَنٰتُ الۡاُخۡتِ وَاُمَّهٰتُكُمُ الّٰتِىۡۤ اَرۡضَعۡنَكُمۡ وَاَخَوٰتُكُمۡ مِّنَ الرَّضَاعَةِ وَ اُمَّهٰتُ نِسَآٮِٕكُمۡ وَرَبَآٮِٕبُكُمُ الّٰتِىۡ فِىۡ حُجُوۡرِكُمۡ مِّنۡ نِّسَآٮِٕكُمُ الّٰتِىۡ دَخَلۡتُمۡ بِهِنَّ فَاِنۡ لَّمۡ تَكُوۡنُوۡا دَخَلۡتُمۡ بِهِنَّ فَلَا جُنَاحَ عَلَيۡكُمۡ وَحَلَاۤٮِٕلُ اَبۡنَآٮِٕكُمُ الَّذِيۡنَ مِنۡ اَصۡلَابِكُمۡۙ وَاَنۡ تَجۡمَعُوۡا بَيۡنَ الۡاُخۡتَيۡنِ اِلَّا مَا قَدۡ سَلَفَؕ اِنَّ اللّٰهَ كَانَ غَفُوۡرًا رَّحِيۡمًا ۙ
তোমাদের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে:
رِبِّيّ
আল্লাহ ওয়ালা লোকেরা
বিশেষ্য১ বার
- ৩:১৪৬
وَكَاَيِّنۡ مِّنۡ نَّبِىٍّ قٰتَلَ ۙ مَعَهٗ رِبِّيُّوۡنَ كَثِيۡرٌ ۚ فَمَا وَهَنُوۡا لِمَاۤ اَصَابَهُمۡ فِىۡ سَبِيۡلِ اللّٰهِ وَمَا ضَعُفُوۡا وَمَا اسۡتَكَانُوۡا ؕ وَاللّٰهُ يُحِبُّ الصّٰبِرِيۡنَ
অনেক নবী যুদ্ধ করেছেন; তাদের সঙ্গে ছিল বহু সহযোদ্ধা (প্রতিপালকের প্রতি বিশ্বাসী ও সৎ কর্মশীল) কিন্তু তারা আল্লাহর পথে