মূল অংশে যান
Quranic Study

মূলধাতু و-ج-ه

কুরআনে ৭৮ বার, ৫টি শব্দরূপে

وَجْه

মুখ / চেহারা / দিক

বিশেষ্য৭২ বার

  1. ৫৫:২৭

    وَّيَبۡقٰى وَجۡهُ رَبِّكَ ذُو الۡجَلٰلِ وَالۡاِكۡرَامِ​ۚ‏

    অবিনশ্বর শুধু তোমার প্রতিপালকের মুখমন্ডল (স্বত্ত্বা) যিনি মহিমাময়, মহানুভব।

  2. ৬৭:২২

    اَفَمَنۡ يَّمۡشِىۡ مُكِبًّا عَلٰى وَجۡهِهٖۤ اَهۡدٰٓى اَمَّنۡ يَّمۡشِىۡ سَوِيًّا عَلٰى صِرَاطٍ مُّسۡتَقِيۡمٍ‏

    তাহলে কি যে মুখের ওপর উপুড় হয়ে চলে সে-ই অধিক সঠিক পথে, নাকি যে সোজাভাবে একটি সরল পথে চলে?

  3. ৬৭:২৭

    فَلَمَّا رَاَوۡهُ زُلۡفَةً سِیْٓــَٔتۡ وُجُوۡهُ الَّذِيۡنَ كَفَرُوۡا وَقِيۡلَ هٰذَا الَّذِىۡ كُنۡتُمۡ بِهٖ تَدَّعُوۡنَ‏

    অতঃপর যখন তারা তা নিকটে দেখতে পাবে, তখন অস্বীকারকারীদের মুখমণ্ডল মলিন হয়ে যাবে এবং বলা হবে: ‘এই সেই (বিষয়) যা তোমরা

  4. ৭৫:২২

    وُجُوۡهٌ يَّوۡمَٮِٕذٍ نَّاضِرَةٌ ۙ‏

    সেদিন কিছু মুখমণ্ডল হবে সতেজ ও দীপ্ত।

  5. ৭৫:২৪

    وَوُجُوۡهٌ يَّوۡمَٮِٕذٍۢ بَاسِرَةٌ ۙ‏

    আর সেদিন কিছু মুখমণ্ডল হবে বিমর্ষ।

  6. ৭৬:৯

    اِنَّمَا نُطۡعِمُكُمۡ لِـوَجۡهِ اللّٰهِ لَا نُرِيۡدُ مِنۡكُمۡ جَزَآءً وَّلَا شُكُوۡرًا‏

    (তারা বলে): ‘আমরা কেবল তোমাদের খাদ্য দিই আল্লাহর উদ্দেশ্যে; আমরা তোমাদের কাছ থেকে কোনো প্রতিদান চাই না এবং কোনো

  7. ৮০:৩৮

    وُجُوۡهٌ يَّوۡمَٮِٕذٍ مُّسۡفِرَةٌ ۙ‏

    সেদিন কিছু মুখ থাকবে উজ্জ্বল,

  8. ৮০:৪০

    وَوُجُوۡهٌ يَّوۡمَٮِٕذٍ عَلَيۡهَا غَبَرَةٌ ۙ‏

    আর সেদিন কিছু মুখমণ্ডল থাকবে ধুলোমলিন।

  9. ৮৩:২৪

    تَعۡرِفُ فِىۡ وُجُوۡهِهِمۡ نَضۡرَةَ النَّعِيۡمِ​ۚ‏

    তাদের মুখমণ্ডলে তুমি সেই সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের দীপ্তি চিনতে পারবে।

  10. ৮৮:২

    وُجُوۡهٌ يَّوۡمَٮِٕذٍ خَاشِعَةٌ ۙ‏

    সেদিন কিছু মুখমণ্ডল অবনত থাকবে।

  11. ৮৮:৮

    وُجُوۡهٌ يَّوۡمَٮِٕذٍ نَّاعِمَةٌ ۙ‏

    সেদিন কিছু মুখমণ্ডল সুখময় থাকবে।

  12. ৯২:২০

    اِلَّا ابۡتِغَآءَ وَجۡهِ رَبِّهِ الۡاَعۡلٰى​ۚ‏

    সে শুধুই তার মহান প্রতিপালকের সন্তুষ্টির অনুসন্ধান করে।

আগের অংশ

وَجَّهْ

আমি মুখ ফেরাচ্ছি / তাকে পাঠায়

ক্রিয়া২ বার

  1. ৬:৭৯

    اِنِّىۡ وَجَّهۡتُ وَجۡهِىَ لِلَّذِىۡ فَطَرَ السَّمٰوٰتِ وَالۡاَرۡضَ حَنِيۡفًا​ وَّمَاۤ اَنَا مِنَ الۡمُشۡرِكِيۡنَ​ۚ‏

