মূলধাতু أ-ر-ض
কুরআনে ৪৬১ বার, ১টি শব্দরূপে
أَرْض
পৃথিবী/যমীন
বিশেষ্য৪৬১ বার
- ১৪:৮
وَقَالَ مُوۡسٰٓى اِنۡ تَكۡفُرُوۡۤا اَنۡـتُمۡ وَمَنۡ فِى الۡاَرۡضِ جَمِيۡعًا ۙ فَاِنَّ اللّٰهَ لَـغَنِىٌّ حَمِيۡدٌ
আর মূসা বলেছিল: তোমরা এবং পৃথিবীর সকল মানুষ যদি অবিশ্বাস করো, তবুও নিশ্চয়ই আল্লাহ সম্পূর্ণ অমুখাপেক্ষী, সর্বপ্রশংসিত।
- ১৪:১০
۞ قَالَتۡ رُسُلُهُمۡ اَفِى اللّٰهِ شَكٌّ فَاطِرِ السَّمٰوٰتِ وَالۡاَرۡضِؕ يَدۡعُوۡكُمۡ لِيَـغۡفِرَ لَـكُمۡ مِّنۡ ذُنُوۡبِكُمۡ وَيُؤَخِّرَكُمۡ اِلٰٓى اَجَلٍ مُّسَمًّىؕ قَالُوۡۤا اِنۡ اَنۡتُمۡ اِلَّا بَشَرٌ مِّثۡلُنَاؕ تُرِيۡدُوۡنَ اَنۡ تَصُدُّوۡنَا عَمَّا كَانَ يَعۡبُدُ اٰبَآؤُنَا فَاۡتُوۡنَا بِسُلۡطٰنٍ مُّبِيۡنٍ
তাদের রাসূলগণ বলেছিল: আল্লাহ সম্পর্কে কি কোনো সন্দেহ আছে, যিনি আসমান ও পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা? তিনি তোমাদের আহ্বান করছেন,
- ১৪:১৩
وَقَالَ الَّذِيۡنَ كَفَرُوۡا لِرُسُلِهِمۡ لَـنُخۡرِجَنَّكُمۡ مِّنۡ اَرۡضِنَاۤ اَوۡ لَـتَعُوۡدُنَّ فِىۡ مِلَّتِنَا ؕ فَاَوۡحٰۤى اِلَيۡهِمۡ رَبُّهُمۡ لَــنُهۡلِكَنَّ الظّٰلِمِيۡنَۙ
আর যারা অবিশ্বাস করেছিল তারা তাদের রাসূলদেরকে বলেছিল: আমরা অবশ্যই তোমাদের আমাদের এলাকা থেকে বের করে দেব, অথবা তোমরা
- ১৪:১৪
وَلَـنُسۡكِنَنَّكُمُ الۡاَرۡضَ مِنۡۢ بَعۡدِهِمۡؕ ذٰ لِكَ لِمَنۡ خَافَ مَقَامِىۡ وَخَافَ وَعِيۡدِ
আর আমরা অবশ্যই তাদের পর তোমাদেরকে এই ভূমিতে প্রতিষ্ঠিত করব। এটি তাদের জন্য, যারা আমার সামনে দাঁড়ানোকে ভয় করে এবং আমার
- ১৪:১৯
اَلَمۡ تَرَ اَنَّ اللّٰهَ خَلَقَ السَّمٰوٰتِ وَالۡاَرۡضَ بِالۡحَـقِّؕ اِنۡ يَّشَاۡ يُذۡهِبۡكُمۡ وَيَاۡتِ بِخَلۡقٍ جَدِيۡدٍۙ
তুমি কি দেখোনি যে আল্লাহ আসমানসমূহ ও পৃথিবীকে যথাযথভাবে সৃষ্টি করেছেন? তিনি উপযুক্ত মনে করলে তোমাদের সরিয়ে দিবেন এবং
- ১৪:২৬
وَمَثَلُ كَلِمَةٍ خَبِيۡثَةٍ كَشَجَرَةٍ خَبِيۡثَةٍ ۨاجۡتُثَّتۡ مِنۡ فَوۡقِ الۡاَرۡضِ مَا لَهَا مِنۡ قَرَارٍ
আর অপবিত্র বা নোংরা বাক্যের দৃষ্টান্ত হলো অপবিত্র একটি গাছের মতো, যাকে ভূমির উপর থেকে শিকড়সহ উপড়ে ফেলা হয়েছে; যার কোনো
- ১৪:৩২
اَللّٰهُ الَّذِىۡ خَلَقَ السَّمٰوٰتِ وَالۡاَرۡضَ وَاَنۡزَلَ مِنَ السَّمَآءِ مَآءً فَاَخۡرَجَ بِهٖ مِنَ الثَّمَرٰتِ رِزۡقًا لَّـكُمۡ ۚ وَسَخَّرَ لَـكُمُ الۡـفُلۡكَ لِتَجۡرِىَ فِى الۡبَحۡرِ بِاَمۡرِهٖۚ وَسَخَّرَ لَـكُمُ الۡاَنۡهٰرَۚ
আল্লাহ, যিনি আসমানসমূহ ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন, এবং আকাশ থেকে পানি বর্ষন করিয়েছেন; অতঃপর এর মাধ্যমে ফলসমূহ উৎপন্ন করেছেন
- ১৪:৩৮
رَبَّنَاۤ اِنَّكَ تَعۡلَمُ مَا نُخۡفِىۡ وَمَا نُعۡلِنُ ؕ وَمَا يَخۡفٰى عَلَى اللّٰهِ مِنۡ شَىۡءٍ فِى الۡاَرۡضِ وَلَا فِى السَّمَآءِ
“হে আমাদের প্রতিপালক, নিশ্চয়ই তুমি জানো যা আমরা গোপন করি এবং যা আমরা প্রকাশ করি। আর আকাশে বা পৃথিবীতে এমন কোনো কিছু নেই
- ১৪:৪৮
يَوۡمَ تُبَدَّلُ الۡاَرۡضُ غَيۡرَ الۡاَرۡضِ وَالسَّمٰوٰتُ وَبَرَزُوۡا لِلّٰهِ الۡوَاحِدِ الۡقَهَّارِ
যেদিন পৃথিবীকে অন্য এক পৃথিবীতে পরিবর্তিত করা হবে এবং আসমানসমূহকেও, এবং সবাই আল্লাহর সামনে উপস্থিত হবে, যিনি একক,
- ১৪:৪৮
يَوۡمَ تُبَدَّلُ الۡاَرۡضُ غَيۡرَ الۡاَرۡضِ وَالسَّمٰوٰتُ وَبَرَزُوۡا لِلّٰهِ الۡوَاحِدِ الۡقَهَّارِ
যেদিন পৃথিবীকে অন্য এক পৃথিবীতে পরিবর্তিত করা হবে এবং আসমানসমূহকেও, এবং সবাই আল্লাহর সামনে উপস্থিত হবে, যিনি একক,
- ১৫:১৯
وَالۡاَرۡضَ مَدَدۡنٰهَا وَاَلۡقَيۡنَا فِيۡهَا رَوَاسِىَ وَاَنۡۢبَتۡنَا فِيۡهَا مِنۡ كُلِّ شَىۡءٍ مَّوۡزُوۡنٍ
আর আমরা পৃথিবীকে বিস্তৃত করেছি, তাতে দৃঢ়ভাবে স্থাপন করেছি পাহাড়সমূহ, এবং তাতে প্রতিটি বস্তুকে পরিমিত ও সুষমভাবে উৎপন্ন
- ১৫:৩৯
قَالَ رَبِّ بِمَاۤ اَغۡوَيۡتَنِىۡ لَاُزَيِّنَنَّ لَهُمۡ فِى الۡاَرۡضِ وَلَاُغۡوِيَـنَّهُمۡ اَجۡمَعِيۡنَۙ
সে বলল: ‘হে আমার প্রতিপালক, তুমি যেহেতু আমাকে পথভ্রষ্ট করেছ, তাই আমি অবশ্যই পৃথিবীতে তাদের জন্য (পাপকে) আকর্ষণীয় করে
- ১৫:৮৫
وَمَا خَلَقۡنَا السَّمٰوٰتِ وَالۡاَرۡضَ وَمَا بَيۡنَهُمَاۤ اِلَّا بِالۡحَـقِّ ؕ وَاِنَّ السَّاعَةَ لَاٰتِيَةٌ فَاصۡفَحِ الصَّفۡحَ الۡجَمِيۡلَ
আর আমরা আকাশমণ্ডলী, পৃথিবী এবং তাদের মধ্যবর্তী সবকিছু সৃষ্টি করেছি সত্যের ভিত্তিতে। আর নিশ্চয়ই সেই নির্ধারিত সময় অবশ্যই
- ১৬:৩