    নিশ্চয়ই আমি আমার সত্তাকে একনিষ্ঠভাবে সেই সত্তার দিকে অভিমুখ করেছি, যিনি আকাশসমূহ ও পৃথিবীকে প্রথমবার সৃষ্টি করেছেন, এবং

  2. ১৬:৭৬

    وَضَرَبَ اللّٰهُ مَثَلاً رَّجُلَيۡنِ اَحَدُهُمَاۤ اَبۡكَمُ لَا يَقۡدِرُ عَلٰى شَىۡءٍ وَّهُوَ كَلٌّ عَلٰى مَوۡلٰٮهُۙ اَيۡنَمَا يُوَجِّههُّ لَا يَاۡتِ بِخَيۡرٍ​ؕ هَلۡ يَسۡتَوِىۡ هُوَۙ وَمَنۡ يَّاۡمُرُ بِالۡعَدۡلِ​ۙ وَهُوَ عَلٰى صِرَاطٍ مُّسۡتَقِيۡمٍ‏ 

    আর আল্লাহ একটি দৃষ্টান্ত পেশ করেন, দুইজন মানুষের মধ্যে একজন বোবা, কোনো কিছু করার ক্ষমতা রাখে না, বরং সে তার অভিভাবকের

وَجِيه

সম্মানিত হবে / মর্যাদাবান

বিশেষ্য২ বার

  1. ৩:৪৫

    اِذۡ قَالَتِ الۡمَلٰٓٮِٕكَةُ يٰمَرۡيَمُ اِنَّ اللّٰهَ يُبَشِّرُكِ بِكَلِمَةٍ مِّنۡهُ ۖ اسۡمُهُ الۡمَسِيۡحُ عِيۡسَى ابۡنُ مَرۡيَمَ وَجِيۡهًا فِى الدُّنۡيَا وَالۡاٰخِرَةِ وَمِنَ الۡمُقَرَّبِيۡنَۙ‏

    যখন ফেরেশতারা বলেছিল: হে মারইয়াম, নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর পক্ষ থেকে এক বাণীর মাধ্যমে তোমাকে সুসংবাদ দিচ্ছেন, তার নাম হবে,

  2. ৩৩:৬৯

    يٰۤـاَيُّهَا الَّذِيۡنَ اٰمَنُوۡا لَا تَكُوۡنُوۡا كَالَّذِيۡنَ اٰذَوۡا مُوۡسٰى فَبَـرَّاَهُ اللّٰهُ مِمَّا قَالُوۡا ؕ وَكَانَ عِنۡدَ اللّٰهِ وَجِيۡهًا ؕ‏

    হে যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছ! তোমরা তাদের মতো হয়ো না, যারা মূসাকে কষ্ট দিয়েছিল। অতঃপর আল্লাহ তাদের বলা কথার অভিযোগ

تَوَجَّهَ

মুখ ফেরালো

ক্রিয়া১ বার

  1. ২৮:২২

    وَلَـمَّا تَوَجَّهَ تِلۡقَآءَ مَدۡيَنَ قَالَ عَسٰى رَبِّىۡۤ اَنۡ يَّهۡدِيَنِىۡ سَوَآءَ السَّبِيۡلِ‏

    আর যখন সে মাদইয়ানের দিকে রওনা হলো, তখন বলল: ‘আশা করি, আমার প্রতিপালক আমাকে সঠিক পথের দিশা দেবেন।’

وِجْهَة

একটি দিক

বিশেষ্য১ বার

  1. ২:১৪৮

    وَلِكُلٍّ وِّجۡهَةٌ هُوَ مُوَلِّيۡهَا ​ۚ فَاسۡتَبِقُوا الۡخَيۡرٰتِؕ اَيۡنَ مَا تَكُوۡنُوۡا يَاۡتِ بِكُمُ اللّٰهُ جَمِيۡعًا ؕ اِنَّ اللّٰهَ عَلٰى كُلِّ شَىۡءٍ قَدِيۡرٌ‏

    প্রত্যেকের জন্যই একটা নির্দিষ্ট লক্ষ্য আছে, সেদিকেই সে মুখ করে। তোমরা যেখানেই থাক না কেন আল্লাহ্‌ তোমাদের সবাই কে নিয়ে