خَلَقَ السَّمٰوٰتِ وَالۡاَرۡضَ بِالۡحَـقِّؕ تَعٰلٰى عَمَّا يُشۡرِكُوۡنَ
তিনি (বিশেষ উদ্দেশ্য সাধনের নিমিত্তে) য়থাযথভাবেই আসমানসমূহ যমীন সৃষ্টি করেছেন, তারা যাকে আল্লাহর অংশীদার গণ্য করে তা
- ১৬:১৩
وَمَا ذَرَاَ لَـكُمۡ فِى الۡاَرۡضِ مُخۡتَلِفًا اَلۡوَانُهٗ ؕ اِنَّ فِىۡ ذٰ لِكَ لَاٰيَةً لّـِقَوۡمٍ يَّذَّكَّرُوۡنَ
এবং পৃথিবীর মধ্যে তোমাদের জন্য তাঁর সৃষ্ট যা কিছু তিনি ছড়িয়ে দিয়েছেন, যার বৈচিত্র্যময় রূপ/রং রয়েছে। নিশ্চয়ই এতে নিদর্শন
- ১৬:১৫
وَاَلۡقٰى فِى الۡاَرۡضِ رَوَاسِىَ اَنۡ تَمِيۡدَ بِكُمۡ وَاَنۡهٰرًا وَّسُبُلًا لَّعَلَّكُمۡ تَهۡتَدُوۡنَۙ
আর তিনি পৃথিবীতে দৃঢ় পর্বতমালা স্থাপন করেছেন, যাতে তা তোমাদের নিয়ে দুলে না যায়, এবং স্থাপন করেছেন নদীসমূহ ও রাস্তাসমূহ,
- ১৬:৩৬
وَلَـقَدۡ بَعَثۡنَا فِىۡ كُلِّ اُمَّةٍ رَّسُوۡلًا اَنِ اعۡبُدُوا اللّٰهَ وَاجۡتَنِبُوا الطَّاغُوۡتَۚ فَمِنۡهُمۡ مَّنۡ هَدَى اللّٰهُ وَمِنۡهُمۡ مَّنۡ حَقَّتۡ عَلَيۡهِ الضَّلٰلَةُ ؕ فَسِيۡرُوۡا فِىۡ الۡاَرۡضِ فَانْظُرُوۡا كَيۡفَ كَانَ عَاقِبَةُ الۡمُكَذِّبِيۡنَ
নিশ্চয়ই আমরা প্রতিটি জাতির মধ্যেই রাসূল প্রেরণ করেছি এই নির্দেশ দিয়ে যে, ‘তোমরা আল্লাহর দাসত্বত করো এবং তাগুত থেকে দূরে
- ১৬:৪৫
اَفَاَمِنَ الَّذِيۡنَ مَكَرُوا السَّيِّاٰتِ اَنۡ يَّخۡسِفَ اللّٰهُ بِهِمُ الۡاَرۡضَ اَوۡ يَاۡتِيَهُمُ الۡعَذَابُ مِنۡ حَيۡثُ لَا يَشۡعُرُوۡنَۙ
তাহলে কি যারা মন্দ কাজের ষড়যন্ত্র করেছে তারা নিরাপদ হয়ে গেছে যে, আল্লাহ তাদেরকে জমিনে ধসিয়ে দেবেন না, অথবা তাদের কাছে
- ১৬:৪৯
وَلِلّٰهِ يَسۡجُدُ مَا فِى السَّمٰوٰتِ وَمَا فِى الۡاَرۡضِ مِنۡ دَآبَّةٍ وَّالۡمَلٰۤٮِٕكَةُ وَهُمۡ لَا يَسۡتَكۡبِرُوۡنَ
আকাশসমূহে যা কিছু আছে এবং পৃথিবীতে যেসকল জীবজন্তু রয়েছে, আর ফেরেশতারাও, সবাই আল্লাহরই জন্য নিজেকে পূর্ণ সমর্পণ করে। আর
- ১৬:৫২
وَلَهٗ مَا فِى السَّمٰوٰتِ وَ الۡاَرۡضِ وَلَهُ الدِّيۡنُ وَاصِبًا ؕ اَفَغَيۡرَ اللّٰهِ تَـتَّـقُوۡنَ
আর আকাশসমূহ ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবই তার। এবং আনুগত্য/জীবনব্যবস্থা তারই, যা চিরস্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠিত। তাহলে কি তোমরা